সাজেশন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সাজেশন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ২৩ মে, ২০১৪

FCPS - এফসিপিএস-এর সাতকাহন

FCPS - এফসিপিএস-এর সাতকাহন

.::এফসিপিএস-এর সাতকাহন ::.

বাংলাদেশের সাধারণ মানুষদের একটা অংশের কাছে এমবিবিএস পাশ করা হতভাগা ডাক্তারদের উপাধি হল ‘সিম্পল’ এমবিবিএস ডাক্তার। তাই এমবিবিএস পাশ করে তরুণ ডাক্তাররা এখন আর বসে থাকেন না। তারা ‘সিম্পল’ উপাধী দূর করতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জনে লেগে পড়েন। এদের মধ্যে একটি বড় অংশ এফসিপিএস ডিগ্রী অর্জনের চেষ্টা করেন।

এফসিপিএস ডিগ্রীর ন্যূনতম সময় চার বছর হলেও ডিগ্রীটি অর্জন করতে কি পরিমান সময় লাগে, তার ধারণা পাওয়া যায় যখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের রিডিং রুমে যাওয়া হয়।


এফসিপিএস পরীক্ষার আগ দিক দিয়ে রিডিং রুমে গেলে দেখা যায় যারা পড়াশোনা করছেন তাদের কারও মাথায় চুল নেই, কারও দাড়ি পেঁকে গেছে, কারও চুল আছে কিন্তু দেখলেই বুঝা যায় বয়স পয়ত্রিশ পার হয়েছে। এদের মধ্যে এমন ডাক্তারও আছেন যার সন্তান ও তিনি পরীক্ষার দিন একসাথে বের হন, পরীক্ষা দেবেন বলে!

এসসিপিএস ফাইনাল পরীক্ষা বছরে দুইবার হয়। যারা ফাইনাল পরীক্ষা দেয়ার শর্ত পূরণ করেছেন তারা আল্লাহর নাম নিয়ে পরীক্ষা দিতে শুরু করেন এবং মনকে বুঝিয়ে নেন যে এফসিপিএস মানে- ‘ফেইল কনফার্ম পাশ সেলডম’!! হ্যাঁ, এ পরীক্ষা এমনই কড়া হয় যে একবার দুবারে পাশ করার ঘটনা খুব কম। তাই চতুর্থ বা পঞ্চম বারের মত ফাইনালে বসছেন এরকম ডাক্তারের সংখ্যাটাই বেশী। একই সাথে, এই পরীক্ষার পদ্ধতিটি এমন যে, শুধু পড়ালেখা করে একজন এফসিপিএস করে বের হয়ে আসবেন সেই সুযোগ নেই। বরং, কারা বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তত্ববধানে সিনসিয়ারলি ট্রেইনিং করেছেন তথা রূগীদের পাশে থেকে, রূগীদের সেবা দিয়ে নিজেদের দক্ষ করে তুলেছেন এবং একই সাথে যে বিষয়ে পরীক্ষা দিচ্ছেন সেই বিষয়ে যথেষ্ট (মানে- অনেক) জ্ঞান অর্জন করেছেন, তা এই পরীক্ষার মধ্য দিয়ে স্পষ্ট বের হয়ে আসে। সে হিসেবে এই পরীক্ষায় পাশ করা ডাক্তারদের মান প্রশ্নের উর্দ্ধে। বিদেশের যে কোন স্নাতকোত্তর ডিগ্রীর চেয়ে কোন অংশে কম নয়, বরং কিছু ক্ষেত্রে বেশীই।

কিন্তু কিভাবে হয় এই পরীক্ষার শুরু? কোন শর্ত পূরণে একজন এফসিপিএস ফাইনালে বসতে পারেন? চলুন, একটু গোড়া থেকে জেনে নেই-
Fellow of College of Physicians and Surgeons (সংক্ষেপে এসসিপিএস) বাংলাদেশের চিকিৎসকদের অন্যতম স্নাতকোত্তর ডিগ্রী। এটি প্রদান করে Bangladesh College of Physicians and Surgeons নামক বাংলাদেশ সরকারের বিধিবদ্ধ একটি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হয় এই প্রতিষ্ঠান থেকেই পাশ করা ফেলোদের মধ্য থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা। এমবিবিএস পাশ করার পর একজন ডাক্তারের বেছে নিতে হয় সে কোন বিষয়ে স্নাতোক্তর ডিগ্রী নেবে। ইন্টার্ণশিপের সময় মেডিসিন, সার্জারী ও গাইনী-অবস্ ওয়ার্ডে কাজ করতে গিয়েই অনেক তরুণ ডাক্তার তাদের পছন্দের বিষয় বেছে নেন। কেউ শুধু ইন্টার্নাল মেডিসিনে বা জেনারেল সার্জারী বা গাইনী ও অবসটেট্রিক্স বিষয়ে থেকে যান আর কেউ কেউ ডিগ্রী নেন অন্যান্য সাব-স্পেশালিটিতে (যেমন: নিউরোলজি, নিউরোসার্জারী ইত্যাদি)। আবার কেউবা বেসিক সাবজেক্টে (তথা এনাটমি, ফিজিওলজি, প্যাথোলজি ইত্যাদি) ক্যারিয়ার করেন।

বিসিপিএস ক্লিনিকাল (অর্থাৎ মেডিসিন, সার্জারী ও গাইনী-অবস)ও বেসিক সাবজেক্ট উভয়টিতেই ফেলোশিপ দিয়ে থাকে। বাংলাদেশে অধিকাংশ ডাক্তার এফসিপিএস সাবস্পশালিটিতে না করে ইন্টার্নাল মেডিসিন, জেনারেল সার্জারী ও গাইনী-অবস্-এ করেন। (সাবস্পেশালিটি করতে চাইলে তারা সাধারণত এমডি ও এমএস করার চেষ্টা করেন।) এফসিপিএস পরীক্ষাকে দুটো অংশে(তথা পার্টে) ভাগ করা হয়েছে। ফাস্ট পার্ট পরীক্ষাটিকে এফসিপিএস-এ এনট্রেন্স পরীক্ষার মত বিবেচনা করা যায়। একজন ডাক্তার এমবিবিএস পাশ করে ইন্টার্ণ শেষ করার ন্যূনতম এক মাস পনেরো দিন পরে এই পরীক্ষা অংশগ্রহন করতে পারবেন। তবে পরবর্তীতে যে কোন সময় এই পরীক্ষা দিতে কোন বাঁধা নেই।

এফপিসিএস ফার্স্ট পার্ট পাশ করলে একজন সেকেণ্ড পার্টে অংশগ্রহন করার একটি শর্ত পুরণ করলেন। সেকেণ্ড তথা ফাইনাল পার্টে অংশগ্রহন করার আরো দুটি শর্ত হল: এক, তিন বছর ট্রেইনিং ও একবছর কোর্স (তথা ক্লাস) বা এক বছর পেইড পোস্টে ট্রেইনিং এবং দুই, বিসিপিএস অনুমোদিত একজন সুপারভাইজারের অধীনে একটি ডিসারটেশন সাবমিট করা।

তিন বছর ট্রেনিং-এর বিষয়টিতে কোন প্রতিষ্ঠানকে সুনির্দিষ্ট করে দেয়া হয় না। বরং ডিস্ট্রিক্ট লেভেল হাসপাতাল থেকে শুরু করে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের যেখানে একজন এফসিপিএস করা কনসালটেন্ট আছেন তার সুপারভিশনে ট্রেইনিং করা যায়। ট্রেইনিংকে ছয়মাসের ক্ষুদ্র ভাগে বিভক্ত করে দেয়ায় নিজের সুবিধে মত ছয় মাস ছয় মাস করে তিন বছর ট্রেইনিং শেষ করার সুযোগ আছে। তবে প্রত্যেকবার ট্রেইনিং শেষে বিসিপিএস-এর ডাটাবেজে আপডেট করে আসতে হয়।(২০১২ সাল থেকে নতুন নিয়ম অনুযায়ী)। একজন ডাক্তার যে বিষয়ে এফসিপিএস করছেন তার উপর ভিত্তি করে ট্রেইনিং-এর শর্তের কিছুটা ভ্যারিয়েশন আছে। (বিসিপিএস-এ ওয়েবসাইট থেকে এ সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা পাওয়া যাবে:- bcpsbd.org)

ট্রেইনিং ‘অবৈতনিক’ ভাবেও করা যেতে পারে, আবার ‘বৈতনিক’-ও হতে পারে। তবে, ‘বৈতনিক’ ট্রেনিং পোস্ট কম হওয়ায় অধিকাংশ ব্যক্তিই অবৈতনিক ভাবে ট্রেইনিং শেষ করার চেষ্টা করেন। যারা বিসিএস-হেল্দ ক্যাডারে সরকারী চাকুরী করছেন তারা উপজেলায় দুবছর পার না করে ট্রেইনিং পোস্টে আসতে পারেন না। আবার ট্রেইনিং পোস্ট কম থাকায় ঘুষ-তদবির ছাড়া ট্রেইনিং পোস্টে আসা যায় না। সে হিসেবে যারা এমবিবিএস-এর পর পর সরকারী চাকুরী করছেন তাদের এফসিপিএস শর্ত পূরণের সুযোগ পেতে পেতেই বয়স ত্রিশ পার হয়। (লক্ষ্যনীয়, এমবিবিএস পাশ করে ইন্টার্ণশিপ শেষ করতে করতে বয়স পঁচিশ থেকে ছাব্বিশ হয়ে যায়)। সুতরাং তারা ফাইনাল পার্টে বসতে বসতেই পয়ত্রিশে পা দেন। (অন্যদিকে, যারা এমবিবিএস পাশ করে অনারারী ট্রেইনিং করে শর্ত পূরণ করেছেন কিংবা ফাইনালে বসে পাশও করে ফেলেছেন তারা যদি শেষ মুহূর্তে বিসিএস-স্বাস্থ্য ক্যাডারে ঢুকতে পারেনও চাকুরীর মেয়াদে তারা জুনিয়র হয়ে পড়েন। এদের প্রমোশন হয় দেরীতে।)

ডিসারটেশন করতে হয় দু’ধাপে। প্রথম ধাপে শর্ত হল, ফার্স্ট পার্ট পাশ করার পর বিসিপিএস-এর তিন দিনব্যপী ডিসারটেশন ট্রেইনিং-এ অংশগ্রহণ করতে হবে। এরপর, বিসিপিএস অনুমোদিত একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারকে সুপারভাইজার হিসেবে ঠিক করতে হবে। তার সাথে আলোচনা করে একটি বিষয় ঠিক করতে হবে এবং উক্ত বিষয়ে একটি প্রটোকল লিখে বিসিপিএস-এ জমা দিতে হবে। প্রটোকল জমা দেয়ার দেড় বছর পরে কেবল ফাইনাল পরীক্ষায় বসা যাবে। প্রটোকল বিসিপিএস থেকে অনুমোদিত হলে রিসার্চ সম্পন্ন করে ডিসারটেশন জমা দিতে হবে ফাইনাল পরীক্ষার ন্যূনতম ছয়মাস আগে। ডিসারটেশন বিষয়টিতে প্রয়োজনীয় খরচাদি, দৌড়াদৌড়ি এবং পড়াশোনা করতে হবে পরীক্ষার্থীর নিজের। সুপারভাইজর ও বিসিপিএস-এর সংশ্লিষ্ট ডাক্তাররা শুধ ভুল হলে বারবার ভুল ধরিয়ে দিবেন। ফলে ট্রেনিং-এর পাশাপাশি ডিসারটেশনের কাজটি একজন ডাক্তারের জন্য যথেষ্ট মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

যাই হোক, একজন ডাক্তার উপরোক্ত সকল শর্তপূরণ করে এফসিপিএস সেকেণ্ড পার্ট তথা ফাইনাল পরীক্ষায় বসতে পারেন। রিটেন, ওএসপিই, শর্ট কেস, লং কেস, ভাইভা প্রত্যেকটি পর্যায়ক্রমিক অংশে পৃথকভাবে পাশ করতে পারলেই কেবল একজন ডাক্তার বিসিপিএস-এর ফেলো হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেন। এই পরীক্ষার সময় একজন পরীক্ষার্থীর জীবনে কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যায়। কেউ এই ঝড়ে বেঁচে বের হন। কেউ ফিরে যান বাড়িতে ছয়মাস বা একবছর পর পুনরায় ‘ঝড়ে’ পড়ার জন্য। কেউ কেউ আবার আশা ছেড়ে দিয়ে ‘সিম্পল’ এমবিবিএস-ই থেকে যান শেষ পর্যন্ত।

আমাদের ইউনিভার্সিটির গ্র্যাডুয়েট ভাই বা বোনেরা যখন ছাব্বিশ বছর বয়সে মাস্টার্স শেষ করে চাকুরী করে সাত আট বছর পার করে দিচ্ছেন (ধরে নিলাম চাকুরী পাশের পরপরই পেয়ে গেছেন) তখন ডাক্তাররা স্নাতকোত্তর ডিগ্রী পরীক্ষা দেয়ার জন্য নিজেকে কেবল তৈরী করতে পেরেছেন। সুতরাং এই ডাক্তাররা যদি আরও ঝড়ঝঞ্চা পেরিয়ে এফসিপিএস ডিগ্রীটি অর্জন করতে পারেন তখন তারা যদি আপনাদের কাছ থেকে চিকিৎসা পরামর্শের বিনিময়ে বৈধ উপায়েই পাঁচশটি টাকা নেন তখনকি খুব বেশী দাবী করে ফেলেন? (প্রসঙ্গত, অস্ট্রেলিয়ায় একজন জেনারেল প্র্যাকটিশনারের ফি পঞ্চাশ ডলার তথা প্রায় চার হাজার টাকা এবং একজন স্পেশালিস্ট ডাক্তারের ফি একশত পঞ্চাশ ডলার তথা প্রায় বার হাজার টাকা।)

পাঠক, উত্তরটি বিবেচনার ভার আপনাদের উপরই ছেড়ে দিলেম।

---
........ - ডাঃ আব্দুল্লাহ সায়ীদ খান 




রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

বারমুডা ট্রায়াঙ্গল : মানুষের ভাবনা

বারমুডা ট্রায়াঙ্গল : মানুষের ভাবনা

বারমুডা ট্রায়াঙ্গল : মানুষের ভাবনা
কি এই বারমুডা ট্রায়াঙ্গল?
কি ঘটে এখানে?

কেন ঘটে ?
মূলত গত শতাব্দীর ষাটের দশকে বারমুডা ট্রায়াঙ্গল বৈজ্ঞানিক মহলে আলচনায় আসলেও বারমুডা ট্রায়াঙ্গলনিয় ে কিন্তু মানুষের আগ্রহ প্রাচীন কাল থেকেই ছিল!শত শত কতো জাহাজযে বারমুডা ট্রায়াঙ্গলে হারিয়ে গেছে তার ইয়ত্তা নেই।তাছাড়া আগের জাহাজগুলো ছিল কাঠের তৈরি,তাই তৎকালীন সময়ে জাহাজডুবির ঘটনাও ঘটত বেশি। অনেক নাবিক বারমুডা ট্রায়াঙ্গল পারি দেওয়াটামারাত্ম ক ঝুঁকির মনে করতেন।বিখ্যাত জলদস্যু লুইডেকেইন বারমুডা ট্রায়াঙ্গল সম্পর্কে জানতেন , তিনিতার নিজের ডাইরিতে উল্লেখ করেছেন , পারত পক্ষে তিনি ওই অঞ্চলে যেতেন না জাহাজ লুট করবার জন্য।



অনেকে বিশ্বাস করতে চাইবেন না কারণ এর সঠিক কোন প্রমাণনেই কিন্তু শোনা যায় , মিশরীয় একপ্রত্নতাত্ত্বিক নাকি ১৯১২সালে জানিয়েছিলেন , ফারাও সম্রাট চতুর্থ এর অনেক অভিযান হায়রোগ্লিফিক্স ভাষায় প্রাচীন মিসরের পিরামিডের কোঁথাও লুকায়িতএকটি সোনার চ্যাপ্টা ট্যাবলেটের মধ্যে লিপিবদ্ধ, যেটা তিনি উদ্ধার করেছেন।তিনি আরও জানান এতেনাকি ত্রিভুজাকার সামুদ্রিক অঞ্চল অর্থাৎ বারমুডা ট্রায়াঙ্গল সম্পর্কে কিছুলেখা আছে, তিনি এটা সবার কাছে প্রকাশ করতে চেয়েছিলেন কিন্তু তা আর হয়নি! কারণ সেই বছরই তিনি টাইটানিক জাহাজ ডুবিতে মারা যান।
প্রাচীন কালের মানুষরা ভাবত বারমুডা ট্রায়াঙ্গলেনিশ ্চয় কোন বিশাল আকৃতির অক্টোপাস কিংবা স্কুইড থাকে যা সমুদ্রগামী জাহাজকে টেনে পানির তলায় নিয়ে যায়।গল্পকাররা ছিলেন আরও একধাপ এগিয়ে , অনেকেই জানিয়েছেন বারমুডাট্রায়াঙ ্গলে হয়ত অন্য আরেক পৃথিবীতে যাবার আরেকটি রাস্তা আছে যে রাস্তায় একবার কেও গেলে আরফিরে আসতে পারে না। অনেকে একে অভিশপ্ত অঞ্চল হিসেবেও অবহিত করেন।
বিংশ শতাব্দীতে বারমুডা ট্রায়াঙ্গল নিয়ে মানুষেরনতুন ধারনার প্রকাশ পায়। বিংশ শতাব্দীর প্রথম দশকের পর বারমুডা ট্রায়াঙ্গল নিয়ে অনেক কল্প কাহিনি প্রকাশিত হতে থাকে।অনেকে ধারনা করেন , রহস্যময় এই জাহাজ ও প্লেন অন্তর্ধানের পিছনে রহস্যময় মহাকাশযান UFO এর হাত থাকতে পারে। UFOহল এমন একটি ফ্লাইং অবজেক্টযার বিষয়ে বিজ্ঞানীদের ধারণা ভিন গ্রহের মানুষরা এতে করে পৃথিবী ভ্রমণে আসে!উল্লেখ্য, বারমুডা ট্রায়াঙ্গলে মেরি সিলেস্টও ডি ভি এস সাইক্লোপস জাহাজঅন্তর্ধানে র পর জাহাজ তল্লাসির সময় অনেকে সমুদ্রের পূর্ব আকাশে গোলাকার চাকতির মতো কি জানিদেখতে পেয়েছিলেন , যার ব্যাখ্যা দেওয়া যায় না ।ফ্লাইট ১৯ এর ঘটনার পর অনেকে ইন্টার ডাইমেনশোনাল ডোরের কথা বলেন, এটি এমন একটি পথযাতে যেকোনো বস্তু টেলিপোর্ট হয়ে যায়।
বারমুডা ট্রায়াঙ্গলে কি সত্যিই ইন্টার ডাইমেনশোনালডোর আছে?
সন্দেহটা উস্কানি পায় যখন ফিলাদেলফিয়া এক্সপেরিমেন্ট সম্পর্কে জানা যায়। এতে তিন জন মানুষকে অতি অল্প সময়ের জন্য টেলিপোর্ট করা হয়েছিল। বিজ্ঞানী আইনস্টাইন টেলিপোর্টসম্পর্কে গবেষণা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এই গবেষণা আজও অসম্পূর্ণ।

শুক্রবার, ১০ জানুয়ারি, ২০১৪

LASIK , কী এবং কিভাবে করা হয় ??

LASIK , কী এবং কিভাবে করা হয় ??

LASIK যার পূর্ণরুপ হলো Laser-Assisted in Situ Keratomileusis।
LASIK  হল LASER এর সাহায্যে চোখের এক ধরনের অস্ত্রোপচার অর্থাৎ এর মাধ্যমে চোখের কর্নিয়ায় LASER রশ্নি ফেলে কর্নিয়ার উপরিভাগে এমন একটি আচ্ছাদন (যা laser এর মাধ্যমে সৃষ্টি করা হয়) সৃষ্টি করা হয় বা কর্নিয়াকে reshape করা হয় যাতে আলো সঠিক ভাবে রেটিনায় প্রতিফলিত হতে পারে।
কর্নিয়াঃ কর্নিয়া হলো চোখের এমন একটি অংশ যেখানে আলো পড়ে এবং দর্শনের অনুভূতি জন্মায় ।
 রেটিনাঃ রেটিনা হল এমন কতগুলো কোষের সমষ্টি যা আলোকে (Optical Signal) বৈদ্যুতিক সংকেতে পরিনত করে কোন বস্তুর সঠিক অবস্থান সম্পর্কে মস্তিষ্ককে   জানতে সাহায্য করে ।

এখন আমি lasik সার্জারিতে ব্যবহার করা হয় এমন দুটি instrument এর সাথে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিব।
১. Microkeratome : এটি একটি অত্যাধুনিক অস্ত্রোপচার ডিভাইস যার সাহায্যে কর্নিয়ার উপর একটি পাতলা আস্তরণের সৃষ্টি করা হয়,  এই আস্তরণের দেওয়ার পূর্বে ডাক্তারগন এই আস্তরণের গভীরতা ইত্যাদি সঠিক ভাবে পরিমাপ করে থাকেন । এই যন্ত্রের অভ্যন্তরে  এক বিশেষ ধরনের রিং বসানো থাকে যা চোখকে নির্ভুলভাবে এক স্থানে ধরে রাখে এবং এটি একটি ভ্যাকুয়াম টিউব দ্বারা সক্রিয় করা হয় যার মাধ্যমে কর্নিয়াকে উপরের দিকে উঠানো বা নিচের দিকে নামানো যায়।
নিচে Microkeratome এর কত গুলো ছবি দেয়া হলোঃ
২.Excimer laser : Excimer laser হচ্ছে এক বিশেষ ধরনের laser যা নিস্ক্রিয় গ্যাস ( আর্গন, ক্রিপটন,জেনন) এবং ফ্লোরিন অথবা ক্লোরিন এর সমন্বয়ে গঠিত। LASIK  অস্ত্রোপচার এর সময় এর মাধ্যমে চোখের উপরিভাগের টিস্যুকে vaporize বা remove করা হয়।
Excimer laser থেকে সাধারনত ১৫৬ ন্যানোমিটার – ৩০৮ ন্যানোমিটার রেঞ্জের  তরঙ্গদৈর্ঘ্য বিশিষ্ট ultraviolet রশ্মি নির্গত হয়।  তরঙ্গদৈর্ঘ্য গ্যাসের মিশ্রনে উপর নির্ভর করে। এর frequency 100 Hz এর হয়ে থাকে এবং pulse duration হয় ১০ ন্যানো সেকেন্ড এর মত।
LASIK সার্জারিতে ১৯৩ ন্যানোমিটার এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে যা আর্গন এবং ফ্লোরিনের সমন্বয়ে গঠিত । তাই অনেকে এটাকে  ArF-excimer বলে থাকেন। এই অতি উচ্চশক্তি সম্পন্ন অতিবেগুনি রশ্মির খুব অল্প পরিমান কর্নিয়ার উপর ফেলা হয় যা একবারে কেবলমাত্র ০.২৫ মাইক্রন টিস্যুকে পূর্ণরগঠিত বা অপসারণ করতে পারে।
আধুনিক excimer laser এ সয়ংক্রিয় eye-tracking সিস্টেম রয়েছে যা চোখের নড়াচড়া মনিটর করতে পারে , এর ফলে কর্নিয়ার সঠিক স্থানে লেজার রশ্মি (laser beam) প্রয়োগ করা যায়।
বি দ্রঃ আমি lasik বা লেজার সংশ্লিষ্ট কোন কাজের সাথে জড়িত নই। উপরের সকল তথ্য internet থেকে পাওয়া।
যদি লেখায় কোন প্রকার ভুল ত্রুটি থেকে থাকে তাহলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার জন্য সকলের নিকট অনুরোধ রইল।
লেখাটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
References :
উপরের লেখাটির পিডিএফ ডাউনলোড লিঙ্ক

Post of Newton Zigzag

বৃহস্পতিবার, ৯ জানুয়ারি, ২০১৪

PDF format - মানবদেহের এনসাইক্লোপিডিয়া ডাউনলোড করুন

PDF format - মানবদেহের এনসাইক্লোপিডিয়া ডাউনলোড করুন

✩✫✬✭★✩✫✬✭★✩✫✬✭★✩✫✬✭★

মানবদেহের এনসাইক্লোপিডিয়াঃ DownLoad link 

সৃষ্টিকর্তার সবচেয়ে রহস্যময় ও জটিল সৃষ্টি হচ্ছে আমাদের এই মানব দেহ ...

 

এই মানবদেহ নিয়ে আমাদের কৌতুহলের শেষ নেই ...
হাতের সামনে কোন কালার ছবি সম্বলিত কোন বায়োলজি বা মেডিক্যাল বই পেলেই আমার একবার হলেও উল্টাই পাল্টাই দেখি ...
সবার রই এই ব্যপারে খুব আগ্রহ ...
কারন জানেন তো বাঙ্গালির কারো অসুখ হলে তাকে ওষধ দিতে পারুক আর নাই পারুক কিন্তু অসুখের কারন ব্যাখ্যা করতে ভাল পারে ...
এতে রুগি ভালো হোক বা না হোক আলোচনার একটা ইসু তো পাওয়া যায় ...
যদিও সবাই একসময় ডাক্তারকেই দেখাই ...

এই অভ্যাস টা আমাদের জিন গত আমরা এই অভ্যাস কে কখনো চেইঞ্জ করতে পারব না ...
তারচেয়ে বরং পরামর্শ যেন সঠিক ভাবে দিতে পারি সেই চেষ্টাই করি ...
আর সেই জন্য আমি আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি অসধারন একটা বই ...

  • * এই বইতে মানব দেহের সবকিছু ৩ডি ছবি দিয়ে ব্যাখ্যা করা হয়েছে ...
  • * মানব দেহের বিভিন্ন মজার মজার বিষয় গুলো তুলে ধরা হয়েছে ...
  • *মানব দেহে সংগঠিত বিভিন্ন অসুখের কারন ছবি দিয়ে ব্যাখ্যা করা হয়েছে ...
  • *মোট কথা মানব দেহের সবকিছু ছবি ও ইনডিকেটর দিয়ে এমন ভাবে দেখানো হয়েছে যে আপনি আপনার দেহের সম্পর্কে মোটামুটি একটা স্পষ্ট ধারনা পাবেন ..