অবিশ্বাস্য ঘটনা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অবিশ্বাস্য ঘটনা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

ডাক্তার-নার্সদের অক্লান্ত পরিশ্রম যা মিডিয়ায় আসে না

ডাক্তার-নার্সদের অক্লান্ত পরিশ্রম যা মিডিয়ায় আসে না


জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিউটের সিসিউতে ভয়ানক কয়েক ঘন্টা।
বুধবার রাত ১১ টা।
হঠাৎ করে হাসপাতালের সিসিইউ রুমের গেটের দিকে শোরগোল। দ্রুত ট্রলি নিয়ে ছুটলেন কয়েকজন সেদিকে। তাতে তুলে আনা হল মাঝবয়েসি এক যুবককে। পরনের জামা-কাপড় দেখে বুঝা গেল দরিদ্র ঘরের সন্তান। হার্ট অ্যাটাক করেছে তার। মৃত্যুর একেবারে কাছাকাছি সে। ডাঙায় পড়ে যাওয়া পুটি মাছের মতো তরপাচ্ছিল সে। বাঁচবে যে, তেমন আশাও নেই।
ইতোমধ্যে স্বজনরাও মহাকান্নাকাটি শুরু করে দিয়েছে। নার্স-ডাক্তাররা কয়েকজন রুম থেকে বের করে দিলেন সেই স্বজনদের। এরপর যা শুরু হল, তা দেখে একজন সুস্থ্য মানুষও অজ্ঞান হবার দশা। একজন জওয়ান পুরুষ নার্স তার বুকের ওপর ইয়া শব্দ করে আঘাত শুরু করলেন। একজন সুস্থ মানুষকে ওভাবে আঘাত করলে সে নির্ঘাত দম বন্ধ হয়ে মারা যেতো।
যাই হোক, এই ধুরুমধারুম আঘাত চলল মিনিট দশেক। এরপর কাজ না হওয়াতে নিয়ে আসা হল কাপড় ইস্ত্রি করার মতো দুটি শক দেবার যন্ত্র। এই জিনিস আমি শুধু সিনেমাতেই দেখেছি। এরপর সেটি দিয়েও চলল ‘’নির্যাতন’’। একদিকে যমে টানছে যুবককে, আরেক দিকে বাংলাদেশের হাসপাতালের কয়েকজন অসহায় নার্স। তাদের নেতৃত্বে একজন ডাক্তার।
এ কাজ করতে গিয়ে ঘেমে নেয়ে একাকার সবাই। বাইরে পাল্লা দিয়ে চলল যুবকটির পরিবারের কান্না।
আমি অনেক শক্ত মানসিকতার মানুষ। কিন্তু তারপরও বারবার ভেতরে ভেতরে চুরমার হচ্ছিলাম। কিন্তু বুঝতে দিচ্ছিলাম না। কারণ আমার পাশেই আমার নিজের রোগি আছে। তিনি আমার শ্বাশুড়ি। তিনি যদি বুঝতে পারেন আমার নিজেরই এই অবস্থা, তিনি ভেঙে পড়বেন। তাকে সাহস যোগালাম।
এদিকে শুনতে পেলাম নার্সরা বলাবলি করছে, এ যাত্রা বেঁচে গেলো ছেলেটি। আমিও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললাম।
আমি তখন চিকিৎসক ভলান্টিয়ার দলটির দিকে তাকালাম। দেখলাম সবার মুখে বিজয়ের হাসি চিকচিক করছে। মনে হচ্ছিল তারা এই মাত্র এভারেস্টের চূড়া জয় করে ভোরের তাজা আলোর আভা সারা মুখে মেখেছে। জানতে পারলাম এভাবেই সারারাত ধরে নতুন কোনো রোগির সেবায় দৌড় শুরু করে তারা।
[আমরা যারা প্রতিদিন মজা করে ঘুমাই, ঠিক সেই মূহুর্তে রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটের সিসিইউতে প্রতি রাতে চলে জীবন-মৃত্যু নিয়ে ’’দরকষাকষির এই খেলা’’। প্রতিরাতে গড়ে কমপক্ষে চারজন মারা যায়। আমরা কখনো কখনো সে কথা পত্রিকায় পড়ি। কিন্তু আমাদের ডাক্তার-নার্সদের অক্লান্ত পরিশ্রমে যে আরও ২০/৩০ জন বেঁচে যায়, তাদের কথা কীভাবে যেন পত্রিকার পাতায় ঠাঁই পায় না।]

লেখা - লুৎফুর রহমান হিমেল

নিউজ এডিটর - বাংলাদেশ প্রতিদিন

শনিবার, ১৩ জুন, ২০১৫

শূন্য থেকে বিশ্বের সেরা ধনী হয়েছেন যাঁরা

শূন্য থেকে বিশ্বের সেরা ধনী হয়েছেন যাঁরা

শূন্য থেকে বিশ্বের সেরা ধনী হয়েছেন যাঁরা


ফোর্বস গত সোমবার আমেরিকার সেরা ৪০০ ধনীর তালিকা প্রকাশ করেছে। এ তালিকায় এমন ধনীরা আছেন যারা শূন্য থেকে পূর্ণ হয়েছেন। এরা আমেরিকার সেই সব মানুষ যারা স্বপ্নকে শুধু বুকে লালনই করেন না, একে বাস্তবায়িত করে নিজে এবং দেশকে এগিয়ে নিয়ে যান। তাঁরা আজ বিশ্বে সেরা ধনীদের তালিকাতেও রয়েছেন। এখানে দেখুন এমনই কয়েকজন বিলিওনিয়ারের কথা যারা সামান্য অবস্থা থেকে শিখড়ে উঠেছেন।


. হোয়াটসঅ্যাপ এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও জান কোম অতি নগন্য চাকরি করতেন। ইউক্রেন থেকে তিনি আমেরিকা আসেন। ৭.৭ বিলিয়ন ডলার মূল্যের হোয়াটসঅ্যাপের কল্যাণে আজ তিনি বিলিওনিয়ার।
২. ১৯৯৯ সালে অনলাইন স্টোর আলিবাবা প্রতিষ্ঠার আগে জ্যাক মা ছিলেন একজন সামান্য ইংরেজির শিক্ষক। ১৯৯৫ সালে প্রথম আমেরিকায় এসে প্রথম ইন্টারনেটের সঙ্গে পরিচয় হয় তার। সেখান থেকেই আলিবাবার উত্থান যা আমাজনের দ্বিগুণ পরিমাণ মার্চেন্ডাইজ করে। এর মূল্য ২০.২ বিলিয়ন ডলার মূল্যের ব্যবসা করেন তিনি।
৩. এক ফোঁটা রক্ত থেকে দেহের যাবতীয় তথ্য বের করার পদ্ধতি আবিষ্কারের পর এই নারী বিলিওনিয়ার হয়েছেন। তার ৪.৫ বিলিয়ন ডলারের থেরানস প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি নিজেকে সামনের দিকে এগিয়ে নিচ্ছেন।
৪. সুইডেনের একটি ফার্মে বড় হয়েছেন ইনগভার। পেন্সিল, গ্রিটিং কার্ড ইত্যাদি তৈরি শুরু করেন এবং এটিই আজ ৩.৯ বিলিয়ন ডলারের আইকেইএ কম্পানিতে পরিণত হয়েছে।
৫. দরিদ্রদের জন্য তৈরি একটি বাড়িতে থাকতেন স্টারবাক্সের মালিক হাওয়ার্ড শালচজ। নানা টানাপড়েনের মধ্য দিয়ে বড় হয়েছেন তিনি। ইউনিভার্সিটি অব নর্দান মিশিগান-এ একটি ফুটবল স্কলারশিপ পান। সেখানেই একটি কফিশপ দেন যার নাম স্টারবাক্স যাউ এখন ২.১ বিলিয়ন ডলারের প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে গোটা দুনিয়ায় এর ১৬ শাখা রয়েছে।
৬. গরীব ঘরে জন্ম নিয়ে অপরাহ উইনফ্রে প্রথম আফ্রিকান আমেরিকান টিভি করেসপন্ডেন্ট হন তার জন্মস্থান নাশভিলে। তার 'অপরাহ উইনফ্রে শো' এর মাধ্যমে আজ তিনি ৩ বিলিয়ন ডলারের মালিক।
৭. আমেরিকা গিয়ে বাসন মাজতেন পাকিস্তানের শাহীদ খান। সেখান থেকেই তিনি ফ্লেক্স-এন-গেট এর মালিক হয়েছেন যার মূল্য ৪.৪ বিলিয়ন ডলার।
৮. পরিবার চালাতে ১০ বছর বয়সে ক্রিসমাস কার্ড বিক্রি করতেন জন পল ডি জোরিয়া। একবার ৭০০ ডলার ঋণ করে তিনি চুলের যত্নে শ্যাম্পু বানিয়ে তা বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে বিক্রি করতেন। আজ তিনি ৩.২ বিলিয়ন ডলারের জন পল মিচেল সিস্টেম এবং প্যাট্রন টাকিলার মালিক।
৯. একটি গ্যাস স্টেশনের তত্ত্ববধায়ক হিসেবে কাজ করতেন ডো ওন। কোরিয়া থেকে ১৯৮১ সালে আমেরিকায় আসার ৩ বছর পর একটি কাপড়ের দোকান দেন যার নাম 'ফরএভার ২১'। এটি আজ ৫.২ বিলিয়ন ডলারের প্রতিষ্ঠান।
১০. ব্রুক ব্রাদারস-এ একজন ক্লার্ক হিসেবে কাজ করতেন রালফ লরেন। ১৯৬৭ সালে তিনি পুরুষদের পোশাকে টাই-কে সংযুক্ত করেন। আজে তিনি ৭.৮ বিলিয়ন ডলার মূল্যের 'পোলো'র মালিক।
১১. বিধবা মা তার পাঁচ ছেলের একজনকে অনাথ আশ্রমে পাঠিয়ে দেন। ছেলেটির নাম ছিলো লিওনার্দো দেল ভেচিও। একটি মোল্ডিং কারখানায় কাজ করার সময় হাতের একটি আঙ্গুল খোয়ান। তেইশ বছর বয়সে নিজের মোল্ডিং শপ খোলেন যা আজ ১৮.৪ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ।
১২. নাৎসিরা হাঙ্গেরি দখর দিলে সেখান থেকে পালিয়ে লন্ডনে আসেন জর্জ সোরোস। নিউ ইয়র্কের একটি ব্যাংকে চাকরি জুটিয়ে নেন তিনি। ১৯৯২ সালে ব্রিটিশ পাউন্ডের বিপরীতে তার বিখ্যাত বেট আজ তাকে ২৪ বিলিয়ন ডলারের মালিক বানিয়ে দিয়েছে।
১৩. মা মারা যাওয়ার পর খালার কাছে বড় হয়েছেন ল্যারি এলিসন। ১৯৭৭ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন তার সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট প্রতিষ্ঠান ওরাকল। আজ তিনি ৪৮ বিলিয়ন ডলারের মালিক।
১৪. ১৮ মাস বয়সে মা মারা যাওয়ার পর অনাথ হয়ে বড় হয়েছেন রোমান আব্রাহামোভিচ। কলেজে পড়ার সময় তিনি তেল সংশ্লিষ্ট পণ্য পাঠাতেন সাইবেরিয়ায়। ১৯৯২ সালে তার জীবনে পরিবর্তন আসে যখন রাশিয়ার শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী টাইকুন বোরিস বেরেজোভস্কির সুনজরে পড়েন তিনি। মামলা-মোকদ্দমায় পড়ে ব্রিটেন পালিয়ে যান বোরিস এবং তার বিশাল ব্যবসা সাম্রাজ্যের অধিপতি হন আব্রাহামোভিচ। আজ তিনি ৯.৫ বিলিয়ন ডলার নিয়ে রাশিয়ার সেরা ধনীদের একজন। আজ তিনি বিশ্বের সবচেয়ে বড় ইয়ট, একটি বোয়িং ৭৬৭ এবং চেলসি ফুটবল ক্লাবের মালিক। সূত্র : বিজনেস ইনসাইডার

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০১৫

 ক্যান্সারের টিকা আবিষ্কার  !!!

ক্যান্সারের টিকা আবিষ্কার !!!

বছরের পর বছর জুড়ে মরণব্যাধী ক্যান্সারের আক্রান্ত মানুষগুলি এই রোগটির সাথে লড়াই করতে করতে সর্বশেষে মৃত্যুর কাছে আত্বসর্মপন করে চলেছে। ক্যান্সারে আক্রান্তদের জন্য বড় সুখবর এসেছে এবার যুক্তরাষ্ট্র থেকে। সেখানকার  একদল গবেষক ত্বকের ক্যান্সারের যে টিকা তৈরি করেছেন, তিনজন রোগীর ওপর পরীক্ষা চালিয়ে সফলও হয়েছেন।

জার্নাল অব সায়েন্সে প্রকাশিত এই গবেষণা ফলটিতে গবেষকরা দাবি করছেন, মানুষের শরীরের যে রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থা আছে, সেটিকে ক্যান্সার ঠেকাতে সজাগ করে দেয়া সম্ভব। এই ভ্যাকসিন বা টিকা সেই কাজটাই করেছে।

ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিনের গবেষকরা তাদের উদ্ভাবিত টিকাটি যাদের দেহে প্রয়োগ করেন, তাদের প্রত্যেকের ক্যান্সার টিউমারের ডিএনএ নকশার সঙ্গে সুস্থ কোষের জিন নকশার তুলনা করা হয়েছে। ক্যান্সার টিউমারে যে জেনেটিক ত্রুটি থাকে, সেটি প্রতিটি রোগীর ক্ষেত্রেই একেবারে ইউনিক বা স্বতন্ত্র। তার ওপর ভিত্তি করে তারা এই পার্সোনালাইজড ভ্যাকসিন বা টিকা তৈরি করেন। যে তিনজনের ওপর এই টিকা প্রয়োগ করা হয়, তাদের প্রত্যেকের ক্ষেত্রেই এটি ইতিবাচক ফল দিয়েছে

বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

এবার চশমা দিয়ে ধরা পড়বে ক্যানসার

এবার চশমা দিয়ে ধরা পড়বে ক্যানসার

এবার চশমা দিয়ে ধরা পড়বে ক্যানসার


চশমা চোখে দিলেই দেখা মিলবে ক্যানসার কোষের৷ কথাটা শুনে আকাশ থেকে পড়লনে তো? আষাঢ়ে গপ্পের মতো শোনালেও বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করছেন এমনই এক চশমা৷ গবেষকেরা জানিয়েছেন ক্যানসার কোষ খুঁজে বের করা সাধারনত খুব কঠিন কাজ৷ হাই পাওয়ারের ম্যাগনিফিকেশন দিয়েও মাঝে মাঝে এগুলিকে খুঁজে বের করা দুঃসাধ্য হয়ে ওঠে৷ কিন্তু বিজ্ঞানীরা জানালেন, ক্যানসার সার্জানরা এই চশমা চোখে দিলেই ক্যানসার কোষ আলাদা করে দেখতে পারবেন৷ এই চশমার দ্বারা ক্যানসার কোষগুলিকে নীল রঙের দেখতে লাগবে ফলে তারা সহজেই এগুলিকে চিহ্নিত করতে পারবেন৷



এই বিশেষ ধরনের চশমাটি মূলত ক্যানসার সার্জেনদের কথা মাথায় রেখেই তৈরি করা হয়েছে৷ এতে তারা খুব সহজেই সাধারন কোষের থেকে ক্যানসার কোষগুলিকে আলাদা করতে পারবেন যাতে অস্ত্রোপচারের সময় শরীরে একটিও টিউমার কোষ থেকে না যায়৷

ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্ত্রোপচার সহযোগী অধ্যাপক এবং ব্রেস্ট সার্জন জুলি মারগেন্থলার জানিয়েছেন, তারা আপাতত এই আবিষ্কারের প্রথম পর্যায়ে রয়েছেন৷ এই চশমাটির আরও উন্নতিকরণ এবং বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা এখনও বাকি রয়েছে৷ কিন্তু রোগীদের উপকারিতার ফলেই তারা এ বিষয়ে উৎসাহিত হয়েছেন বলেই জানালেন জুলি৷

গবেষকেরা জানিয়েছেন, এ বিষয়ে চিকিৎসদের সতর্কতা একান্ত প্রয়োজন৷ কারণ অনেক ক্ষত্রে টিউমার বা আশ পাশের কোষ ক্যানসার কোষের অন্তর্গত নাও হতে পারে৷ এই চশমা অতিরিক্ত অস্ত্রোপচারের ঝুঁকি কমায় সঙ্গে রোগীর মানসিক অবসাদও কমিয়ে দেয়৷

জুলি জানিয়েছেন, ব্রেস্ট ক্যানসারের আক্রান্ত রোগীদের অনেকক্ষেত্রেই দ্বিতীয়বার অস্ত্রোপচারের সম্মুখীন হতে হয়, কারণ এতদিন প্রযুক্তি ততটা উন্নত ছিল না ফলে ক্যানসার কোষ শরীরে থেকেই যেত৷ নতুন এই আবিষ্কারের ফলে রোগীদের যে আর দ্বিতীয় অস্ত্রোপচার করাতে হবে না সে বিষয়েই আশাবাদী তিনি৷

ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেডিওলজি অ্যান্ড বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অধ্যাপক সামিয়্যুল অ্যাচিলেফুর তত্ত্বাবধানে বিজ্ঞানীদের একটি দল নতুন এই চশমা টি আবিষ্কার করেছে৷ তারা জানিয়েছেন এক মিলিমিটার দৈঘ্যের ক্যানসার টিউমারও এই চশমার মাধ্যমে ধরা পড়বে৷

সম্প্রতি এই গবেষণাটি বায়োমেজিক্যাল অপটিকস্ এর একটি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে৷- ওয়েবসাইট

রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

বারমুডা ট্রায়াঙ্গল : মানুষের ভাবনা

বারমুডা ট্রায়াঙ্গল : মানুষের ভাবনা

বারমুডা ট্রায়াঙ্গল : মানুষের ভাবনা
কি এই বারমুডা ট্রায়াঙ্গল?
কি ঘটে এখানে?

কেন ঘটে ?
মূলত গত শতাব্দীর ষাটের দশকে বারমুডা ট্রায়াঙ্গল বৈজ্ঞানিক মহলে আলচনায় আসলেও বারমুডা ট্রায়াঙ্গলনিয় ে কিন্তু মানুষের আগ্রহ প্রাচীন কাল থেকেই ছিল!শত শত কতো জাহাজযে বারমুডা ট্রায়াঙ্গলে হারিয়ে গেছে তার ইয়ত্তা নেই।তাছাড়া আগের জাহাজগুলো ছিল কাঠের তৈরি,তাই তৎকালীন সময়ে জাহাজডুবির ঘটনাও ঘটত বেশি। অনেক নাবিক বারমুডা ট্রায়াঙ্গল পারি দেওয়াটামারাত্ম ক ঝুঁকির মনে করতেন।বিখ্যাত জলদস্যু লুইডেকেইন বারমুডা ট্রায়াঙ্গল সম্পর্কে জানতেন , তিনিতার নিজের ডাইরিতে উল্লেখ করেছেন , পারত পক্ষে তিনি ওই অঞ্চলে যেতেন না জাহাজ লুট করবার জন্য।



অনেকে বিশ্বাস করতে চাইবেন না কারণ এর সঠিক কোন প্রমাণনেই কিন্তু শোনা যায় , মিশরীয় একপ্রত্নতাত্ত্বিক নাকি ১৯১২সালে জানিয়েছিলেন , ফারাও সম্রাট চতুর্থ এর অনেক অভিযান হায়রোগ্লিফিক্স ভাষায় প্রাচীন মিসরের পিরামিডের কোঁথাও লুকায়িতএকটি সোনার চ্যাপ্টা ট্যাবলেটের মধ্যে লিপিবদ্ধ, যেটা তিনি উদ্ধার করেছেন।তিনি আরও জানান এতেনাকি ত্রিভুজাকার সামুদ্রিক অঞ্চল অর্থাৎ বারমুডা ট্রায়াঙ্গল সম্পর্কে কিছুলেখা আছে, তিনি এটা সবার কাছে প্রকাশ করতে চেয়েছিলেন কিন্তু তা আর হয়নি! কারণ সেই বছরই তিনি টাইটানিক জাহাজ ডুবিতে মারা যান।
প্রাচীন কালের মানুষরা ভাবত বারমুডা ট্রায়াঙ্গলেনিশ ্চয় কোন বিশাল আকৃতির অক্টোপাস কিংবা স্কুইড থাকে যা সমুদ্রগামী জাহাজকে টেনে পানির তলায় নিয়ে যায়।গল্পকাররা ছিলেন আরও একধাপ এগিয়ে , অনেকেই জানিয়েছেন বারমুডাট্রায়াঙ ্গলে হয়ত অন্য আরেক পৃথিবীতে যাবার আরেকটি রাস্তা আছে যে রাস্তায় একবার কেও গেলে আরফিরে আসতে পারে না। অনেকে একে অভিশপ্ত অঞ্চল হিসেবেও অবহিত করেন।
বিংশ শতাব্দীতে বারমুডা ট্রায়াঙ্গল নিয়ে মানুষেরনতুন ধারনার প্রকাশ পায়। বিংশ শতাব্দীর প্রথম দশকের পর বারমুডা ট্রায়াঙ্গল নিয়ে অনেক কল্প কাহিনি প্রকাশিত হতে থাকে।অনেকে ধারনা করেন , রহস্যময় এই জাহাজ ও প্লেন অন্তর্ধানের পিছনে রহস্যময় মহাকাশযান UFO এর হাত থাকতে পারে। UFOহল এমন একটি ফ্লাইং অবজেক্টযার বিষয়ে বিজ্ঞানীদের ধারণা ভিন গ্রহের মানুষরা এতে করে পৃথিবী ভ্রমণে আসে!উল্লেখ্য, বারমুডা ট্রায়াঙ্গলে মেরি সিলেস্টও ডি ভি এস সাইক্লোপস জাহাজঅন্তর্ধানে র পর জাহাজ তল্লাসির সময় অনেকে সমুদ্রের পূর্ব আকাশে গোলাকার চাকতির মতো কি জানিদেখতে পেয়েছিলেন , যার ব্যাখ্যা দেওয়া যায় না ।ফ্লাইট ১৯ এর ঘটনার পর অনেকে ইন্টার ডাইমেনশোনাল ডোরের কথা বলেন, এটি এমন একটি পথযাতে যেকোনো বস্তু টেলিপোর্ট হয়ে যায়।
বারমুডা ট্রায়াঙ্গলে কি সত্যিই ইন্টার ডাইমেনশোনালডোর আছে?
সন্দেহটা উস্কানি পায় যখন ফিলাদেলফিয়া এক্সপেরিমেন্ট সম্পর্কে জানা যায়। এতে তিন জন মানুষকে অতি অল্প সময়ের জন্য টেলিপোর্ট করা হয়েছিল। বিজ্ঞানী আইনস্টাইন টেলিপোর্টসম্পর্কে গবেষণা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এই গবেষণা আজও অসম্পূর্ণ।

সোমবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০১৪

A 17 kg tumor of the spine was surgically removed

A 17 kg tumor of the spine was surgically removed

A 17 kg tumor of the spine was surgically removed 





a 53 year old patient in Beheshti Hospital of Tehran. 

The patient had presented himself late for intervention 

and the mass had increased in size resulting in nerve compression,



 and had restricted the movement and control of his lower extremities.

Surgery was done successfully and patient is recovering well. 

The mass was located outside of the spinal cord. 

( surgery by Dr. Ghandehari, and his team)




ডাঃ স্বাধীন         ফেসবুকে আমি 


23 Kg Tumor of Uterus !!!

23 Kg Tumor of Uterus !!!


23 Kg Tumor of Uterus 


A 54 year old woman was surgically intervened at Hospital Gandulfo in Lomas de Zamora, 

Argentina, where a gynecological surgical team extracted a 23 kg tumor from her uterus. 

The weight of the tumor is comparable to the weight of a 4 year old child.




The patient had been perceiving a growth in her abdomen for a year and a half before

 she decided to seek medical attention.




 মানুষের পেটে ২০ কে.জি ওজনের টিউমার  !!!

মানুষের পেটে ২০ কে.জি ওজনের টিউমার !!!

মানুষের পেটে ২০ কে.জি ওজনের টিউমার  !!!

২০ কে.জি ওজনের  টিউমার অপসারনের
সফল অপারেশন করলেন
ইরাকের  সার্জন  ডাঃ ইমদাদ আল হাসসানী ।

মানুষের পেটে ২০ কে.জি ওজনের টিউমার  !!!
এতো  অসম্ভব !!!

অসম্ভব নয় , বাস্তব সত্য  বিশ্বাস  হবে না  জানি ,
তাই ছবিটি শেয়ার করলাম ।




টিউমারের  ওজন  যদি হয়  ২০ কেজি ,
না  জানি মানুষটার  ওজন কতখানি !!! 



বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০১৪

Insulin - ডায়াবেটিসের ইনসুলিন পিল আবিষ্কার, দাবি ভারতীয় বিজ্ঞানীদের

Insulin - ডায়াবেটিসের ইনসুলিন পিল আবিষ্কার, দাবি ভারতীয় বিজ্ঞানীদের

 ভারতীয় বিজ্ঞানীদের অবদানে এবার উল্লেখযোগ্য মোড় নিতে চলেছে ডায়াবেটিস বা মধুমেহ রোগের চিকিৎসা। দীর্ঘদিন ধরে যে বিষয়ে সারা বিশ্বের চিকিৎসাশাস্ত্র কাজ করছে, সেই ইনসুলিনের পিল তৈরির কাজ প্রায় সম্পূর্ণ বলে জানিয়েছেন ভারতীয় বৈজ্ঞানিকদের সংগঠন। এর ফলে প্রতিদিন শরীরে ইনসুলিন ইঞ্জেকশন নেয়ার যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবেন ডায়াবেটিসে আক্রান্তরা।


ডায়াবেটিসের চিকিত্সায় ইনসুলিনের আবিষ্কার পেরিয়ে গিয়েছে প্রায় ১০০ বছর। কিন্তু এখনো ইনসুলিন নিতে হলে শরীরে সুঁচ ফোটানোর যন্ত্রণা সহ্য করতেই হয়। ১৯৩০ থেকেই ইনসুলিন পিল আবিস্কারের চেষ্টা চালাচ্ছেন বৈজ্ঞানিকরা। কিন্তু ইনসুলিনের ট্যাবলেটের মতো করে শরীরে প্রবেশ করালে তা রক্তে মিশে কাজ শুরু করার আগেই আমাদের ডাইজেস্টিভ সিস্টেম ইনসুলিনকে ভেঙে দেয়। ফলে কোনো লাভ হয় না। অবশেষে ভারতীয় বৈজ্ঞানিকরা এই সমস্যার সমাধান পেয়েছেন বলে দাবি।


ভারতের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ফার্মাসিউটিক্যাল এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চের সদস্য সনযোগ জৈন জানিয়েছেন যে, ইনসুলিনের ওপর লিপসোমোস নামক বিশেষ ধরনের ফ্যাটজাতীয় বস্তুর আবরণ দেয়া হয়েছে। এর ফলে রক্তে মেশার আগেই ইনসুলিন শরীরের পাচকরসের হাত থেকে রেহাই পাবে বলে মনে করা হচ্ছে। তাদের গবেষণা মতো ইনসুলিন পিল বাজারে এলে প্রতিদিনের সূঁচ ফোটানোর যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবেন অসংখ্য ডায়াবেটিস রোগী।

চিকিৎসকদের মতে, ভারতের চিকিৎসাক্ষেত্রে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ ডায়াবেটিস বা মধুমেহ রোগ। ২০৩০-এর মধ্যে ভারতে ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা দশ কোটি ছাড়িয়ে যাবে বলে আশঙ্কা। এই অবস্থায় ইঞ্জেকশন-ভীতির জন্য অনেকেই ইনসুলিন নিতে চান না। ইনসুলিন পিল বাজারে এলে তা সত্যিই যুগান্তকারী আবিষ্কার হবে বলে মনে করা হচ্ছে

বুধবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০১৪

The Earth- মাহাবিশ্বের অজানা রহস্য !!

The Earth- মাহাবিশ্বের অজানা রহস্য !!

আস-সালামু-আলাইকুম।
কেমন আছেন সবাই?আশা করি আল্লাহ তায়ালার রহমতে ভালোই আছেন।
বিচিত্র বিশ্ব নিয়ে একটা ধারাবাহিক টিউন শুরু করেছি। আপনাদের সাহায্য আর দোয়া পেলে আরো ভালো লিখতে পারবো আশা করি।
আজ লিখবো এর দ্বিতীয় পর্ব নিয়ে।আজকের বিষয় হলো আমাদের এই মহা বিশ্ব।এই পর্ব টা আমার আগে শুরু করা উচিত ছিলো।যাই হোক,শুরু করা যাক

মহাবিশ্বের সৃষ্টিঃ

  • একেবারে শুরুর দিকে এই মহাবিশ্ব ছিলো গরম এবং ঘন বিকিরনের শক্তি।
  • সেকেন্ডের এক হাজার ভাগের একভাগ সময়ে ছোট ছোট বিকিরন ছোট ছোট শক্তি উৎপন্ন করে যা দুইটি নতুন শক্তির সৃষ্টি করে যাকে আমরা হাইড্রোজেন এবং হিলিয়াম নামে চিনি।
  • এই হাইড্রোজেন আর হিলিয়াম একত্রিত হয়ে একত্রিত হয়ে প্রথম তারার সৃষ্টি করে।
  • ওই তারার ভিতরে পারমানবিক রিয়েকশনের কারনে আরো কিছু শক্তি উৎপন্ন হয় যা হলো কার্বন ও অক্সিজেন।
  • এই সব গুলোর সমন্বয়ে একটা বিস্ফোরনের সৃষ্টি হয় যা "বিগ ব্যাং" নামে পরিচিত।

মহাবিশ্বের বয়সঃ

আমাদের এই মহাবিশ্বের বয়স প্রায় ১৩.৭ বিলিয়ন বছর।কি আজব ব্যাপার,তাইনা?

মহাবিশ্বের উপাদান সমুহঃ

আমাদের ই বিশাল মহাবিশ্বের বিভিন্ন উপাদান রয়েছে।জেনে নিন সেই উপাদান গুলোর কিছু উপাদানের নাম।
১)সুর্যঃ আমরা প্রতিদিন সকাল দেখি এই সুর্যের কারনে।বেচে থাকাও এই সুর্যের কারনে।সুর্যের পরিধি ১.৪ মিলিয়ন কিলোমিটার!!!!
সুর্য নিয়ে আরো জানতে হলে উপরের পর্ব টা দেখুন।
২) গ্রহঃ গ্রহের মধ্যে আমাদের এই পৃথিবীও রয়েছে।মহাবিশ্বের আয়োতনের তুলোনায় আমাদের এই পৃথিবী কিছুই না।পৃথিবী ছাড়াও আরো কিছু গ্রহ রয়েছে যেমন মঙ্গল, বুধ,শনি,শুক্র ইত্যাদি।
৩) তারা মন্ডলঃ আমরা রাত হলে আকাশে যে সাদা তারা দেখি সেগুলো সব বিভিন্ন গ্যাস এর মিশ্রন।যা মিটি মিটি করে জ্বলে।আমাদের সুর্যও একটা তারা।
৪) ছায়াপথঃ ছায়াপথের মধ্যেই তারা বিদ্যমান।

অদ্ভুত তথ্যঃ

মহা বিশ্বের সৃষ্টির একেবারে শুরুর দিকে এর তাপমাত্রা ছিলো ১০ বিলিয়ন ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডিগ্রী।!!!!!!!!!!!!!

পৃথিবীর সৃষ্টির পর আজ থেকে ১ মিলিয়ন বছর আগে পৃথিবীতে প্রথম মানুষের পা পরেছিলো।

দূরত্ব পরিমাপকঃ

মহা বিশ্বের দূরত্ব মাপার জন্য বিভিন্ন মাধ্যম রয়েছে।সেগুলো নিচে থেকে জেনে নিন।
  • কিলোমিটার/মাইলঃ কাছাকাছি দূরত্ব মাপার জন্য কিলোমিটার অথবা মাইল কে ব্যবহার করা হয় যেমন পৃথিবী,চাদ এবং সুর্যের দূরত্ব অথবা পরিধি মাপার জন্য।
  • জ্যোতির্বিদ্যা ইউনিটঃ এই পরিমাপক ব্যবহার করা হয় গ্রহ থেকে গ্রহের দূরত্ব মাপার জন্য।
  • আলোকবর্ষঃ আলোকবর্ষ ব্যবহার করা হয় ছায়াপথের বিভিন্ন উপাদানের মধ্যে দূরত্ব পরিমাপ করার জন্য। এক আলোকবর্ষ=৯.৪৫ মিলিয়ন মিলিয়ন কিলোমিটার।

আরো কিছু তথ্যঃ

  • আমরা আকাশে যত বস্তু দেখি তার সবই আলোর কারনে।তারার নিজস্ব আলো রয়েছে।অন্যদের নেই কিন্তু আলোর প্রতিফলনের কারনে তাদের জ্বলতে দেখা যায় যার মধ্যে রয়েছে চাঁদ,এমনকি পৃথিবীও।
  • আলোর গতি সবচেয়ে বেশি।শুনলে অবাক হবেন আলোর গতি প্রতি সেকেন্ডে ১,৮৬,২৮৭ মাইল।
  • তারার দূরত্ব এখনো আগের মতই রয়ে গেছে।
  • আমাদের পৃথিবীর থেকে সবচেয়ে বেশি দূরত্ব এর ছায়াপথের দূরত্ব পৃথিবী থেকে ১৩ বিলিয়ন আলোক বর্ষ দূরে।(এক আলোকবর্ষ=৯.৪৫ মিলিয়ন মিলিয়ন কিলোমিটার।)।
সুত্রঃEvery Fact you Never wanted to Know থেকে এবং ইন্টারনেট থেকে।

Post of MUKUT

রবিবার, ১২ জানুয়ারি, ২০১৪

Liver - রোগীর লিভারে নিজের নাম খোদাই করার অভিযোগে সাসপেন্ড হলেন অভিযুক্ত চিকিৎসক

Liver - রোগীর লিভারে নিজের নাম খোদাই করার অভিযোগে সাসপেন্ড হলেন অভিযুক্ত চিকিৎসক

অস্ত্রোপচারের সময় রোগীর লিভারে নিজের নাম খোদাই করার অভিযোগে সাসপেন্ড হলেন অভিযুক্ত চিকিৎসক। ঘটনার কথা কবুল করে লন্ডনের এনএইচএস ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট পরিচালিত ইউনিভার্সিটি হসপিটালস অফ বার্মিংহাম জানিয়েছে, বার্মিংহামের কুইন এলিজাবেথ হাসপাতালে ঘটনাটি ঘটেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও তারা আলাদাভাবে ঘটনাটির তদন্ত করছে। তদন্ত রিপোর্ট হাতে না আসা পর্যন্ত ওই চিকিৎসককে সাসপেন্ড করা হয়েছে।


দি ইন্ডিপেন্ডেন্ট পত্রিকা খবরটি ছেপে জানিয়েছে, সাসপেন্ড হওয়া চিকিৎসক এখন গা ঢাকা দিয়েছেন। অভিজ্ঞ ওই মাঝ বয়সী চিকিৎসক অতি উৎসাহের বশেই অস্ত্রোপচারের পর সেলাই করার সময় রোগীর লিভারের ওপর নিজের নাম স্বাক্ষর করেন। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, কাঁচি বা ভোঁতা ছুরির সাহায্যেই তিনি ওই কুকর্মটি করেছেন। অপারেশনের পর রোগী অস্বস্তি ও ব্যথা অনুভব করায় কয়েকটি পরীক্ষার পর ব্যাপারটি ধরা পড়ে।


তবে এটাই প্রথম নয়। এরকম ভুল মেডিক্যাল স্টাফদের হয়েই থাকে। এনএইচএস ইংল্যান্ড সংস্থা ও রোগীদের চিকিৎসা বিমা এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সংস্থার পেশেন্ট সেফটি বিভাগের ন্যাশনাল ডিরেক্টর ডা. মাইক ডুরকিন কবুল করেছেন, চলতি বছরেই বহু ভয়াবহ ভুল ও চিকিৎসা অপরাধ ঘটেছে লন্ডনে।

যেমন, অপারেশনের পর ৬৯জন রোগীর দেহে সার্জিক্যাল সোয়াবস, কটন পাওয়া গিয়েছে। ৩৭ জন রোগীর ভুলভাল জায়গায় অপারেশন করা হয়েছে। ২০ জনের বেশি রোগীকে ভুল ব্লাড গ্রুপের রক্ত দেয়া হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে মেডিক্যাল রিপোর্ট না দেখেই অপারেশন করা হয়েছে তাড়াহুড়ো করে। ২১ জন রোগীর ক্ষেত্রে ভুলভাল জায়গায় অঙ্গ প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। তাই চিকিৎসা পরিষেবায় আরও স্বচ্ছতা আনার দাবি তুলেছে এনএইচএস ইংল্যান্ড।

সংবাদপ্রতিবেদনটি পড়ে সান্ত্বনা পেতে পারেন বাংলাদেশের মফঃস্বল ও গ্রামের মানুষ। খাস লন্ডনে যদি এই অবস্থা হয় তাহলে তৃতীয় বিশ্বের দেশে আমরা যতটুকু পাচ্ছি সেটাই বিরাট ভাগ্যের ব্যাপার। হয়তো লন্ডনের সঙ্গে নিকৃষ্টতায় এটাই মিল। সূত্র: ওয়েবসাইট
Kidney- গবেষণাগারে তৈরি কৃত্রিম কিডনি

Kidney- গবেষণাগারে তৈরি কৃত্রিম কিডনি

গবেষণাগারে তৈরি হৃদপিণ্ডের সফল প্রতিস্থাপনে হই হই গোটা বিশ্বে৷ 

কিন্ত্ত সেই সাফল্যের আগে, অকেটা নিশ্চুপেই তৈরি হয়েছিল কৃত্রিম কিডনি৷ জৈব কিডনির সঙ্গে ব্যবহারিক এবং চারিত্রিক কোনো তফাৎ নেই এর৷ শুধু আয়তনে প্রকৃত কিডনির অতি ক্ষুদ্র সংস্করণ৷ অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অফ কুইন্সল্যান্ডের ইনস্টিটিউট ফর মলিকিউলার বায়োসায়ন্স গবেষকরা স্টেম সেলের সাহায্যে ল্যাবরেটরির পেট্রি ডিসের কৃত্রিম পরিবেশে এই ক্ষুদ্র কিডনি সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছেন৷ গবেষকদের আশা ভবিষ্যতে কিডনি বিকল হওয়া রোগীদের নতুন জীবন দেবে যুগান্তকারী এই কৃত্রিম কিডনি৷ একই সঙ্গে কিডনির ওপর কোন ওষুধের প্রভাব কেমন, তাও বোঝা সম্ভব হবে কৃত্রিম এই কিডনি দিয়েই৷


কী ভাবে তৈরি হলো এই জৈব কিডনি? শুরুতে বিশেষ তাপমাত্রা এবং রসায়ন মিশ্রণে স্টেম সেল রাখা হয়৷ এরপর সময়ে সময়ে সেই স্টেম সেলগুলিকে বিভিন্ন অনুঘটক রসায়নে ভেজানো হয়৷ প্রথমে চেষ্টা হয় স্টেম সেলগুলিকে কিডনির ভিতরের কোষের মতো কোষে পরিবর্তিত করতে৷ সাফল্য মেলে তাতে৷ এই পদ্ধতিতে কিডনি গঠনকারী দু'টি বিশেষ ধরনের কোষ তৈরি করতে সফল হন গবেষকরা৷ কৃত্রিম পরিবেশ সৃষ্টি করে সেই কোষগুলিকে আয়তনে বাড়ানো হতে থাকে৷ গবেষকদলের প্রধান মেলিসা লিটল জানিয়েছেন, 'প্রথমে আমরা এক ধরনের কোষ তৈরি করতে চেষ্টা করেছিলাম৷ কিন্ত্ত দেখলাম দুই ধরনের কোষ তৈরি হয়ে গিয়েছে৷ এই দুই প্রজাতির কোষের সমষ্টিই কিডনি গঠন করে৷'

মেলিসা বলছেন,'সৃষ্ট কিডনি মূলত বহু কোষের জটিল সমষ্টি৷ এই কিডনি আয়তনে খুবই ছোট৷ বলা যায় মিনি কিডনি৷ আসলে এই ছোট কিডনিটা সময়ের সঙ্গে আয়তনে বাড়বে৷' গবেষণার ফল ইতিমধ্যেই বিখ্যাত বিজ্ঞান পত্রিকা নেচার সেল বায়োলজিতে প্রকাশিত হয়েছে৷ অস্ট্রেলিয়ার প্রায় ৩৩ শতাংশ মানুষ কিডনির সমস্যায় আক্রান্ত৷ সমস্যা সমাধানে আছে শুধুই ডায়ালিসিস এবং কিডনি প্রতিস্থাপন৷ - সংবাদসংস্থা
কানের ভিতরে  তেলাপোকার  সন্ধান

কানের ভিতরে তেলাপোকার সন্ধান

কানের ভিতরে  তেলাপোকার  সন্ধান 

ঘটনাটি ঘটেছে  অষ্ট্রেলিয়ার  নাগরিক হেন্দ্রিক হেলমারের ।
প্রচন্ন ব্যথায় রাতের ঘুম ভাঙ্গে হেন্দ্রিকের ,

তার ধারনা ছিলো  ঘুমের সময় মাকড়সা তার কানে প্রবেশ করেছে ,
তাই সে অনেক চেষ্টা করে ব্যথা দূর করতে না পেরে , ডাক্তারি পরামর্শ নেন ।



কিন্তু  তাতেও ব্যথা  না  সেরে  ব্যথার তীব্রতা বাড়তে থাকে , 
তাই হাসপাতালের শরানাপন্ন হন .
হাসপাতালের ডাক্তারেরা  পরীক্ষা নিরীক্ষা করে , কানের ভিতরে  তেলাপোকা দেখতে পায় ।
ঔষধের মাধ্যমে তেলাপোকাটি মেরে ফরসেপ দিয়ে কান থেকে বের করে ।
এর  পূর্বে কোনো মানুষের  কান থেকে এত বড় পোকা বের করেন নি ।। ডাক্তারেরা 
এসব ঘটনার  সত্যতা স্বীকার করেছেন , ডারউয়িন  শহরের  হাসপাতালে ।




শুক্রবার, ১০ জানুয়ারি, ২০১৪

২ মিনিট সময় দিন- বদলে যাবে আপনার জ্ঞানের জগৎ

২ মিনিট সময় দিন- বদলে যাবে আপনার জ্ঞানের জগৎ

মনটাকে কোন বিষয়ে স্থির করতে চাচ্ছেন কিন্তু পারছেন না। মন এক চিন্তা থেকে আরেক চিন্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। হয়ত ভাবতে চাচ্ছেন  লেখার নতুন কোন বিষয় নিয়ে কিন্তু কিছুতেই মাথা কাজ করছে না, মনে পড়ে যাচ্ছে এ সংশ্লিষ্ট আরো অনেক কথা। এক সময় হাল ছেড়ে দিলেন। নামাজ পড়তে গেলেন, নামাজ থেকে মন বন্ধুদের আড্ডায় চলে যাচ্ছে। কেন এমন হয়?


মন কী?: মন এমন এক বস্তু যা দেখা যায় না, ছোঁয়া যায় না, ল্যবরেটরীতে টেস্টটিউবে ভরে পরীক্ষাও করা যায় না, তবে অনুভব করা যায়। একে আমরা আমাদের কম্পিউটারের সাথে তুলনা করে দেখতে পারি। কম্পিউটারের দুটো অংশ- হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার। হার্ডওয়্যার ধরা যায়, দেখা যায়, ছোঁয়া যায় কিন্তু সফটওয়্যার ? এর অস্তিত্ব আছে তবে ধরা ছোঁয়া যায় না। এটা না হলে কম্পিউটার চালানো ও যায় না। ঠিক তেমনি মন ও মানুষের সব কিছুর নিয়ন্তা। মনের ৩ টি অংশ আছে- ১. সচেতন মন ২. অবচেতন মন ৩. অচেতন মন।
মন কিভাবে কাজ করে?: আমরা সব সময় সচেতন মনের দ্বারা চালিত হই। এটি আমাদের সব কাজকে মনিটরিং করে যাতে কোন ভুল না হয়। কিন্তু আমাদের সবচেয়ে শক্তিশালী হল অবচেতন মন। সচরাচর এর কাজ আমরা অনুভব করতে পারি না। কিন্তু আমরা যত কাজ করছি, যা কিছু দেখছি, যা বোঝার বা শেখার চেষ্টা করছি সব কিছু ব্যকআপ হয়ে থাকছে আমাদের মস্তিষ্কে এবং এ কাজটাই করে আমাদের অবচেতন মন। আমরা যখন ঘুমিয়ে পড়ি অবচেতন মন জেগে ওঠে এবং তার কর্ম তৎপরতা শুরু করে। ব্যকআপে থাকা সকল তথ্য বিচার বিশ্লেষণ করে কাজের প্রেরণা দান করে, তথ্যগুলোকে মস্তিষ্কের স্থায়ী মেমেরিতে জমা করে। এভাবে আমরা যা দেখি বা যা কিছু চিন্তা করি সবই ঘুমের ঘোরে অবচেতন মন আমাদের মেমোরিতে ঢুকিয়ে দেয়। ফলে এগুলোর উপস্থিতি আমরা টের না পেলেও এগুলো আমাদের ব্যকগ্রাউন্ডে কাজ করতে থাকে। আর আমরা এভাবেই এলোপাথাড়ি চিন্তায় আচ্ছন্ন হই। একজন মনোবিচজ্ঞানী বলেছেন " তোমার স্মৃতিকে গোডাউনের মত যা তা দিয়ে ঠেসে রেখো না, কাজের গুলো জমা কর, অপ্রয়োজনীয় গুলো ফেলে দাও। আমরা যদি আমাদের অবচেতন মনকে নিয়ন্ত্রন করতে পারি তবে আমরা বুঝতে পারব মনের গভীরে কী ঘটছে।
কিভাবে করা যাবে?: এর জন্যে প্রয়োজন একাগ্রতা সৃষ্টি করা। একাগ্র মনোযোগ আমাদের স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধি করে, কাজে সঠিক মনোযোগ প্রদানো সাহায্য করে। একাগ্র মনোযোগ সৃষ্টি করা তেমন সহজ কাজ নয়, এর জন্যে প্রয়োজন মানসিক অনুশীলন। এখানে আমি একটি ছোট কিন্তু কার্যকর অনুশীলনের নিয়ম বলব। এটির আবিষ্কর্তা বিখ্যাত মৌনি সাধু।
নিয়ম: ১.আপনার রুমে গিয়ে চেয়ারে হেলান দিয়ে বসুন।
২. বেশি শব্দ হলে দরজা জানালা বন্ধ করে দিন।
৩. ঘরে ঝোলানো দেয়াল ঘড়ির সেকেন্ডের কাটার দিকে মনোযোগ দিন।
৪. পাকা ২ মিনিট ঘড়ির সেকেন্ডের কাটার দিকে তাকিয়ে থাকুন।
এ সময় এমন ভাবে থাকবেন যেন পৃথিবীতে শুধু ওই ঘড়ির কাঁটা ব্যতীত আর কিছু নেই। মনোযোগ যদি ঘড়ির কাঁটা থেকে সরে যায় তবে আলতো ভাবে মনোযোগ আবার ঘড়ির কাঁটায় ফিরিয়ে আনুন। আবার ২ মিনিট পূর্ণ করুন। প্রথম প্রথম মনোযোগ থাকতে চাইবে না তবে টানা অনুশীলন চালিয়ে গেলে সহজ হয়ে যাবে। আপনি অবাক হয়ে লক্ষ্য করবেন আপনার স্মৃতিশক্তির ব্যপক উন্নতি হয়েছে। যাতে খুশি একাগ্র মনোযোগ দিতে পারছেন। কাব্য, সাহিত্য, গান, প্রযুক্তি যে বিষয়ে ইচ্ছা গভীর মনোযোগ প্রদান করতে পারছেন।
এটা যদি কষ্টকর হয় অর্থাৎ দেয়াল ঘড়ি না থাকলে বা রুমে সে সুযোগ না পাওয়া গেলে তবে আপনার প্রিয় কম্পিউটার ব্যবহার করেও করতে পারেন। একজন সাইট নির্মাতা এমন একটি সাইট তৈরী করেছেন যা আপনাকে ২ মিনিটের জন্যে পৃথিবী আলাদা করে দেবে। বারবার চর্চা করুন, আপনার স্মৃতি দেখে নিজেই অবাক হবেন।

Post of shariful Islam 

বৃহস্পতিবার, ২ জানুয়ারি, ২০১৪

অবাক নয় সত্যি ঘটনা !!  নিজের অপারেশন নিজেই করেছিলো সার্জন Leonid Rogozov ।।

অবাক নয় সত্যি ঘটনা !! নিজের অপারেশন নিজেই করেছিলো সার্জন Leonid Rogozov ।।

আজ থেকে ৫২বছর পূর্বে অর্থাৎ ১৯৬১ সালের 

একজন চিকিৎসকের ঘটনা শুনাব আপনাদের।


২৭ বছর বয়সী ভদ্রলোকের নাম হল Leonid Rogozov।

তিনি এন্টার্কটিকা মহাদেশ অভিযানের সময় তার দলের একমাত্র surgeon ছিলেন।

অভিযানের সময়ে হঠাৎ তীব্র ব্যথা অনুভব করেন এবং তার সাথে প্রচণ্ড জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিলেন।


 তখন তিনি নিজেই নিজেকে পরীক্ষা করলেন এবং বুঝতে পারলেন তার appendicitis (inflammation of appendix) হয়েছে।

 আমরা জানি appendicitis হওয়ার পর অপারেশান(appendisectomy) করতে হয় যদি সময়মত

 অপারেশান না করা হয় তাহলে appendicular lump,abscess এমনকি burst হতে পারে। 

তাই তিনি এই জটিলতার কথা চিন্তা করে চেতনানাশক (local anesthesia) ব্যবহারের মাধ্যমে নিজেই নিজের অপারেশন সম্পন্ন করেন।যাতে তাঁকে An engineer and a meteorologist সাহায্য করেছিলেন।


আমরা অনেক সময় অনেক কাজের জন্য প্রস্তুত থাকি না। 

সময় এবং পরিস্থিতি আমাদের অনেক কাজ করতে বাধ্য করে।

আর মনে জোর থাকলে আমরা অনেক কঠিন কাজকেও অনেক সহজ ভাবে করতে পারিআমরা অনেক সময় অনেক কাজের জন্য প্রস্তুত থাকি না।

 সময় এবং পরিস্থিতি আমাদের অনেক কাজ করতে বাধ্য করে।

আর মনে জোর থাকলে আমরা অনেক কঠিন কাজকেও অনেক সহজ ভাবে করতে পারি