ডাঃ স্বাধীন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ডাঃ স্বাধীন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বৃহস্পতিবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৬
রবিবার, ২১ আগস্ট, ২০১৬
ভূয়া ডাক্তার সনাক্ত করবেন যেভাবে ?
৪০ দিনের কোর্স করে কিংবা
পল্লী চিকিৎসক 😎 হয়ে কিভাবে
নামের পূর্বে ডাক্তার লিখে ?
মাথায় আসে না ! 😭
মেডিকেলে শত শত ছাত্র
শত শত পরীক্ষা দিয়ে,
৫- ৬ বছর হাতেকলমে পড়াশুনা করেও
এম.বি.বি.এস কিংবা বি.ডি.এস পাশ না করে ডাক্তার লিখার সাহস পায় না ।
পল্লী চিকিৎসক 😎 হয়ে কিভাবে
নামের পূর্বে ডাক্তার লিখে ?
মাথায় আসে না ! 😭
মেডিকেলে শত শত ছাত্র
শত শত পরীক্ষা দিয়ে,
৫- ৬ বছর হাতেকলমে পড়াশুনা করেও
এম.বি.বি.এস কিংবা বি.ডি.এস পাশ না করে ডাক্তার লিখার সাহস পায় না ।
এম.বি.বি.এস কিংবা বি.ডি.এস
পাশ ছাড়া বাংলাদেশের কেউ নামের পূর্বে ডাক্তার লিখলে
জরিমানার বিধান আছে?
তাই, কোনো সন্দেহ হলে
বি এম ডি সি এর ওয়েব সাইটে গিয়ে
http://bmdc.org.bd/doctors-info/
ডাক্তারের রেজিস্ট্রেশন নং দিয়ে সার্চ দিন?
উনি বাংলাদেশের রেজিস্টার্ড ডাক্তার কি না দেখে নিন।
পাশ ছাড়া বাংলাদেশের কেউ নামের পূর্বে ডাক্তার লিখলে
জরিমানার বিধান আছে?
তাই, কোনো সন্দেহ হলে
বি এম ডি সি এর ওয়েব সাইটে গিয়ে
http://bmdc.org.bd/doctors-info/
ডাক্তারের রেজিস্ট্রেশন নং দিয়ে সার্চ দিন?
উনি বাংলাদেশের রেজিস্টার্ড ডাক্তার কি না দেখে নিন।
সকল ডাক্তারদের ভিজিটিং কার্ড ও
প্রেসক্রিপশন পত্রে রেজিষ্ট্রেশন নং
উল্লেখ থাকলে ভূয়া ডাক্তার
সনাক্তকরণ সহজ হবে।
প্রেসক্রিপশন পত্রে রেজিষ্ট্রেশন নং
উল্লেখ থাকলে ভূয়া ডাক্তার
সনাক্তকরণ সহজ হবে।
Now available Reg No. for Medical 1-75700 and Dental 1-6800 only.N.B.: Any mistake/ error for correction please send scan copy of BM&DC Registration Certificate by email us using: info@bmdc.org.bd /admin@bmdc.org.bd
রবিবার, ২৪ জুলাই, ২০১৬
বিশ্বের নামকরা স্কলারশীপের নাম, ওয়েব সাইট ও দরখাস্ত করার সময়
জাপান
মনবুকাগাকুশো- ইউনিভার্সিটি রেকোমেন্ডাশন
দরখাস্তের সময়-প্রতি বছর নভেম্বর থেকে জানুয়ারী। এই স্কলারশিপের জন্য জাপানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর কে লিখতে হবে। গুগলে জাপানিজ ইউনিভার্সিটি লিখে সার্চ দিলে অনেক ইউনিভার্সিটি এর লিস্ট চলে আসবে, সেখানে ওয়েব সাইটে প্রবেশ করে প্রফেসরদের ই-মেইল এ লিখতে হবে।(https://en.wikipedia.org/wiki/List_of_universities_in_Japan)
মনবুকাগাকুশো- ইউনিভার্সিটি রেকোমেন্ডাশন
দরখাস্তের সময়-প্রতি বছর নভেম্বর থেকে জানুয়ারী। এই স্কলারশিপের জন্য জাপানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর কে লিখতে হবে। গুগলে জাপানিজ ইউনিভার্সিটি লিখে সার্চ দিলে অনেক ইউনিভার্সিটি এর লিস্ট চলে আসবে, সেখানে ওয়েব সাইটে প্রবেশ করে প্রফেসরদের ই-মেইল এ লিখতে হবে।(https://en.wikipedia.org/wiki/List_of_universities_in_Japan)
মনবুকাগাকুশো-এম্বাসী রেকোমেন্ডেসন
দরখাস্তের সময়-প্রতি বছর মার্চ -মে। এই স্কলারশিপের জন্য বাংলাদেশে অবস্থিত জাপানে এম্বাসি এর মাধ্যমে দরখাস্ত করতে হয়। বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের ওয়েব সাইটে এর সার্কুলার হয়। (http://www.moedu.gov.bd/)
দরখাস্তের সময়-প্রতি বছর মার্চ -মে। এই স্কলারশিপের জন্য বাংলাদেশে অবস্থিত জাপানে এম্বাসি এর মাধ্যমে দরখাস্ত করতে হয়। বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের ওয়েব সাইটে এর সার্কুলার হয়। (http://www.moedu.gov.bd/)
দক্ষিণ কোরিয়া
কোরিয়ান গভঃ স্কলারশিপ
দরখাস্তের সময়ঃ প্রতি বছর সেপ্টেম্বর। বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের ওয়েব সাইটে এর সার্কুলার হয়। (http://www.moedu.gov.bd/)
কোরিয়ান গভঃ স্কলারশিপ
দরখাস্তের সময়ঃ প্রতি বছর সেপ্টেম্বর। বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের ওয়েব সাইটে এর সার্কুলার হয়। (http://www.moedu.gov.bd/)
চীন
চাইনিজ গভঃ স্কলারশিপ
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর সেপ্টেম্বর।(http://www.csc.edu.cn/studyinchina/scholarshiplisten.aspx?cid=97).
The World Academy of Sciences
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর আগস্ট (http://twas.org/)
চাইনিজ গভঃ স্কলারশিপ
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর সেপ্টেম্বর।(http://www.csc.edu.cn/studyinchina/scholarshiplisten.aspx?cid=97).
The World Academy of Sciences
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর আগস্ট (http://twas.org/)
ইঊ কে
কমনওয়েলথ স্কলারশিপ
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর। বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের ওয়েব সাইটে এর সার্কুলার হয় (http://www.moedu.gov.bd/). University Grant Commission(UGC) এই স্কলারশিপের সিলেকশন দেয়।
কমনওয়েলথ স্কলারশিপ
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর। বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের ওয়েব সাইটে এর সার্কুলার হয় (http://www.moedu.gov.bd/). University Grant Commission(UGC) এই স্কলারশিপের সিলেকশন দেয়।
জার্মানি
DAAD স্কলারশিপ
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর। বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের ওয়েব সাইটে এর সার্কুলার হয় (http://www.moedu.gov.bd/)। বাংলাদেশে স্কলার এবং জার্মান এম্বাসি এর স্টাফদের নিয়ে একটা সিলেকশন কিমিটি গঠিত হয়, তাঁরাই ইন্টার্ভিউ নিয়ে সিলেকশন দেয়। তার আগে অবশ্যই জার্মানের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর দের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।
DAAD স্কলারশিপ
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর। বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের ওয়েব সাইটে এর সার্কুলার হয় (http://www.moedu.gov.bd/)। বাংলাদেশে স্কলার এবং জার্মান এম্বাসি এর স্টাফদের নিয়ে একটা সিলেকশন কিমিটি গঠিত হয়, তাঁরাই ইন্টার্ভিউ নিয়ে সিলেকশন দেয়। তার আগে অবশ্যই জার্মানের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর দের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।
বেলজিয়াম
VLIR-OUS স্কলারশিপ
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর সেপ্টেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারী। মেয়েদের ক্ষেত্রে এই স্কলারশিপ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। (http://www.vliruos.be/)
VLIR-OUS স্কলারশিপ
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর সেপ্টেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারী। মেয়েদের ক্ষেত্রে এই স্কলারশিপ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। (http://www.vliruos.be/)
নেদারল্যান্ডস
NFP স্কলারশিপ
Nuffic স্কলারশিপ
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর সেপ্টেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারী। এই স্ক্লারশিপের জন্য আগে ভর্তি হতে হবে অনলাইনে । (https://www.epnuffic.nl/en/)
NFP স্কলারশিপ
Nuffic স্কলারশিপ
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর সেপ্টেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারী। এই স্ক্লারশিপের জন্য আগে ভর্তি হতে হবে অনলাইনে । (https://www.epnuffic.nl/en/)
ইউরোপিয়ান কান্ট্রি
ERASMUS MUNDUS স্কলারশিপ
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর সেপ্টেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারী। (http://eacea.ec.europa.eu/erasmus_mundus/)
ERASMUS MUNDUS স্কলারশিপ
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর সেপ্টেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারী। (http://eacea.ec.europa.eu/erasmus_mundus/)
সুইডেন
Swidish Institute Study Scholarship
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর সেপ্টেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারী।(https://studyinsweden.se/scholarship/)
Swidish Institute Study Scholarship
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর সেপ্টেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারী।(https://studyinsweden.se/scholarship/)
নরওয়ে
Qouta scholarship
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর ।(http://siu.no/eng/Programme-information/Scholarship-schemes/Quota-Scheme)
Qouta scholarship
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর ।(http://siu.no/eng/Programme-information/Scholarship-schemes/Quota-Scheme)
অস্ট্রেলিয়া
IPRS
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর দুইবার – জুন-জুলাই এবং আগস্ট-সেপ্টেম্বর । প্রতি টা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য IPRS আলাদা আলাদা। প্রতি টা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট দেখতে হবে।
IPRS
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর দুইবার – জুন-জুলাই এবং আগস্ট-সেপ্টেম্বর । প্রতি টা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য IPRS আলাদা আলাদা। প্রতি টা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট দেখতে হবে।
Endevour
দরখাস্তের সময়- দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর এপ্রিল থেকে জুন । (https://internationaleducation.gov.au/Endeavour%20program/Scholarships-and-Fellowships/Pages/default.aspx)
দরখাস্তের সময়- দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর এপ্রিল থেকে জুন । (https://internationaleducation.gov.au/Endeavour%20program/Scholarships-and-Fellowships/Pages/default.aspx)
কানাডা
প্রতি টি বিশ্ববিদ্যালয় এর নিজস্ব কিছু স্কলারশিপ আছে। বিশ্ববিদ্যালয় এর
ওয়েব সাইটে গিয়ে দরখাস্ত এর নিয়ম জেনে দরখাস্ত করতে হবে। সময় ও দেওয়া আছে।
প্রতি টি বিশ্ববিদ্যালয় এর নিজস্ব কিছু স্কলারশিপ আছে। বিশ্ববিদ্যালয় এর
ওয়েব সাইটে গিয়ে দরখাস্ত এর নিয়ম জেনে দরখাস্ত করতে হবে। সময় ও দেওয়া আছে।
——————————————-
Md. Abu Sayed
B.Sc.Ag(Hons) and MS, BAU, Mymensingh
Visiting fellow, Nottingham University, UK
PhD fellow (Monbusho), Iwate University, Japan
&
Assistant Professor
Department of Biochemistry and Molecular Biology
Hajee Mohammad Danesh Science and Technology University, Dinajpur, Bangladesh
E-mail: sayed_bmb@yahoo.com
Md. Abu Sayed
B.Sc.Ag(Hons) and MS, BAU, Mymensingh
Visiting fellow, Nottingham University, UK
PhD fellow (Monbusho), Iwate University, Japan
&
Assistant Professor
Department of Biochemistry and Molecular Biology
Hajee Mohammad Danesh Science and Technology University, Dinajpur, Bangladesh
E-mail: sayed_bmb@yahoo.com
শনিবার, ২ জানুয়ারি, ২০১৬
কবে হবে সন্ত্রাস নির্মূল! কবে হবে চিকিৎসকদের জন্য নিরাপদ কর্মস্থল ?
বর্তমান বাংলাদেশে সবচেয়ে অনিরাপদ ও ঝুঁকিপূর্ণ পেশার নাম কি জানেন?
ডাক্তারী পেশা!!
প্রতিদিন যে হারে সন্ত্রাসীদের দ্বারা চিকিৎসকেরা আহত, নিহত হচ্ছেন!
পরিসংখ্যান তাই বলে।
গতকাল ডা: তপু কে কিডন্যাপ করা হলো,
এর আগে ডা: মুরাদ ভাইকে ঠান্ডা মাথায় খুন করা হলো,
ডা: শামস ভাইকে মারাত্নক জখম করে জীবন সংকটাপন্ন করা হলো,
ডা: সাজিয়া আপু খুন করা হলো!
আর কত!! "
চিকিৎসকেরা জীবনের সমস্ত মেধা, শ্রম ও সময় সব উজাড় করে মানুষের তরে , অকাতরে নিজেদের বিলিয়ে দিয়ে যাচ্ছেন,
তারই ফল কি ?
এমন নিত্য নৈমিত্তিক লোমহর্ষক ঘটনা!!
এভাবে চলতে থাকলে,
মনে হয় অদূর ভবিষ্যতে ডাক্তারী পেশা যাদুঘরে চলে যাবে।
কিংবা কেউ ডাক্তারী পাশ করেও
পেশায় কর্মরত থাকবেন না,
হয়তো ডাক্তার পরিচয় অজ্ঞাত রেখে সমাজে চলবেন।
এ পেশায় যারা কর্মরত আছেন,
তাদেরকে অদূর ভবিষ্যতে বেশ কিছু ত্যাগ মেনে নিয়ে কাজ করতে হতে পারে,
এ পেশার যে কেউ অপহরণের শিকার হতে পারেন!
আপনার পরিবারের উপর সন্ত্রাসীরা আঘাত হানতে পারে,
যে কেউ সন্ত্রাস দ্বারা জখম হতে পারেন,
এমন কি মৃত্যুও ঘটতে পারে ।
সিদ্ধান্ত আপনার!
মেধা, শ্রম ও সময় সব যখন বিসর্জন দিতে পেরেছেন,
জীবনটা বাকি রাখবেন কেন?
সন্ত্রাসীরা তো আপনার জীবন ছিনিয়ে নিয়ে নেয়ার জন্য উত পেতে আছে !!
কবে হবে সন্ত্রাস নির্মূল!
কবে হবে চিকিৎসকদের জন্য নিরাপদ কর্মস্থল
--- ডাঃ স্বাধীন
সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৫
তরুণ চিকিৎসকদের প্রতি চারজনের একজন বিষণ্নতায় ভোগেন...
অসংখ্য মানুষ বেড়ে ওঠেন ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে। কিন্তু দুঃস্বপ্নের তথ্যটি হলো, চিকিৎসকদের প্রতি চারজনের একজন ক্যারিয়ারের প্রথম দিকে বিষণ্নতায় ভোগেন। নতুন এক গবেষণায় বলা হয়েছে, সদ্য চিকিৎসক হয়েছেন এমন মানুষদের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য। সাধারণত চিকিৎসক হওয়ার আগের বিস্তর পড়াশোনা ও ট্রেনিংয়ের চাপে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়।
আমেরিকার 'জেএএমএ' জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণাপত্রে বলা হয়, ১৭ হাজার ৫০০ জন চিকিৎসকের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। এ ছাড়া গোটা বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে বিগত ৫০ বছরের তথ্য নেওয়া হয়েছে। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের গবেষকরা জানান, চিকিৎসকদের ২৮.৮ শতাংশ ক্যারিয়ারের প্রথম দিকে বিষণ্নতায় আক্রান্ত থাকেন।
গবেষকদের সমন্বয়কারী হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের ক্লিনিক্যাল ফেলো ডগলাস মাটা বলেন, আশঙ্কার বিষয় হলো, সাধারণ মানুষের মধ্যে বিষণ্নতার হার যতটা, তার চেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে চিকিৎসকদের মধ্যে।
শুধু তাই নয়, বিগত পাঁচ বছরে তরুণ ডাক্তারদের মাঝে বিষণ্নতা বৃদ্ধির হার বেড়েই চলেছে। এ হার এখন পর্যন্ত সামান্য হলেও তা দুশ্চিন্তার বিষয় বলে মনে করেন ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের এপিডেমিয়োলজিস্ট শ্রিজান সেন।
তিনি বলেন, রোগীদের চিকিৎসাকালে ডাক্তারদের বিষণ্নতা রোগীদের মাঝেও ছড়িয়ে যায়। তাই প্রত্যেক ডাক্তারের বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। তা ছাড়া গ্র্যাজুয়েট ডাক্তারদের মানসিক অবস্থার উন্নতিতে প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা থাকতে হবে।
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৫
এই মানুষটার ঠিক এইরকম হাসিটাই ফিরে পেতে চাই!!! ঠিক আগের মতো করেই!!

এই মানুষটার ঠিক এইরকম হাসিটাই ফিরে পেতে চাই!!! ঠিক আগের মতো করেই!!
সেই সাথে বিচার চাই সেই সব অমানুষদের যারা প্রানবন্ত মানুষটার ওপর নৃশংসতা চালালো!!!
চট্টগ্রাম মেডিকেলের খ্যাতিমান চিকিৎসক ডাঃতারেক শামসকে এভাবেই কুপিয়ে ফেলে রাখে দুর্বৃত্তরা।পুলিশ তদন্ত করছে।স্যারেরঅবস্থা আগের চাইতে কিছুটা ভাল।সবাই দোয়া করুন।
(শেয়ার করুন)
সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০১৫
বর্তমান ডাক্তারী পেশা ও কিছু ধ্রুব সত্য কথা
বর্তমান ডাক্তারী পেশা ও কিছু ধ্রুব সত্য কথা ___
ডাক্তার হওয়ার জন্য
এম.বি.বি.এস ভর্তির শুরু থেকে
ক্লাস, প্রতিদিন আইটেম, কার্ড, টার্ম ও একের পর এক প্রফ পরীক্ষা ।
কেড়ে নেয় জীবনের সব আনন্দ!
ফার্স্ট প্রফের এনাটমির জন্য,
গ্রেস এনাটমি
কানিং হাম, দত্তের বই,
বিডি চুরাশিয়া, স্নেল নিউরোএনাটমি
নীটার কালার এটলাস,
হিস্টোলজি, ওস্টিওলোজি , এমব্রায়োলজি
ফিজিওলজির জন্য গেনং, গাইটন সহ
আরো কত মেইনবই, গাইড বই পড়তে হয়!
বায়োকেমেস্ট্রির জন্য লিপিনকট, হার্পার, সত্যনারায়ণসহ কত লেকচার নোট পড়তে হয়!
যে পড়ে সে জানে!
এর মাঝে আরেক প্যারা কমিউনিটি মেডিসিন!
পাবলিক হেলথের ডেফিনেশন মুখস্ত করতে করতে জান শেষ হয়ে যায়,
ডেফিনেশন আর মুখস্ত হয় না!
সেকেন্ড প্রফ সে তো আইটেমের পাহাড়
ফার্মার কেটজাং , মাইক্রো , রবিনস প্যাথো, মরা মানুষের গবেষনা রেড্ডির
ফরেনসিক পাশের জন্য কত বই, লেকচার পড়তে সেটা আল্লাহ মালুম!
ফাইনাল প্রফ সেতো এম বি বি এস নাটকের শেষ দৃশ্য!
থার্ড ইয়ারের ডেভিডসন - হ্যারিসনের মেডিসিন,
ম্যাকলয়েডস এর ক্লিনিক্যাল এক্সামিনেশন,
আব্দুল্লাহ স্যারের শর্ট কেইস, লং কেইস ,
ইসিজি, রেডিওলজি
বেইলী লাভের সার্জারী,
দত্তের সার্জারী,
আই, ই এন টির কত বই,
কত লেকচার !
সে তো বলে শেষ করা যাবে না!
সব বই আর লেকচার কাঁধে নিয়ে নিয়মিত ক্লাসে আসলে,
নিশ্চিত ঐ ছাত্রের ডাক্তার হওয়ার পূর্বেই কাইপোসিস ডেভেলাপ করবে ।
আইটেম সব ক্লিয়ার না হলে,
কার্ডে বসার সুযোগ নেই,
সব কার্ড পাশ না করলে,
টার্মে বসার সুযোগ নেই,
সব টার্মে পাশ না করলে
ভার্সিটির অধীনে অনুষ্ঠিত প্রফে বসার সুযোগ নেই,
সব ক্লিয়ার থাকার পর যদি পার্সেন্টেজ ৭৫ এর নীচে হয়
প্রফে বসার আশাটা গুড়ে বালি হয়ে যায়!
ফার্স্ট প্রফ নিয়মিত পাশ না করলে
ডাক্তার হওয়ার আশা হতাশা হয়ে দাঁড়ায়!
নিয়মিত প্রফে বসতে না পারলে
হতাশা কল্পনার বাহিরে চলে যায়!
সব শেষে শুরু
ফাইনাল প্রফ নামক মহাযজ্ঞ!
ভাগ্য যার সহায় হয়,
পাশ করে ডাক্তার হওয়াটা তত ইজি হয়!
যদি স্যারদের সাথে কোনো পার্সোনাল ক্লেশ থাকে তাহলে তো পাশ করাটা দু:স্বপ্ন হয়ে দাঁড়ায়।
ফার্স্ট প্রফ, সেকেন্ড প্রফ, থার্ড প্রফ (বর্তমানে)
ও ফাইনাল প্রফ পাশ করলে
ডাক্তার হওয়ার আশা টা পূর্ণ হয়ে যাবে!
এম বি বি এস পাশের পর শুরু হয়
ইন্টার্ণশীপ লাইফ,
ইন্টার্ণশীপ লাইফে রোস্টার অনুযায়ী প্রতিটা ওয়ার্ডে ডিউটি শেষে
লগ বুকে ওয়ার্ডের সি এ, প্রফেসর, কো অর্ডিনেটর ও বিভাগীয় প্রধানের সই নিয়ে লগবুক জমা দিতে হয় ডিরেক্টর অফিসে,
ইন্টার্ণ লাইফ শেষে প্রিন্সিপ্যাল ও ডাইরেক্টরের সইযুক্ত ইন্টার্ণশীপ সার্টিফিকেটের জন্য অপেক্ষা করতে হবে সপ্তাহ দুয়েক!
এখানেই শেষ নয়!
এতোকিছু পাড়ি দিয়েও ডাক্তারী পেশা প্র্যাকটিস করতে পারবেন না,
প্র্যাক্টিসের জন্য আপনাকে বিএমডিসির রেজিষ্ট্রেশন সনদ সংগ্রহ করতে হবে ,
রেজিষ্ট্রেশনের জন্য নগদ টাকা,
এম বি বি এস পাশের ভার্সিটি সার্টিফিকেট ও
ইন্টার্নশীপ ট্রেনিং এর সার্টিফিকেট জমা দিয়ে অপেক্ষা করতে হবে সপ্তাহ দুয়েক থেকে মাসেক!
বিএমডিসির রেজিষ্ট্রেশন সনদ পাওয়ার পর
ডাক্তার হিসেবে প্র্যাক্টিস করার বৈধতা পাবেন।
পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন সে তো মহারতী মেধাবীদের স্বপ্ন ভংগের ভিন্নরূপ!
এফ সি পি এস ফার্স্ট পার্ট পাশ করে
ট্রেনিং এ ঢুকবেন বিনামূল্যে মানব সেবা করে যাবেন... বাপের টাকায় নিজের থাকা খাওয়া দাওয়াসহ যাবতীয় খরচ চালাবেন।
বছরের পর বছর অনাহারী নামক মেডিকেল অফিসার হয়ে বিনামূল্যে মানব সেবা দিয়ে
চূড়ান্ত পরীক্ষায় পাশ হবার সম্ভাবনা ৫ পার্সেন্ট!
এফ সি পি এস ডিগ্রীটা এমন হয়ে দাঁড়িয়েছে,
ঠিক ধরি মাছ না ছুই পানি এর উলঠো!
পড়তে থাকবেন আর ট্রেনিং করতে থাকবেন,
পাশ সে তো স্বপ্নের বিষয়!
পাশের হার এতই নগন্য অনেকে কয়েক বছর ট্রেনিং করে এফসিপিএস ছেড়ে দিয়ে
এম ডি / এম এস রেসিডেন্সী করছেন না হয় দেশ ছেড়ে বিদেশ পাড়ি জমাচ্ছেন!
কয়েক বছর আগেও
এফ সি পি এস এর পাশাপাশি অন্যান্য ডিগ্রীগুলো কনটিনিউ করা যেত!
আর এখন সে সুযোগটাও শূন্য।!
মেডিকেলের পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন ব্যবস্থা এতটা কঠিন করে ফেলেছেন,
হতাশা ছাড়া মিটে কি আশা !
এত কিছুর পরে যখন মহত পেশায় নিয়োজিত হবেন, দেখবেন
অন্যান্য পেশার বন্ধু বান্ধবরা বাড়ি গাড়ি করে দেশ বিদেশ ভ্রমণে পাড়ি দিচ্ছেন।
নানা উতসব আনন্দে দিন কাটাচ্ছেন,
তখন আপনি এতোটাই ব্যস্ত হয়ে উঠবেন,
দেশ বিদেশ তো দূরের কথা পরিবারের সদস্যদের সাথেও ঠিকমতো সময় দিতে পারবেন না! আপনার অনুপস্থিথিতেই
শত আচার অনুষ্ঠান আনন্দ শেষ হয়ে যাবে!
আপনি শুধু আফসোস করে যাবেন!
এতো কিছু ত্যাগের পর বুড়ো বয়সে পাবেন
স্বান্ত্বনা স্বরূপ কিছুটা খ্যাতি আর অর্থ বিত্ত !
উপরের সব কিছুই ধ্রুব সত্য!
কল্পনা নহে !!
লেখা- ডাঃ স্বাধীন
email - DoctorShadhin@gmail.com
Cell : +880-1931-992211
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৫
প্রশ্ন যদি হবে ফাঁস ! পড়বো কেনো বারো মাস!
লেখা - ডাঃ স্বাধীন
প্রশ্ন যদি হবে ফাঁস !
পড়বো কেনো বারো মাস!
এবার শিওর ছিলাম ছোট ভাই
ডিএমসি তে চান্স পাবে,
কিন্তু হলো না...
বৈধভাবে ১৮৪.২৫ স্কোর নিয়ে তার চান্স হলো
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজে ।
এত স্কোর পেয়েও তার জাতীয় মেধা পজিশন ৩২৭তম - বিশ্বাস হচ্ছে না ।
ছোট ভাই ইমরানকে নিয়ে যখন স্ট্যাটাস দিলাম ।
অনেকে কমেন্ট করেছেন কয় লাখ টাকা লেগেছে,
কমেন্টে ছোট ভাই রিপ্লে দিয়েছে
বেশি না ভাই, ৭৫০ টাকা লাগছে ফরম নিতে,
আর ১০ টাকা লেগেছে এ্যাডমিট কার্ড নিতে।
সত্যিকারের মেধাবীদেরকেও আজ নাজেহাল হতে হচ্ছে, গুটি কয়েক কুচক্রী মহলের জন্য।
মেধাবীরা হলো বঞ্ছিত,
মেডিকেল হলো লাঞ্ছিত।
২০০৬ সালে মেডিকেল ভর্তির প্রশ্ন ফাঁস,
আমাদের ব্যাচের করেছিলো সর্বনাশ!
২০১৫ সালে প্রযুক্তির যুগেও
মেডিকেল ভর্তির প্রশ্ন ফাঁস ,
মেধাবী জাতির করলো সর্বনাশ।
প্রশ্ন যদি হবে ফাঁস !
পড়বো কেনো বারো মাস!
এবার শিওর ছিলাম ছোট ভাই
ডিএমসি তে চান্স পাবে,
কিন্তু হলো না...
বৈধভাবে ১৮৪.২৫ স্কোর নিয়ে তার চান্স হলো
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজে ।
এত স্কোর পেয়েও তার জাতীয় মেধা পজিশন ৩২৭তম - বিশ্বাস হচ্ছে না ।
ছোট ভাই ইমরানকে নিয়ে যখন স্ট্যাটাস দিলাম ।
অনেকে কমেন্ট করেছেন কয় লাখ টাকা লেগেছে,
কমেন্টে ছোট ভাই রিপ্লে দিয়েছে
বেশি না ভাই, ৭৫০ টাকা লাগছে ফরম নিতে,
আর ১০ টাকা লেগেছে এ্যাডমিট কার্ড নিতে।
সত্যিকারের মেধাবীদেরকেও আজ নাজেহাল হতে হচ্ছে, গুটি কয়েক কুচক্রী মহলের জন্য।
মেধাবীরা হলো বঞ্ছিত,
মেডিকেল হলো লাঞ্ছিত।
২০০৬ সালে মেডিকেল ভর্তির প্রশ্ন ফাঁস,
আমাদের ব্যাচের করেছিলো সর্বনাশ!
২০১৫ সালে প্রযুক্তির যুগেও
মেডিকেল ভর্তির প্রশ্ন ফাঁস ,
মেধাবী জাতির করলো সর্বনাশ।
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৫
Failure is the Pillar of Medical Science
লেখা - ডাঃ স্বাধীন
অনেকে বলছেন ,যেখানে মেডিকেলের প্রফ পরীক্ষার রিটেন প্রশ্নপত্র ফাঁস হয় ,
সেখানে এডমিশন টেস্ট কোনো ব্যাপার না !
আমি তাদের সাথে সম্পূর্ণ ভিন্নমত পোষণ করছি ,
মেডিকেল শুধু এম.সি.কিউ কিংবা রিটেন দিয়ে শেষ নয় ,
মেডিকেলে পাশ করতে হলে আপনাকে নিয়মিত আইটেম পাশ করতে হবে তাও আবার স্যার - ম্যাডামদের সামনে ভাইভা দিয়ে ।
আইটেম সব ক্লিয়ার হলে আপনাকে মোকাবিলা করতে হবে কার্ড পরীক্ষা-
সেখানে রিটেন - ভাইভা - প্রাক্টিক্যাল তথা OSPE , শর্ট কেইস - লং কেইস সব আলাদা আলাদা পাশ করতে হবে ,
একই নিয়মে কয়েকটি কার্ড পাশ করার পর আপনাকে টার্ম পাশ করতে হবে ,
সব টার্ম পরীক্ষা পাশ করার পর আপনাকে লড়তে হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের
অধীনে অনুষ্ঠিত হওয়া প্রফ পরীক্ষা তথা পেশাগত পরীক্ষা ,
সে পেশাগত পরীক্ষার রিটেন খাতা চলে যাবে ভার্সিটিতে ,
রিটেন শেষ হলে একযোগে শুরু হবে সেন্ট্রাল OSPE পরীক্ষা ,
সে পরীক্ষা এক দলকে রুমে বন্ধী করে আরেকদলের বেল বাজিয়ে ষ্টেশন - টু ষ্টেশন পরীক্ষা শুরু হয় , প্রতিটা ষ্টেশনে বিভিন্ন সিনারিও, এক্স রে ফিল্ম, ই সি জি , ফটোগ্রাফ , ভিসেরা , বোনস, ডাটা , অপারশনের ইন্সট্রুমেন্ট , লেবেলহীন ড্রাগ ও বিভিন্ন প্রসিডিউর থাকে ।
প্রতিটা ষ্টেশন ২-৩ মিনিটে আইডেনটিফাই করে ,
ঐ রিলেটেড উল্লেখিত প্রশ্নের উত্তর দিয়ে উত্তর পত্র ঝুড়িতে রাখতে হয় ,
এভাবে এক দলের প্রতিটা ষ্টেশনের সময় শেষ হলে ,
বন্ধী রাখা পরীক্ষার্থীদের OSPE রুমে প্রবেশ করানো হয় ।
২-৩ টা ষ্টেশন যদি ভুল করে আসে তবে
প্রফ পাশের সব সাধনায় ওখানেই শেষ ।
বিশেষ করে সার্জারী ফার্স্ট পার্টে ষ্টশনের প্রশ্নগুলোর উত্তর অনেক বড় হওয়ায়,
উত্তর লেখার পূর্বেই বেল বেজে উঠে - সময় ফুরিয়ে যায় ।
এই কঠিন সার্কাস শেষ হলে কয়েকদিনপর শুরু হয় ,
মেডিকেলীয় আসল পরীক্ষা ভাইভা- শর্ট কেইস , লং কেইস ।
ভাইভা নিতে আসেন ভার্সিটি থেকে সিলেক্ট করা স্যারেরা
অমুক মেডিকেলের প্রফেসর তমুক মেডিকেলের এক্সটার্নাল হয়ে ভাইভা নিতে আসেন ।
যে সব স্যারকে মেডিকেল পরীক্ষার্থী ভাইভার পূর্বে আগে কখনো দেখে নি
,
এমন আজানা , আচেনা স্যারদের সামনে পরীক্ষা দিতে অনেক নার্ভাসনেস কাজ করে , যতো ভালো প্রিপারেশন থাকুক না কেনো ।
ভাইভাতে এমনো হয় অনেক ভালো ছাত্রেরও থ্রট ব্লক হয়ে যায় ,
সব কিছু জানার পরও অতি নার্ভাসনেসের কারনে নিজের নাম বলতে আটকে যায় ।
অনেকের ভাইভাতে এমনও হয় ,
প্রায় সব প্রশ্নের উত্তর ভালো করে পারে ,
কিন্তু গুটিকয়েকে যা ভালো করে পড়ে নাই
সেগুলোর বিশদ উত্তর জানতে চাই এক্সটার্নাল ।
যদি সেকেন্ডের জন্য
কোনো পরীক্ষার্থীর উপর স্যারের বেড ইমপ্রেশন তথা বদ নজর পড়ে ,
তাহলে কথায় নেই ...
মুহুর্তেই জান কোরবান - নিশ্চিত পরীক্ষায় ফেল ।
যে ছেলেটি ভাইভা বোর্ডে এসে ২- ৩ নাম্বারের জন্য ফেল করে
তার দুঃখের অন্ত নেই ।
যে ছেলেটি ক্লাসের ফার্স্ট হয়েও রিটেন - ভাইভাতে অনেক ভালো নাম্বার পেয়ে পাশ করার পর , যখন শুনে OSPE তে ফেল ।
ছেলেটি অনেক মেধাবী হউক কিংবা ভালো হউক
OSPE তে ফেল করায়
তখন সে পরীক্ষার্থীর রেজাল্ট দাঁড়ায় ফেল ।
ফলাফল - তাকে ৬ মাসের বন্দী কারাঘারে জীবন পার করে
আবার সাপ্লিমেন্টারী পরীক্ষায় বসে ভাইভা- রিটেন- central OSPE শর্ট কেইস - লং কেইস সব পাশ করতে হবে ।
ভাইভা রিটেনে সর্বোচ্চ নাম্বার পেয়ে সেট্রাল OSPE তে ফেল করেছে এমন অনেক নজির মেডিকেলে প্রতিনিয়ত ঘটছে ।
আবার অনেকের ভাগ্যটা এতটাই খারাপ
প্রায় সবকিছু পাশ করেও কেবল শর্ট কেইস কিংবা লং কেইসে ফেল করায়
পুরো রেজাল্ট ফেল চলে আসে ।
পাশ মার্ক ৬০ নাম্বারের চেয়ে ২-৪ কম পাওয়ায় কত ছাত্রের জীবন থেকে
হারিয়ে যাচ্ছে কত মূল্যবান সময় !!
স্কুল কলেজে ফার্স্ট যে কোনোদিন ফেল করে নি ,
সে মেডিকেলে এসে ফেল করবে , এটাই স্বাভাবিক !
মেডিকেলে এসে কোনো না কোনো পরীক্ষায় ফেল করে নি ,
এমন ছাত্রের সংখ্যা অতি নগন্য ।
মেডিকেলে পাশ ফেল কোনো ব্যাপারই না ,
Failure is the Pillar of Medical Science.
এম.বি.বি.এস যত কঠিন হউক না কেনো,
পরীক্ষা দিতে দিতে
একদিন না একদিন এম.বি.বি.এস পাশ হবেই।
সো নিরাশ হবেন না, ডাক্তার একদিন হবেনই ।
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৫
চিকিতসকদ্বয়ের রিপোর্ট নির্ভুল, পেশেন্টের কোনো ব্লাড ক্যান্সার নেই,
প্যাথলজি ল্যাবগুলোর ভুল কিংবা সাংঘর্ষিক রিপোর্টের কারণে অনেক রোগী বাড়তি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন প্রতিনিয়ত,
ভুল রিপোর্টের কারনে একদিকে রোগীর শারীরিক, মানসিক ও আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে।
অন্যদিকে চিকিতসক ও রোগীদের মাঝে ভুল বুঝাবুঝি বাড়ছে ।
এমন এমন কিছু কিছু রিপোর্ট চোখে পড়েছে,
যা দেখে মেজাজটাই নষ্ট হয়ে গেছে,
একটা রোগীর CBC রিপোর্টে
সবকিছু মোটামুটি ঠিক আছে,
কিন্তু Atypical Cell - 20%
আর কমেন্টসে লেখা Suggestive to Leukaemia তথা ব্লাড ক্যান্সার ।
রিপোর্ট অনুযায়ী পেশেন্ট পার্টিকে কাউন্সিলিং করা হলো,
রিপোর্টে আপনার পেশেন্ট এর ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়েছে,
তবে আমি এই রিপোর্টে সন্তুষ্ট না,
সন্দেহ পোষন করছি,
আপনারা অমুক স্যারকে দিয়ে আবার রিপোর্ট করান তখন শিওর হয়ে আপনাদেরকে পরবর্তী চিকিতসা জানাবো,
ঐ স্যার ও আরেকজন সিনিয়র স্যারকে দিয়ে রিপোর্ট করা হলো,
দুই স্যারের রিপোর্টে Atypical Cell তো একটাও পাওয়া যায় নি, এবং leukaemia এর
ফেভারে কোনো কিছু পাওয়া যায় নি।
চিকিতসকদ্বয়ের রিপোর্ট নির্ভুল,
পেশেন্টের কোনো ব্লাড ক্যান্সার নেই,
পূর্বের রিপোর্টটা খামখেয়ালি করে যে ল্যাব ইনচার্জ করিয়েছেন ,
তার কি হবে?
তার খামখেয়ালিরর কারনে কি, একজন সুস্থ মানুষ ক্যান্সার বনে যাবেন!
না,
না,
এটা চলতে দেয়া যায় না,
ঐ সমস্ত ল্যাবগুলোর বিরুদ্ধে এ্যকশনে যাওয়া দরকার,
হয় ভালো প্যাথলজির চিকিতসক দিয়ে রিপোর্ট তৈরী করবে না হয়,
ল্যাব গুটিয়ে পালাবে,
মানুষের জীবন নিয়ে তো চিনিমিনি
খেলতে দেয়া যাবে না।
তাই রোগীর যেকোনো পরীক্ষা নিরিক্ষা করার সময়, রিপোর্টটা যাতে ভাল চিকিতসক দিয়ে করা হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন।
রাস্তাঘাটে নালা- নর্দমার মত ফুটপাতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ল্যাব থেকে ভুলেও কোনোদিন রোগীর পরীক্ষা করাবেন না।
যে সব ল্যাবে ভাল ভাল চিকিতসকগন রিপোর্ট করেন,
সে সব ল্যাব থেকে পরীক্ষা নিরীক্ষা করাবেন।
--- ডাঃ স্বাধীন
ভুল রিপোর্টের কারনে একদিকে রোগীর শারীরিক, মানসিক ও আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে।
অন্যদিকে চিকিতসক ও রোগীদের মাঝে ভুল বুঝাবুঝি বাড়ছে ।
এমন এমন কিছু কিছু রিপোর্ট চোখে পড়েছে,
যা দেখে মেজাজটাই নষ্ট হয়ে গেছে,
একটা রোগীর CBC রিপোর্টে
সবকিছু মোটামুটি ঠিক আছে,
কিন্তু Atypical Cell - 20%
আর কমেন্টসে লেখা Suggestive to Leukaemia তথা ব্লাড ক্যান্সার ।
রিপোর্ট অনুযায়ী পেশেন্ট পার্টিকে কাউন্সিলিং করা হলো,
রিপোর্টে আপনার পেশেন্ট এর ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়েছে,
তবে আমি এই রিপোর্টে সন্তুষ্ট না,
সন্দেহ পোষন করছি,
আপনারা অমুক স্যারকে দিয়ে আবার রিপোর্ট করান তখন শিওর হয়ে আপনাদেরকে পরবর্তী চিকিতসা জানাবো,
ঐ স্যার ও আরেকজন সিনিয়র স্যারকে দিয়ে রিপোর্ট করা হলো,
দুই স্যারের রিপোর্টে Atypical Cell তো একটাও পাওয়া যায় নি, এবং leukaemia এর
ফেভারে কোনো কিছু পাওয়া যায় নি।
চিকিতসকদ্বয়ের রিপোর্ট নির্ভুল,
পেশেন্টের কোনো ব্লাড ক্যান্সার নেই,
পূর্বের রিপোর্টটা খামখেয়ালি করে যে ল্যাব ইনচার্জ করিয়েছেন ,
তার কি হবে?
তার খামখেয়ালিরর কারনে কি, একজন সুস্থ মানুষ ক্যান্সার বনে যাবেন!
না,
না,
এটা চলতে দেয়া যায় না,
ঐ সমস্ত ল্যাবগুলোর বিরুদ্ধে এ্যকশনে যাওয়া দরকার,
হয় ভালো প্যাথলজির চিকিতসক দিয়ে রিপোর্ট তৈরী করবে না হয়,
ল্যাব গুটিয়ে পালাবে,
মানুষের জীবন নিয়ে তো চিনিমিনি
খেলতে দেয়া যাবে না।
তাই রোগীর যেকোনো পরীক্ষা নিরিক্ষা করার সময়, রিপোর্টটা যাতে ভাল চিকিতসক দিয়ে করা হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন।
রাস্তাঘাটে নালা- নর্দমার মত ফুটপাতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ল্যাব থেকে ভুলেও কোনোদিন রোগীর পরীক্ষা করাবেন না।
যে সব ল্যাবে ভাল ভাল চিকিতসকগন রিপোর্ট করেন,
সে সব ল্যাব থেকে পরীক্ষা নিরীক্ষা করাবেন।
--- ডাঃ স্বাধীন
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৫
ভীষন মিস করছি.. কেমিস্ট্রির অধ্যাপক হযরত আলী স্যার কে

১০বছর আগে কেমিস্ট্রির যে স্যার পড়ার জন্য বকা দিয়েছিলো,
সে স্যার আজকে আমাকে বাহবা দিলো ...
টানা ২৪ ঘন্টা নিদ্রাহীন ছিলাম,
কিন্তু নিজেকে একটুও ক্লান্ত মনে হয় নি,
৬০৭ কেবিনে ভর্তি ক্যান্সারের রোগীর প্রেশার রাত ৩টার দিকে কমতে কমতে ৫০/২০ তে চলে আসলছিলো।
এত রাতে কি করি,
ইঞ্জেকশান ডোপামিন নরমাল স্যালাইনের সাথে পাম্প মেশিনে রোগী গায়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম,
তবুও ডা: আনিসুল আউয়াল স্যারকে ফোন দিয়ে শিওর হয়ে নিলাম,
এভাবে চালাবো নাকি এইচডিউতে পাঠাবো
স্যার বললো ৫০০ এম এল নরমাল স্যালাইনের সাথে ২ এ্যাম্পুল ডোপামিন পুশ করে ৩২ ড্রপসে মাইক্রোবুরেট সেট দিয়ে চালু করে, অবজার্ভেশন করে প্রেশার মেপে দেখিও,
স্যারের নির্দেশনা মেনে শুরু করলাম চিকিতসা,
ব্লাড প্রেশার কখনো ৭০/৪০,
কখনো ৮৫/৫০
এভাবে বাড়তে থাকলো,
সকাল ৭ টায় দেখলাম ১০০/৭০,
তখন খুব ভালো লাগলো,
আকরাম স্যারের হাতে ব্লাডের রিকোজিশন
দিয়ে দিলাম,
সকালে এক ব্যাগ রক্ত দেয়ার পর,
রোগীর ব্লাড প্রেশার হলো ১২০/৮০, যা
নরমাল।
নরমাল ব্লাড প্রেশার দেখে এতোটা ভালো লাগলো, স্যারকে খুশিতে বুঝাতে পারছিলাম না।
স্যারকেও খুব খুশি দেখাচ্ছিলো।
যাক ... ঘুমহীন রাতের কষ্টটা স্বার্থক হলো,
যে পেশেন্টির ব্লাড প্রেশার কমতে কমতে শুন্যের কোটায় গিয়ে পেশেন্ট শকে চলে যাচ্ছিলো,
সে পেশেন্টকে সন্ধ্যায় যখন
জিজ্ঞেস করলাম এখন কেমন লাগছে?
তিনি হেসে উত্তর দিলেন
ভালো লাগছে !
তুমি সারাটা রাত না ঘুমিয়ে আমার জন্য যা করেছো,
অন্যদের কে আংগুল দিয়ে দেখিয়ে বলে,
এই ডাক্তার আকরামের ছাত্র ।
সারারাত আমার জন্য ঘুমায় নাই,
রোগীর মুখে হাসি দেখে কি যে আনন্দ লাগলো!
বলে বুঝাতে পারবো না।
রোগী সুলতানা কোরায়েশী সম্পর্কে আমাদের
প্রিয় সিটি কলেজের কেমিস্ট্রির সহকারি অধ্যাপক আকরাম স্যারের শ্বাশুড়ি
ও ডা: আনিসুল আউয়াল স্যারের মামী ।
আকরাম স্যারের সাথে ২৪ ঘন্টায়,
যত দেখা আর কথা হয়েছে
পুরো ২ বছরের ইন্টার লাইফেও হয় নাই ।
স্যার আপনাদের ভীষন মিস করছি...
বিশেষ করে কেমিস্ট্রির অধ্যাপক হযরত আলী স্যার কে, যার লেকচার করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতাম,
যিনি রসায়নকে খুব সহজেই আমাদের ব্রেনে বুনে দিয়েছিলেন, যিনি বর্তমানে সিটি কলেজের উপাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৫
এমবিবিএস ডিগ্রীটা যেন হাতের মোয়া, চাইলেই পাওয়া যায়

রাত ১১টায় ইমার্জেন্সী থেকে কেবিনে একটা পেশেন্ট ভর্তি হয়েছে,
জ্বর ও টিবির হিস্টরি নিয়ে।
একজন প্রফেসরকে অন কল দেয়া হলো, তিনি চেম্বার শেষ করে রোগীকে দেখতে আসবেন বলেছেন,
কিন্তু রোগীর এটেনডেন্ট বার বার ডক্টরস রুমে এসে বলে,
স্যার কতক্ষণে আসবেন,
স্যারকে তাড়াতাড়ি আসতে বলেন,
এটেনডেন্টের ভংগিমা দেখে মনে হলো স্যার যেন উনার কেনা গোলাম!
স্যারের চেম্বারে ফোন দিলাম,
পিয়ন ধরে বললো স্যার রাতের খাবার খাচ্ছে, কিছুক্ষন পরে কল দিয়েন।
এটেন্ডেন্টকে বুঝিয়ে বললাম,
স্যার রাতের খাবার খাচ্ছে কিছুক্ষন পর কথা বলে জানাবো।
৫ মিনিট পর এটেনডেন্ট আবার রুমে এসে বলে
উনি কি আসতেছেন?
নাকি অন্য কাউকে অন কল দিবেন,
আমি বললাম উনি প্রফেসর মানুষ,
আসবেন বলেছেন একটু ধৈর্য্য ধরেন।
উনার ৩ টা পেশেন্ট বাকি আছে,
ঐগুলো শেষ করেই আসবেন।
কিছুক্ষন পর আবারো ডক্টরস রুমে ঢুকেই বলে
উনি খাবার খেয়ে ২০ টা মিনিট আমার রোগীটা দেখে গেলে তো হয়।
চেম্বারের রোগীগুলো পরে দেখলে কি হয় !
আমি বললাম,
আপনি আপনারটা বললেন,
যে তিনটা রোগী সপ্তাহ খানেক আগে সিরিয়াল নিয়ে সন্ধ্যা থেকে স্যারের
চেম্বারের সামনে অপেক্ষা করছেন ওনাদের কথা কি ভেবে দেখেছেন?
এর মাঝে হুট করে বলে উঠে
ব্যবসা না করে
এমবিবিএস ডিগ্রী লাগিয়ে গ্রামে চেম্বার করলেই পারতাম!
এ কথা বলে চলে গেলো,
উনার কথার স্টাইল এমন ছিলো,
এমবিবিএস ডিগ্রীটা যেন হাতের মোয়া, চাইলেই পাওয়া যায়!
একটু পর আবার রুমে আসলো,
উনাকে একটু বসতে বললাম,
কিছু ঝাড়িও দিয়ে দিলাম,
আপনি ভাবছেন,
টাকা দিয়ে সব হয় !
এ ধারণা ভুল ....
ডাক্তারী ডিগ্রী এবং পেশা টাকা দিয়ে হয় না, এটা যোগ্যতা দিয়ে অর্জন করতে হয় !
যে স্যারের উপর আপনি রাগপোষন করে মূর্খের মত কথা বলেছেন,
জানেন কি!
উনি যদি ওনার মেধাকে ডাক্তারী পেশায় না দিয়ে অর্থের পিছনে ছুটতেন, এ বয়সে উনার দেশ বিদেশে মিনিমাম ২ - ৪ টা বাড়ি গাড়ি থাকতো !
হুম ...
আচ্ছা আপনি বলেন তো,
ডাক্তার কারা হয়!
চুপ,
নিশ্চয়ই ক্লাসের প্রথম সারির মেধাবীরাই!
হুম ...
নিশ্চয় সচিবদের চেয়ে প্রফেসরেরা মেধাবী!
হুম!
ডাক্তারেরা রাত বিরাত আরামের ঘুম হারাম করে রোগীর সেবা করে,
ঠিক তো ...
হুম ..
তাহলে কার সম্মান ও সম্মানী বেশি হওয়া উচিত!
নিশ্চয়ই ডাক্তারের!
হুম ...
আসলে আপনারা শক্তের ভক্ত নরমের যম থিওরী পছন্দ করেন !
আপনারা অফিস আদালতে গোপনে বামহাতে লাগিজভর্তি টাকা দিতে দ্বিধা করেন না,
কিন্তু ডাক্তারদের সামান্য সম্মানী নিয়ে টালবাহনা শুরু করেন,
সম্মানী নিলে কেউ বলেন
কসাই ,
কেউ বলেন ডাকাইত!
আমাদের স্যারেরা মেধাটাকে মানবসেবায় নিয়োজিত করেছেন,
এটাই কি উনাদের অপরাধ!
অভাগা জাতি আমরা,
মেধাবীদের
না দিই সম্মান
না দিই সম্মানী!
লেখা- ডাঃ স্বাধীন
শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৫
মানুষ গড়ার কারিগর প্রফেসর হারুন স্যার আর আমাদের মাঝে নেই ।

প্রিয় প্রফেসর হারুন উর রশিদ স্যার
আপনাকে হারনোর বেদনা আমরা কখনো ভুলতে পারবো না,
আজ জাতি একজন অভিভাবককে হারালো।
একজন মানুষ গড়ার কারিগরকে হারালো।
মানুষের মন জয় করার মহত পেশা শিক্ষকতা,
সেই মহত পেশাকে ধারন করে যিনি
জয় করে নিয়েছেন লাখো কোটি মানুষের হৃদয়।
উনার শিষ্যরা আজ সারা বিশ্বে জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছেন।
চট্টগাম কলেজ, মহসীন কলেজ, মহিলা কলেজ, রাংগামাটি কলেজ,
আমার প্রিয় স্কুল সি আর এস সি সহ
অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এই মহান শিক্ষক !
শুক্রবার সকালের ডিউটিতে এসে জুমার নামাজ পড়ে এসে সি এস সি আর এর নীচে দেখা হলো প্রফেসর ডা: এম.এ. ফয়েজ স্যারের সাথে।
আর রাতে ডিউটিতে এসে শুনি
ফয়েজ স্যারের বড় ভাই অধ্যক্ষ হারুন উর রশিদ স্যার আই সি ইউ তে ভর্তি ।
এ কথা শুনে মন খুব খারাপ হয়ে গেলো ,
যে স্যারকে দেখেছি খুব কাছ থেকে, যিনি অবসরের পর ৫ বছর আমাদের প্রিয় স্কুলে প্রিন্সিপ্যাল ছিলেন,
সে প্রিন্সিপ্যাল স্যার আই সি ইউ তে!
আজ দুপুরে দেখে আসলাম স্যারের নিথর দেহ,
স্কুলে আমি ক্লাস ক্যাপ্টেন থাকাকালীন বিভিন্ন কাজে স্যারের সাথে প্রায় দেখা হতো , ১০-১২ বছর আগের সুঠাম দেহ যেমনটি দেখেছিলাম
তেমনটিই আছে
নেই শুধু রুহ ।
আমরা সকলেই উনার আত্নার মাগফেরাত কামনা করছি,
শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি ।
প্যারেড মাঠসহ বেশ কয়েক জায়গায় জানাযা অনুষ্টিত হবে,
স্যারের জানাযার সময় সূচি টিভি- চ্যানেলে জানানো হবে।
উনি রেখে গেছেন অসংখ্য জ্ঞানী গুনী আত্নীয় স্বজন।
উনার ছোট ভাই চিকিতসা বিজ্ঞানী প্রফেসর ডা: এম.এ. ফয়েজ ।
মানবসেবায় যার অবদান অতুলনীয়।
যিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন ফ্যাকাল্টির ডীন , স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক , ঢাকা মেডিকেল ও স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
ডা: রেহেনুমা ম্যাম ও উনার সুযোগ্য কন্যা ।
কর্মে, কৃতিত্বে , সাফল্যে হারুন স্যার আমাদের মাঝে চিরভাস্বর হয়ে থাকবেন।
সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৫
সকল কোম্পানীর ঔষধের মূল্যসহ বিস্তারিত তথ্য জানতে QIMP-17 বই পিডিএফ ডাউনলোড করুন
বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০১৫
সাদা বিপ্লব চলছে , চলবে ......
মেডিকেলের ইতিহাসে এমন সফল আন্দোলন পূর্বে কখনো দেখি নাই ।
মেডিকেলের শিক্ষার্থীরা রোদ বৃষ্টি ঝড় সব বৈরীতা,
উপেক্ষা করে সাদা বিপ্লবের মাধ্যমে
এম বি বি এস কোর্সে ক্যারি অন সিস্টেম ফেরত এনেছে ।
মেডিকেল ব্যবসায়ীদের ১২টা বাজিয়েছে ।
এ নায্য দাবি আদায় করতে কেবল শহীদ মিনার নয় ,
শেষ পর্যন্ত বিএমডিসি অফিস অবরুদ্ধ করতে হয়েছে ।
ক্যারি অন আন্দোলনের পিছনে সিনিয়র - জুনিয়র - শিক্ষক
সকলের যৌক্তিক সমর্থন ছিলো ।
কেবল মাত্র যারা মেডিকেল শিক্ষার্থীদের জীবন নিয়ে চিনিমিনি খেলে
কোটি কোটি টাকার ব্যবসা করতে চায়, তাদের সমর্থন ছিলো না ।
মেডিকেল সমাজের সকলের অংশগ্রহনে
#অদূর ভবিষ্যতে যা যা সফলতা কামনা করি,
1# HMO নামক অনাহারী প্রথা নির্মূলকরণ।
2# ইন্টার্ন ডাক্তারদের বেতন ভাতা বৃদ্ধিকরণ।
3# চিকিতসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।
4# হলুদ সাংবাদিকতাকে নিষিদ্ধকরণ।
সাদা বিপ্লব চলছে , চলবে ......
চিকিতসক সমাজের সমস্ত দাবি-দাওয়া আদায় হবেই হবে ।।
----- ডাঃ স্বাধীন
রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০১৫
মেডিকেলের গুরত্বপূর্ণ বইসমূহ ডাউনলোড করুন, বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করুন
মেডিকেলের গুরত্বপূর্ণ বইসমূহ ডাউনলোড করুন, বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করুন ।
গ্রেস এনাটমি থেকে শুরু করে বেইলী'স লাভ ।
পর্যায়ক্রমে সব বইয়ের পিডিএফ ফরম্যাট আপলোড করা হবে ।
নতুন নতুন এডিশন আপডেট করা হবে,
ডাউনলোড করতে সমস্যা হলে জানাবেন ।
কৃতজ্ঞতায় ---
ডাঃ স্বাধীন
email: DoctorShadhin@gmail.com
ডাউনলোড করতে ছবি কিংবা লেখার উপর ক্লিক করুন ।
Download from Google Drive
নতুন নতুন এডিশন আপডেট করা হবে,
ডাউনলোড করতে সমস্যা হলে জানাবেন ।
কৃতজ্ঞতায় ---
ডাঃ স্বাধীন
email: DoctorShadhin@gmail.com
শুরুতেই বাংলাদেশের মেডিকেল সায়েন্সের গুরু ও বি এস এম এম ইউ এর
মেডিসিন অনুষদের ডীন প্রফেসর ডাঃ এ বি এম আব্দুল্লাহ স্যারের বই ।
মেডিসিন অনুষদের ডীন প্রফেসর ডাঃ এ বি এম আব্দুল্লাহ স্যারের বই ।
ডাউনলোড করতে ছবি কিংবা লেখার উপর ক্লিক করুন ।
DownLoad
Short Cases in Clinical Medicine
Download from Google Drive

























