গল্প কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
গল্প কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০১৫

মেডিকেল লাইফের  সংজ্ঞা _

মেডিকেল লাইফের সংজ্ঞা _

মেডিকেলের কিছু বন্ধুর সাথে কথা হলেই বলে উঠে ,
 এই পেইন :/   , সেই পেইন :D ... 
আমি বলি - এতে টেনশনের কি আছে ?
পেইন কিলার খেয়ে নিলেই তো হয় !!! 


-- পরে শুনলাম ,

এই পেইন সেই পেইন নয় !!

সকালের আরামের ঘুম হারাম করে ক্লাস করার পেইন :/ 
আইটেমের পেইন , 
কার্ডের পেইন :/ , 
টার্মের পেইন :/ , 
প্রফের পেইন  :D
ওয়ার্ডে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ক্লাস করার পেইন ।
হাসপাতালে ডিউটি করার পেইন :/ ,
ফ্লোরে কুঁজো হয়ে বসে রোগী ফলো আপ দেয়ার পেইন :/ ।

----- মেডিকেলে আসার আগে শুনতাম ,

জয়েন্ট পেইন , 

ব্যাক পেইন 

নেক পেইন 

হাবিজাবি কত পেইন ।

এত্তগুলা পেইন --  :/ :/ 


দুই পেইনের মধ্যে উপরের ,

পিজিক্যাল পেইনের পেইন কিলার থাকলেও ,
 মেডিকেলীয় মেন্টাল পেইনকিলার এখনো আবিষ্কার হয় নাই ।

আর যেই দিন আবিস্কার হবে সেই দিন মহাভারত :P  অশুদ্ধ হয়ে যাবে !!!
-------------
ডাঃ স্বাধীন
-- ফেসবুকে আমি 

বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০১৫

' মা ' _কে উতসর্গ করে লেখা কবিতা

' মা ' _কে উতসর্গ করে লেখা কবিতা

' মা ' 
     _লেখা- ডা: স্বাধীন 
মায়ের মত আপনজন,
পাবে না কোথাও, কোনো ক্ষন।
জয়ী করো মায়ের মন,
বিশ্ব তোমার সারাক্ষণ।



নি:স্ব হবে শুভক্ষন,
যদি হারাও মায়ের মন।
মা বলেই হাসো তুমি,
মা বলেই কাঁদো তুমি।
মায়ের মাঝেই থাকো তুমি,
মা 'কে পাশে রেখো তুমি।
মা' ই তোমার গুনীজন,
মা' ই তোমার সর্বজন।
মা' ই তোমার গুনীজন,
মা' ই তোমার সর্বজন ।


ডাঃ স্বাধীন         ফেসবুকে আমি 
রেডিও মুন্না ফ্যান পেইজে ১০ ল্ষাধিক মানুষ পড়েছে কবিতাটি -
লিংক -  https://www.facebook.com/Rmbds/photos/a.753043144714290.1073741829.752597858092152/1235423796476220/?type=1&pnref=story

রবিবার, ১ মার্চ, ২০১৫

বৈচিত্র্যময় এপ্রন

বৈচিত্র্যময় এপ্রন

বৈচিত্র্যময় এপ্রন -- ‬
মেডিকেলে ভর্তির প্রারম্ভে এপ্রনের :P প্রতি খুবই আগ্রহ থাকে,
আর ভর্তি হওয়ার পর,
প্রথম দিকে এপ্রন গায়ে আয়নায় গেলে নিজেকে অর্ধেক  ডাক্তার :D মনে হয়।
মেডিকেলে কিছু দিন অতিবাহিত হওয়ার পর,
এপ্রন পরে আয়নায় গেলে নিজেকে গাধা :P মনে হয়।।
তাই অধিকাংশ ছাত্রের এপ্রন দিনে দিনে কাধে উঠতে থাকে।।
ফোর্থ-ফিফথ ইয়ারে এপ্রন তো নাই হয়ে যায়।।

মেডিকেল ছাত্ররা কত রকমের এপ্রন পরে তার কোনো হিসেব আছে??

উত্তর - না ।।


কোনো এপ্রন হাফ হাতা,
কোনোটা থ্রি কোয়ার্টার,
কোনোটা ফুল হাতা।।
কোনটা হালকা ক্রিম কালার।
কেনোটা ধবধবে সাদা ,
কোনোটা নীলাভ আকাশী সাদা।।
উপরের সবকিছু দিয়ে এপ্রন চিনতে পারলেও,
কোনটা ছাত্রের কিংবা কোনটা ছাত্রীর সেটা বুঝতে পারবেন না।।
সেটা বুঝার জন্য এপ্রনের পিছনে দেখতে হবে,
কোনটা ফিতা ঝুলানো ,
আর কোনটা ফিতা ঝুলানো না ।।

ফিতা ঝুলানোটা ছাত্রীর।।

একবার অন্তরা টেইলার্সে এপ্রন সেলাইতে দিয়েছিলাম,
অন্তরা টেইলার্স মোর অন্তরটা ছ্যাড়াবেড়া করে দিয়েছিলো।।

১ম এপ্রনটা পড়াও হয় নি খুব একটা।।
বাসায় ট্রায়াল দেওয়াটায় শেষ,
যথারীতি এপ্রন পড়ে আয়নার সামনে গেলাম,
ছোট বোন এসে বললো ভাই এটা তো ছেলেদের এপ্রন না।।
মেয়েদের :P এপ্রন।।
মাথা ত নষ্ট হয়ে গেলো।।
পরের দিন মেজাজ চরম অবস্থায় টেইলার্সে গেলাম,
অন্তরা :P টেইলার্স বলে,

সরি ভাই,
ভুলে আরেকজনের এপ্রন আপনার কাছে চলে গেছে।। সরি কিছু মনে করবেন না।।

ঝাক মাথাটা কিছু ঠান্ডা হলো।।

এবার আর ট্রায়াল দিলাম না,
সরাসরি এনাটমি ক্লাসে এপ্রন পরে হাজির।
ফারজানা ম্যাডাম রীতিমত রেগে বললো,
এই ছেলে তুমি কি এপ্রন পরেছ?
নাকি মাসল দেখাতে এসেছো।।
এতো টাইট এপ্রন কেউ পড়ে??
এই এপ্রন যেন আর না দেখি!!!

এরপর থেকে সেই এপ্রন পড়া হয় নি,,
কিন্তু এপ্রনটা এখনো চকচক করছে আলমারীতে, জীবনের প্রথম এপ্রন বলে কথা।।।

ডাক্তার হয়েও ওয়ার্ডে এপ্রন পড়ে রাউন্ড দিতে বড়ড় কষ্ট হয় ,
এপ্রন গায়ে দিলেই - গায়ে জ্বর জ্বর :P  ভাব চলে আসে আমার ।

---- লেখা - ডাঃ স্বাধীন

--- ডাঃ স্বাধীন ----    
ফেসবুকে আমি 

শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

একটাই মিনতি ...।

একটাই মিনতি ...।

দূর করো ভয়ভীতি,
ফিরিয়ে আনো সম্প্রীতি
দূর করো স্বজনপ্রীতি,
ফিরিয়ে আনো জননীতি


দূর করো হিংস্রনীতি,
ফিরিয়ে আনো ঐক্যনীতি
দূর করো দূর্নীতি,
ফিরিয়ে আনো সুনীতি
একটাই মিনতি,
ফিরিয়ে আনো সুস্থ রাজনীতি ।।