প্রতিবেদন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
প্রতিবেদন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ২১ আগস্ট, ২০১৬

ভূয়া ডাক্তার সনাক্ত করবেন যেভাবে ?

ভূয়া ডাক্তার সনাক্ত করবেন যেভাবে ?


৪০ দিনের কোর্স করে কিংবা
পল্লী চিকিৎসক 😎 হয়ে কিভাবে
নামের পূর্বে ডাক্তার লিখে ?
মাথায় আসে না ! 😭
মেডিকেলে শত শত ছাত্র 
শত শত পরীক্ষা দিয়ে,
৫- ৬ বছর হাতেকলমে পড়াশুনা করেও
এম.বি.বি.এস কিংবা বি.ডি.এস পাশ না করে ডাক্তার লিখার সাহস পায় না ।
এম.বি.বি.এস কিংবা বি.ডি.এস
পাশ ছাড়া বাংলাদেশের কেউ নামের পূর্বে ডাক্তার লিখলে
জরিমানার বিধান আছে?
তাই, কোনো সন্দেহ হলে
বি এম ডি সি এর ওয়েব সাইটে গিয়ে
http://bmdc.org.bd/doctors-info/
ডাক্তারের রেজিস্ট্রেশন নং দিয়ে সার্চ দিন?
উনি বাংলাদেশের রেজিস্টার্ড ডাক্তার কি না দেখে নিন।
সকল ডাক্তারদের ভিজিটিং কার্ড ও
প্রেসক্রিপশন পত্রে রেজিষ্ট্রেশন নং
উল্লেখ থাকলে ভূয়া ডাক্তার
সনাক্তকরণ সহজ হবে।


Now available Reg No. for Medical 1-75700 and Dental 1-6800 only.N.B.: Any mistake/ error for correction please send scan copy of BM&DC Registration Certificate by email us using: info@bmdc.org.bd /admin@bmdc.org.bd

মঙ্গলবার, ৫ জানুয়ারি, ২০১৬

হয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে আলাদা করুন নয়তো সচিবালয়কে উন্মুক্ত করে দিন .।

হয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে আলাদা করুন নয়তো সচিবালয়কে উন্মুক্ত করে দিন .।


কয়েক বছর আগে পত্রিকায় দেখলাম ডি.সি. পোস্টের জন্য বাছাই পরীক্ষায় ইংরেজী চিঠি ড্রাফট করতে গিয়ে ৩২ জনের মধ্যে মাত্র দুজন কাজটি সঠিকভাবে করতে পেরেছিলেন। শতকরা হিসেবে ৬% মাত্র।
এখন চিন্তা করুন আমাদের সচিবালয়ের কি করুন দশা। এটা হয়তো আসল চিত্র না, তারপরও আসল চিত্রটা কতটুকু আর উন্নতর হবে?
প্রশাসনিক ক্যাডারের এ সব কর্মকর্তারা অন্য সব ক্যাডারের উপর ছড়ি ঘুরাবেন কোন যুক্তিতে? ফেলটুরা সচিবালয়ে প্রবেশাধিকার পেলে পেশাজীবিদের জন্য সচিবালয়ের পথ বন্ধ থাকবে কেন?
আমরা তো মনে করি সচিবালয়ে যোগদানের বিষয়টা উন্মুক্ত ও নিরপেক্ষ প্রতিযোগীতার মাধ্যমে হওয়া উচিত।দেশ গড়ার সুতিকাগারের দায়িত্বটা মেধাবীদেরই হাতে থাকা উচিত, তা যে প্রফেশন থেকেই আসুন না কেন?
প্রশাসনিক ক্যাডারের একজন কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত হন তারপর নানান স্তর পেরিয়ে সচিবালয়ে প্রবেশ করেন। এ গতিপথে এমন কি গায়েবী জ্ঞান অর্জন করে ফেলেন যে, তিনি একাধারে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, প্রকৌশল, কৃষি, পানি সম্পদ ইত্যাদি টেকনিকেল মন্ত্রনালয় সমুহের প্রায়োগিক ও অবকাঠামোগত বিশেষজ্ঞ হয়ে তার ৮/১০ ব্যাচ সিনিয়র পেশাজীবিদের উপর ছড়ি ঘুরানোর ক্ষমতালব্ব্দ হন। এটা নিতান্তই হাস্যকর ও ডগমেটিক একটা ব্যাপার নয় কি?
পেশাজীবি ক্যাডাররা প্রশাসনিক ক্যাডারের জুনিয়র ব্যাচের একজনকে কেন স্যার সম্বোধন করবেন?
এর জবাব কি রাষ্ট্রের কাছে আছে? এ সব প্রশাসনিক এনারকি গুলোর সংষ্কার অতীব জরুরী।
সাবেক মন্ত্রীপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার স্বীকার করে বলেছেন, ‘প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী পদে চাকরির জন্য পৃথিবীর কোথাও এক্সট্রাঅডিনারি মেধাবীরা ভীড় জমান না। ট্যালেনটেড যারা তারা আবিষ্কার করেন নতুন কিছু সৃষ্টি করেন। দ্বিতীয় ও তৃতীয় সারির মেধাবীরা সেসব প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে জীবন পার করে দেন’।
স্বাধীনতার পর দেশে জনবল সংকট ছিল তখন বিশেষ পরিস্থিতিতে তা গ্রহনযোগ্য ছিল, এখন সে প্রেক্ষাপট বদলে গেছে, ডিজিটাল যুগেও সে প্রথা কেন রয়ে যাবে?
সার্ক দেশ সমুহের মধ্যে কোথায় এ সিস্টেম আছে?
আমরা বলছি না, সচিবালয়ে মেধাবীরা নেই, দেশের নামকরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পরীক্ষায় ভাল রেজাল্টধারী অনেকেই সেখানে আছেন।কিন্তু তাদের অাধিপত্য কি খুব বেশী আছে। আমরা ঢালাওভাবে একটি বিশেষ ক্যাডারের অনৈতিক আধিপত্যের অবসান ঘটিয়ে দেশের নীতি নির্ধারনী ফোরামে সকল মেধাবীদের সুযোগ দেয়ার কথা বলছি।স্বাধীনতার ৪৫ বছর পর প্রশাসনের মূল কেন্দ্রে ২য় বা তৃতীয় শ্রেণীর কর্মকর্তাদের অাধিপত্য কেন থাকবে?
চিকিৎসকদের অনেক সমালোচনা সত্বেও তাদের অনেক অর্জন আছে দেশ ও জাতির জন্য।আমলাদের অর্জনটা কি? বিশ্বে বাংলাদেশ সচিবালয়ের গ্রেডিং কত?
দুর্নীতির চ্যাম্পিয়নশীপের দায়ভার কেবল রাজনৈতিক নেতাদের মাথায় থাকবে কেন? দুর্নীতির অভিযোগের সর্বাগ্রে দায় দায়িত্ব নেয়ার কথা ‘পলিসি মেকার’ আমলাদের। কারন রাজনৈতিক দল আসা-যাওয়ার মধ্যেই থাকে, সচিবালয় স্থায়ী। কিন্তু বরাবরই এ সব ব্যর্থতা সুচতুর সচিবরা রাজনৈতিক দলের ঘাড়ে চালান করে পার পেয়ে যান।
সাবেক সচিব আকবর আলী খানের ভাষায় আমাদের আমলাতন্ত্র বৃটিশদের রেখে যাওয়া এক প্রশাসনিক isomorphism. বাইরে ফিটফাট ভেতরে বেশ রুগ্ন ও দুর্বল। তাদের কাজ কর্ম অনেকটা প্রাণীদেহের molecular mimacry টাইপ। বিষহীন সর্প যেমন গায়ের রঙ পরিবর্তন করে শিকারীকে ভয় দেখায়।
রাজনৈতিক দল গুলো যতই প্রতিশ্রুতি দিক না কেন সচিবালয়ের সংষ্কার ও গনমুখী প্রশাসন ছাড়া কর্মসূচীর সুফল পাবে না জনগন। এ সংষ্কার অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল। কোঠারী স্বার্থবাদীদের উৎপাটন না করে সৎ ও দক্ষ প্রশাসন গড়া সম্ভব না।
অযোগ্য ও অসৎ কর্মকর্তাদের বাদ দিয়ে প্রতিযোগীতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রশাসনে সব পেশার মেধাবীদের প্রবেশের সুযোগ দেয়া প্রয়োজন। এটা সময়ের দাবী।
একটা কথা প্রচার সুকৌশলে করা হয় যে, ডাক্তাররা প্রশাসন বুঝেন না।মনে হয় এরা দেশের ‘অটিস্টিক শিশু’।
কিন্তু প্রশ্ন হলো ডাক্তারদের কি ইউ.এন.ও বা ডি.সি ‘র সমান ক্ষমতা দেয়া হয়েছে? হাত পা বেধে কি প্রশাসক হওয়া যায়? এ ব্যবস্থায় একজন চিকিৎসক সমন্বয়কারীর ভূমিকায় রাখতে পারে মাত্র। যা চিকিৎসকরা যোগ্যতার সাথেই করছে।
সচিবালয়ের দার উন্মুক্ত করুন দেশের শয়ে শয়ে মেধাবী ডাক্তার তৈরী আছে। তখন দেখা যাবে চিকিৎসকরা প্রশাসন বুঝেন কিনা। প্রশাসনিক নির্বাহী হওয়ার হাতছানি ছাড়া একজন চিকিৎসক নিজেকে সেভাবে গড়তে যাবেন কেন।
সচিবালয় যদি উন্মুক্ত না করতে পারেন তাহলে চিকিৎসকদের এ মুহুর্তের দাবী স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়কে আলাদা করে তার জন্য আলাদা বেতন কাঠামো ও বিধি প্রণয়নের সুযোগ দেয়া হোক।
বিশ্বের অনেক দেশেই এটা করে সুফল পাওয়া গেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহ বিশ্বের অনেকগুলো দেশেই চিকিৎসকরাই উচ্চ বেতনধারী পেশাজীবির মর্যাদাপ্রাপ্ত। বেসরকারী মেডিকেলের কিছু অব্যবস্থাপনা সত্বেও এখনও পর্যন্ত গড়পড়তা হিসেবে দেশের বেশীর ভাগ মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীর সমাবেশ এ পেশাতেই।
পোষ্ট না থাকা সত্বেও শয়ে শয়ে অতিরিক্ত সচিব, যুগ্ম সচিব পদোন্নতি নিয়ে জনগনের টাকার শ্রাদ্ধ করতে পারেন আর স্বাস্থ্য ক্যাডারের একজন মেধাবী চিকিৎসক সারা জীবন গ্রামে থেকে মেডিকেল অফিসার হিসেবে অবসরে যাবেন এই অসম কৌতুককর অবস্থার কখন অবসান ঘটবে?
কেন চিকিৎসকরা পরিশ্রমের মর্যাদা পাবেন না? তাদের পোস্টিং দেবেন কিন্তু অফিস দেবেন না, অফিস থাকলে ও আসবাব নেই, আবাসিক ব্যবস্থা নেই, গাড়ী নেই, প্রমোশন নেই, ২৪ ঘন্টা শ্রম ঘন্টার বেতন নেই……. নেই তো নেই তা নিয়ে চিকিৎসকদের খেদোক্তি নেই। তারপরও যদি থাকত যথার্থ মর্যাদা আর নিরাপদ কাজের পরিবেশ।
এতটুকু প্রত্যাশা দেশের মেধাবী সন্তান হিসেবে নিশ্চয় বেশী না। কাজের ধরন ও পরিবেশ বিবেচনায় চিকিৎসকরা অন্য পেশার প্রতিদ্বন্ধী অবশ্যই না, এবং সে রকম তারা মনেও করে না।তারপরও তারা বৈষম্যের শিকার কেন হবে? রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় কেন অবহেলিত থাকবে।
এ সব সমস্যা নিরসনে পেশাজীবিদের মোর্চাও তেমন সক্রিয় না।আমাদের পেশাজীবি মোর্চাগুলো পেশার চেয়েও রাজনৈতিক সংযোগ রক্ষায় অধিক মনোযোগী বিধায় দাবী আদায়ে আকাংখিত ফলাফল পান না।
এখন সময় এসেছে ঐক্যবদ্ধভাবে কার্যকর ও যৌক্তিক আন্দোলন গড়ে তোলার।#

লেখা -  ডাঃ রেজাউল করিম 


সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৫

তরুণ চিকিৎসকদের প্রতি চারজনের একজন বিষণ্নতায় ভোগেন...

তরুণ চিকিৎসকদের প্রতি চারজনের একজন বিষণ্নতায় ভোগেন...


অসংখ্য মানুষ বেড়ে ওঠেন ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে। কিন্তু দুঃস্বপ্নের তথ্যটি হলো, চিকিৎসকদের প্রতি চারজনের একজন ক্যারিয়ারের প্রথম দিকে বিষণ্নতায় ভোগেন। নতুন এক গবেষণায় বলা হয়েছে, সদ্য চিকিৎসক হয়েছেন এমন মানুষদের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য। সাধারণত চিকিৎসক হওয়ার আগের বিস্তর পড়াশোনা ও ট্রেনিংয়ের চাপে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়।

আমেরিকার 'জেএএমএ' জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণাপত্রে বলা হয়, ১৭ হাজার ৫০০ জন চিকিৎসকের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। এ ছাড়া গোটা বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে বিগত ৫০ বছরের তথ্য নেওয়া হয়েছে। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের গবেষকরা জানান, চিকিৎসকদের ২৮.৮ শতাংশ ক্যারিয়ারের প্রথম দিকে বিষণ্নতায় আক্রান্ত থাকেন।

গবেষকদের সমন্বয়কারী হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের ক্লিনিক্যাল ফেলো ডগলাস মাটা বলেন, আশঙ্কার বিষয় হলো, সাধারণ মানুষের মধ্যে বিষণ্নতার হার যতটা, তার চেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে চিকিৎসকদের মধ্যে।

শুধু তাই নয়, বিগত পাঁচ বছরে তরুণ ডাক্তারদের মাঝে বিষণ্নতা বৃদ্ধির হার বেড়েই চলেছে। এ হার এখন পর্যন্ত সামান্য হলেও তা দুশ্চিন্তার বিষয় বলে মনে করেন ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের এপিডেমিয়োলজিস্ট শ্রিজান সেন।

তিনি বলেন, রোগীদের চিকিৎসাকালে ডাক্তারদের বিষণ্নতা রোগীদের মাঝেও ছড়িয়ে যায়। তাই প্রত্যেক ডাক্তারের বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। তা ছাড়া গ্র্যাজুয়েট ডাক্তারদের মানসিক অবস্থার উন্নতিতে প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা থাকতে হবে।

মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল, ২০১৪

সেবাও করবো আমি , মারও খাবো আমি  । এমন মগের মুল্লুক আর চলতে পারে না ।

সেবাও করবো আমি , মারও খাবো আমি । এমন মগের মুল্লুক আর চলতে পারে না ।

সেবাও করবো আমি , মারও খাবো আমি  ।
এমন মগের মুল্লুক আর চলতে পারে না ।
... সাংবাদিকদের  ডিকশনারীতে কি ?
 সুচিকিতসা নামে কোনো শব্দ নেই ।


আজ পর্যন্ত ডাক্তারের সুচিকিতসার জন্য,
 বেচে গেলেন অমুক -তমুক ।।
এমন  শিরোনাম তো কখনো দেখি না ।

শুধু দেখি ভুল চিকিতসায় রোগীর মৃত্যুর শিরোনাম ।

ছোট -বড় , মূর্খ -জ্ঞানী সবাই জানি ,
জন্ম - মৃত্যুর মালিক এক আল্লাহ  ।

মৃত্যুর জন্য  অমুক দায়ী , তমুক  দায়ী  ।
অন্ধের মত এসব বলা বন্ধ করুন ।

ডাক্তার  তাঁর  সর্বোচ্চ মেধা - প্রজ্ঞা  ও
দায়িত্বশীলতা দিয়ে  রোগীর সেবা করে  ।
যার দরুন , গত বছর সরকারি হাসপাতালে
সেবা নিয়েছেন ১৩ কোটি ৪৫ লাখ মানুষ ।

সেবার মনমানসিকতা আছে বলেই ,
কোটি কোটি মানুষ অতি সহজে ডাক্তারদের সাহায্য পাচ্ছেন ।

না জেনে না বুঝে ডাক্তারদের  বিরুদ্ধে লিখবেন না ।

সাংবাদিক ভাই,
আপনি যদি অসুস্থ হন,
আপনি কি পত্রিকার  কাছে সাহায্য চান ,
নাকি ডাক্তারের কাছে সাহায্য চান ।
অবশ্যই , ডাক্তারের কাছে ।

অপ্রিয় সত্য ,
ডাক্তারদের প্রতি শত এলার্জি থাকলেও,
আপনারা এলার্জির ট্রিটমেন্টের জন্য ডাক্তারের কাছেই দৌড়ান ।
ডাক্তারদের প্রতি লুকায়িত আস্থা  আপনাদেরও আছে  ।

স্যালুট দিন বাংলাদেশের ডাক্তারদের ,
যারা  সারাটা জীবন অক্লান্ত পরিশ্রম করে,
রোগীর মুখে হাসি ফুটানোর জন্য  ।

আর সেই মহৎ পেশার লোককে,
কিভাবে নেশার লোক দিয়ে খতম করার চেষ্টা করা হয় !
এত লাঞ্ছনার পরেও  শিরোনাম ভুল চিকিতসা ।

ডাক্তারদের জন্য যতদিন পর্যন্ত ,
নিরাপত্তা আইন কার্যকর না হয় ,
ততদিন পর্যন্ত  সেবা কার্যক্রম বন্ধ রাখা উচিত ।।

সেবা করবোও আমি , মারও খাবো আমি  ।
এমন মগের মুল্লুক আর চলতে পারে না ।

ডাঃ স্বাধীন         ফেসবুকে আমি