খবর লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
খবর লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

রোগীকে মেঝেতে খাবার দিলো,  ভারতের একটি হাসপাতাল!

রোগীকে মেঝেতে খাবার দিলো, ভারতের একটি হাসপাতাল!

চূড়ান্ত অমানবিকতার পরিচয় দিল রাঁচির একটি সরকারি হাসপাতাল। খাবার থালা না থাকায় রোগীকে মেঝেতে খেতে দিল হাসপাতাল। বাধ্য হয়েই মেঝে থেকে ভাত-ডাল তুলে খেতে হল পালমতীদেবীকে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের  রাঁচি ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সে
বুধবার এই ঘটনার ছবি ভারতের  একটি দৈনিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই তা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। হাসপাতালের যে কর্মী এই কাজ করেছিলেন তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সঙ্গে রোগীদের জন্য নতুন থালারও ব্যবস্থা করা হয়েছে।

হাতে চোট নিয়ে সম্প্রতি এই হাসপাতালের মহিলা বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন পালমতীদেবী। তাঁর কাছে কোনও খাবার থালা ছিল না। ওই দিন দুপুরে সমস্ত রোগীকে খাবার দিতে আসেন হাসপাতালেরই এক কর্মী। পালমতীদেবী খাবার জন্য একটি থালা চান। ওই কর্মী তাঁকে জানান, কোনও থালা নেই। খেতে হলে মেঝে থেকেই খেতে হবে। এই বলে তিনি পালমতীদেবীর বরাদ্দ খাবারের পুরোটাই মেঝেয় ঢেলে দেন। তার আগে পালমতীদেবীকে দিয়েই জায়গাটা পরিষ্কারও করান তিনি। মেঝে থেকে খাবার খাওয়ার সেই ছবি একটি সংবাদ মাধ্যমের হাতে চলে আসে। তার পরেই বিষয়টি নিয়ে হইচই শুরু হয়ে যায়। প্রতি বছর রোগী পরিষেবার জন্য ওই হাসপাতাল ৩০০ কোটি টাকা অনুমোদন পায়। তা সত্ত্বেও এক জন রোগীকে মেঝে থেকে ভাত তুলে খেতে হবে কেন? সে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অবশ্য ঘটনার কথা মেনে নিয়েছেন। অভিযুক্ত কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নিয়েছেন তাঁরা। আর যাতে এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে না হয় সে দিকে নজর রাখা হবে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।

রবিবার, ৩১ জুলাই, ২০১৬

ইন্টার্ন-চিকিৎসকদের-ভাতা-বেড়েছে...

ইন্টার্ন-চিকিৎসকদের-ভাতা-বেড়েছে...


সরকারি মেডিকেল কলেজের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাতা ১০ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলান রোববার বিকেল ৪টায় এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেন। 

তিনি বলেন, আজ (রোববার) এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য সচিব সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম।  

তবে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাতা ১০ হাজার থেকে দ্বিগুণ অর্থাৎ ২০ হাজার টাকা করার দাবি জানিয়েছিল বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ)। 

ডা. আর্সলান নিজের ফেসবুকে দেয়া এক স্ট্যাটাসে বলেন, ‘সরকারকে ধন্যবাদ তারা আমাদের আবেদনে সাড়া দিয়ে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাতা বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। তবে আমরা আশাহত হয়েছি আমাদের ইস্পিত পারিতোষিক না পাবার জন্য। আমরা জোর দাবি জানাচ্ছি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জরুরি ভিত্তিতে আমাদের কাঙ্ক্ষিত অবশিষ্টাংশ প্রাপ্তির জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। ইকবাল আর্সলান, মহাসচিব বিএমএ, সভাপতি স্বাচিপ।’

উল্লেখ্য, বর্তমানে সারাদেশের সরকারি মেডিকেল কলেজে সাড়ে তিন হাজার ইন্টার্ন চিকিৎসক রয়েছেন...



Source - JagoNews
http://www.jagonews24.com/health/news/117383/%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A8-%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A7%8E%E0%A6%B8%E0%A6%95%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A7%9C%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87

শুক্রবার, ২৪ জুন, ২০১৬

সড়ক দুর্ঘটনা কেড়ে নিলো,  ২ চিকিৎসকের প্রাণ

সড়ক দুর্ঘটনা কেড়ে নিলো, ২ চিকিৎসকের প্রাণ

নরসিংদীর শিবপুরে ট্রাক-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে দুই চিকিৎসকসহ ৩ জন নিহত ও ৫ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৪ জুন) সকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শিবপুর উপজেলার কুন্দারপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। 
নিহতরা হলেন- জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটের চিকিৎসক স্মৃতি কণা (৩৫), ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন ও হৃদরোগ চিকিৎসক মো. কলিমুল্লাহ (৫০) ও এরিস্টো ফার্মার মাইক্রোবাস চালক মনির (৩৫)।
আহত ৫ জনকে প্রথমে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে ও পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এরা হলেন- নেত্রকোনার চিকিৎসক বিজন চন্দ্র সাহা (৪০), তার মা অনিমা সাহা (৫৫) ও গৃহকর্মী লাকী বেগম (১৮), জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটের চিকিৎসক তানভীর আহমেদ (৩৫) এবং কিশোরগঞ্জের চিকিৎসক মোস্তাফিজুর রহমান (৩২)। চিকিৎসকরা প্রাইভেট চেম্বার করতে মাইক্রোবাসে করে ভৈরবে যাচ্ছিলেন বলে জানা গেছে।
ইটাখোলা হাইওয়ে ফাঁড়ি পুলিশ জানায়, ৫ জন চিকিৎসক ও তাদের দুই স্বজনকে নিয়ে এরিস্টো ফার্মার একটি মাইক্রোবাসে (হাইয়েস) ঢাকা থেকে ভৈরব যাচ্ছিলেন। মাইক্রোবাসটি মহাসড়কের কুন্দারপাড়ায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা পাথরবাহী ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে মুচড়ে গিয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান ঢামেকের চিকিৎসক মো. কলিমুল্লাহ (৫০) ও মাইক্রোবাসের চালক মনির হোসেন (৩৫)।
খবর পেয়ে ফায়ার সাভির্সের উদ্ধারকারী দল ও পুলিশ ৬ জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটের চিকিৎসক স্মৃতি কণা (৩৫)। পরে তিন চিকিৎসকসহ আহত ৫ জনকে ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়।
ইটাখোলা হাইওয়ে পুলিশের উপ-পরিদর্শক মো: মিজানুর রহমান দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

শনিবার, ২ জানুয়ারি, ২০১৬

কবে হবে সন্ত্রাস নির্মূল! কবে হবে চিকিৎসকদের  জন্য নিরাপদ কর্মস্থল ?

কবে হবে সন্ত্রাস নির্মূল! কবে হবে চিকিৎসকদের জন্য নিরাপদ কর্মস্থল ?


বর্তমান বাংলাদেশে সবচেয়ে অনিরাপদ ও ঝুঁকিপূর্ণ পেশার নাম কি জানেন?
ডাক্তারী পেশা!!
প্রতিদিন যে হারে সন্ত্রাসীদের দ্বারা চিকিৎসকেরা আহত,  নিহত হচ্ছেন!
পরিসংখ্যান তাই বলে।
গতকাল ডা: তপু কে কিডন্যাপ করা হলো,

এর আগে ডা: মুরাদ ভাইকে ঠান্ডা মাথায় খুন করা হলো,
ডা: শামস ভাইকে মারাত্নক জখম করে জীবন সংকটাপন্ন করা হলো,
 ডা: সাজিয়া আপু খুন করা হলো!
আর কত!! "

চিকিৎসকেরা জীবনের সমস্ত মেধা,  শ্রম  ও সময় সব উজাড় করে মানুষের তরে , অকাতরে নিজেদের বিলিয়ে দিয়ে যাচ্ছেন,
তারই ফল কি ?
এমন নিত্য নৈমিত্তিক লোমহর্ষক ঘটনা!!

 এভাবে চলতে থাকলে,
মনে হয় অদূর ভবিষ্যতে ডাক্তারী পেশা যাদুঘরে চলে যাবে।

কিংবা কেউ ডাক্তারী পাশ করেও
পেশায় কর্মরত থাকবেন না,
হয়তো ডাক্তার পরিচয় অজ্ঞাত রেখে সমাজে চলবেন।

এ পেশায় যারা কর্মরত আছেন,
তাদেরকে অদূর ভবিষ্যতে বেশ কিছু ত্যাগ  মেনে নিয়ে কাজ করতে হতে পারে,

এ পেশার যে কেউ অপহরণের শিকার হতে পারেন!
আপনার পরিবারের উপর সন্ত্রাসীরা আঘাত হানতে পারে,
যে কেউ  সন্ত্রাস দ্বারা জখম হতে পারেন,
এমন কি মৃত্যুও ঘটতে পারে ।

সিদ্ধান্ত আপনার!

মেধা, শ্রম ও সময় সব যখন বিসর্জন দিতে পেরেছেন,
জীবনটা  বাকি রাখবেন কেন?
সন্ত্রাসীরা তো  আপনার জীবন ছিনিয়ে নিয়ে নেয়ার জন্য উত পেতে আছে !!

কবে হবে সন্ত্রাস নির্মূল!
কবে হবে চিকিৎসকদের জন্য নিরাপদ কর্মস্থল

--- ডাঃ স্বাধীন

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

এবার মাঠে নামছেন মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষকরা...

এবার মাঠে নামছেন মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষকরা...


পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি কলেজের শিক্ষকদের পর এবার নতুন বেতন কাঠামোয় বৈষম্য দূরীকরণের দাবিতে আন্দোলনে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও স্বাস্থ্য  ইনস্টিটিউটের শিক্ষকরা। তারা বেতন বৈষম্য দূর করার লক্ষ্যে তিনটি ইস্যু সামনে আনতে চান। এগুলো হচ্ছে টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল এবং স্বতন্ত্র বেতন স্কেল চালু। এসব দাবি আদায়ে আপাতত রাজধানী ও ঢাকার বাইরে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করার চিন্তাভাবনা চলছে। প্রয়োজনে হাইকোর্টে রিটও করতে পারেন। তবে আন্দোলনের চূড়ান্ত রূপরেখার সিদ্ধান্ত হবে সারা দেশের চিকিৎসকদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) কার্যনির্বাহী কমিটির সভায়। বিএমএ’র বিজ্ঞানবিষয়ক সম্পাদক ও জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতালের কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ডা. কামরুল হাসান জানান, দুয়েক দিনের মধ্যেই বিএমএ’র এ সভা ডাকা হতে পারে। ওই সভায় আন্দোলনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তিনি মেডিক্যাল শিক্ষকদের এই আন্দোলনের ব্যাপারে বিএমএ নেতাদের আগ্রহী করতে বেশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এদিকে বিএমএ ছাড়াও ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের বেশ কয়েকজন শিক্ষকও আন্দোলনের ব্যাপারে তৎপর হয়ে উঠেছেন। তারা বিএমএ’র পাশাপাশি সারা দেশের সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও স্বাস্থ্য  ইনস্টিটিউটের শিক্ষকদের নিয়ে সমন্বিত মেডিক্যাল শিক্ষক পরিষদ গঠন করে আন্দোলনে নামার উদ্যোগ নিচ্ছেন। এ তৎপরতায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও নাক-কান-গলা রোগ বিভাগের অধ্যাপক ডা. আবু ইউসুফ ফকির, সহসভাপতি ও মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. টিটো মিয়াসহ ৪-৫ জন শিক্ষক। তারা জানান, অন্যান্য মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষকদের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ চলছে। খুব শিগগিরই বৈঠক করে আন্দোলনের কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হবে। মেডিক্যাল শিক্ষকরা বলছেন, বিশ্বের মধ্যে সব থেকে কঠিন মেডিক্যাল শিক্ষা। ৫ বছর মেয়াদি এমবিবিএস পরীক্ষা পাস করা যেমন কঠিন, তেমনি পাস করার আগে কোর্স চলাকালীন আইটেম, কার্ড, টার্মসহ বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা দিতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের মাথার ঘাম পায়ে ঝরে। এরপর এমবিবিএস পাস করে অন্য ক্যাডারের মতোই তাদেরও বিসিএস পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হয়েই তবে সরকারি ডাক্তার এবং পরে পদোন্নতি পেতে পেতে অধ্যাপক হতে হচ্ছে। একই সঙ্গে রাত-দিন কঠোর পরিশ্রম করে সরকারি হাসপাতালগুলোয় রোগীদের সেবা দিচ্ছেন। তাছাড়াও ডাক্তার হওয়ার জন্য সরকারি মেডিক্যাল কলেজে এমবিবিএস ভর্তির সুযোগ পাওয়া তো সোনার হরিণ ধরার মতোই। এত কাঠখড় পোড়ানোর পরও নতুন বেতন কাঠামোয় মেডিক্যাল কলেজের অধ্যাপককে রাখা হয়েছে থার্ড গ্রেডে। আর সচিবরা রয়েছেন ফার্স্ট গ্রেডে। কেন এই বৈষম্য? সচিবদের থেকে কোন দিক থেকে মেডিক্যাল শিক্ষকরা অযোগ্য? তারা প্রশ্ন রাখেন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও কি তাদের থেকে অধিক যোগ্যতাসম্পন্ন? পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দাবি যদি ন্যায্য হয়, তাহলে তাদের দাবি ন্যায্য হবে না কেন?

সুত্রঃ আমাদের সময়