বিসিএস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বিসিএস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০১৫

৩৬ তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ২০১৬ সালের ৮ই জানুয়ারি

৩৬ তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ২০১৬ সালের ৮ই জানুয়ারি

আগামী ২০১৬ সালের ৮ জানুয়ারি ৩৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে পারে। বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি) প্রাথমিকভাবে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে একটি সূত্রে জানা গেছে।

এ বিষয়ে জানতে দ্য রিপোর্টের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পিএসসির চেয়ারম্যান ইকরাম আহমেদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘এটাতো আমরা এখনো পাবলিশ করিনি। সপ্তাহ খানেকের মধ্যে জানতে পারবেন। তবে আলোচনা হয়েছে, আরও ভাবা হচ্ছে।’

আগামী ২০১৬ সালের ৮ জানুয়ারি ৩৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার বিষয়ে সরাসরি কিছু না বললেও তিনি জানান, দেখা যায় একটি তারিখ আমি বললাম, কিন্তু কোনো কারণে তা বদলে যেতে পারে। এ জন্য একটু ধীরেই আমরা তারিখটা জানাব। তবে জানুয়ারির শুরুর দিকে আমরা ৩৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা নেওয়ার চেষ্টা করব। কারণ আমরা এক বিসিএস থেকে অন্য বিসিএস পরীক্ষার সময়ের ব্যবধান কমিয়ে আনতে চাই।

পিএসসির চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘প্রশ্ন তৈরি, কেন্দ্র পাওয়া, পরিদর্শক, আইনশৃংখলাবাহিনী পাওয়া- সবকিছু মিলিয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠান সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। তবে আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে পরীক্ষা নেওয়া ও ফলাফল প্রকাশের চেষ্টা করছি।’

এর আগে গত ৩১ মে ৫৪২টি সাধারণ ক্যাডারের পদসহ মোট দুই হাজার ১৮০টি শূন্যপদে নিয়োগ দিতে ৩৬তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল পিএসসি। ১৪ জুন থেকে শুরু হওয়া আবেদনের সময়সীমা শেষ হয় গত ২৩ জুলাই।

পিএসসির বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল, সেপ্টেম্বরে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে পারে। সম্ভাব্য সময়সীমার দুইমাসেও পরীক্ষা না হওয়ার বিষয়ে সম্প্রতি পিএসি চেয়ারম্যান ইকরাম আহমেদ দ্য রিপোর্টকে জানিয়েছিলেন, আগামী নভেম্বর মাসে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না।

শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০১৫

বিসিএস ক্যাডার - বৈষম্য কি চলতেই থাকবে ??

বিসিএস ক্যাডার - বৈষম্য কি চলতেই থাকবে ??

বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন দেশের বিসিএস (বাংলাদেশ ক্যাডার সার্ভিস) পরীক্ষার মাধ্যমে ক্যাডারভিত্তিক নিয়োগ দিয়ে থাকে। বর্তমানে ২৮টি ক্যাডারে এ নিয়োগ দেওয়া হয়। এ ক্যাডারগুলোতে রয়েছে বিবিধ মাত্রার বৈষম্য। কখনো পদোন্নতিবৈষম্য, কখনো কর্তৃত্ববৈষম্য।
এ ক্যাডারগুলোর মধ্যে কোনো কোনো ক্যাডার অত্যন্ত লোভনীয়। যেমন কোনো কোনো ক্যাডার রয়েছে যেগুলোতে বিত্তের পাহাড় গড়ে তোলা যায়, কেউ কেউ সেগুলো পছন্দ করেন, কেউ কেউ পছন্দ করেন ক্ষমতার দাপট, কেউ কেউ প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ার কারণে অপছন্দের ক্যাডার নেন। বিসিএস পরীক্ষায় সাধারণত পছন্দের প্রথম তালিকায় থাকে পররাষ্ট্র, দ্বিতীয়ত প্রশাসন, তৃতীয়ত পুলিশ। পছন্দের তালিকায় এ ক্রম ঠিক না থাকলেও এ তিনটির মধ্যেই সাধারণত প্রথম-দ্বিতীয়-তৃতীয় থাকে। এরপর আর ঠিক থাকে না।
পছন্দক্রম নিচের দিকে ক্রমাগত নামতে নামতে শিক্ষা ক্যাডার পর্যন্ত চলে আসে। তবে সংখ্যায় কম হলেও অনেকেই আছেন যাঁরা শিক্ষকতা ছাড়া অন্য কোনো ক্যাডার পছন্দ করেন না। এর বাইরে যাঁরা প্রকৌশলী, চিকিৎসক কিংবা কৃষিবিদ রয়েছেন তাঁরা সাধারণত টেকনিক্যাল ক্যাডারেই থাকেন। যাঁরা প্রকৌশলী, চিকিৎসক, কৃষিবিদ হন তাঁরা তুলনামূলক অন্য ক্যাডারের কর্মকর্তাদের চেয়ে বেশি মেধাবী। তবে কর্মক্ষেত্রে এই মেধাবীরা তুলনামূলক উপেক্ষিত। তার মধ্যে স্বাস্থ্য ক্যাডারের চেয়ে কর্মক্ষেত্রে অবহেলিত অবস্থা আর কোনোটিতেই নেই। বর্তমানে প্রশাসন ক্যাডারের বিচারিক ক্ষমতা না থাকলেও তারা ব্রাহ্মণ অবস্থা থেকে সরে আসেনি।
ক্যাডারভিত্তিক বৈষম্যের নানা ধরন রয়েছে। যেমন ধরা যাক কোনো এক বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সব ক্যাডারের সব শাখায় কর্মকর্তা নিয়োগ হলো। একই দিনে পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হলো, আবার একই দিনে তাঁদের যোগদান হলো। তাঁরা যদি তাঁদের পদোন্নতির শর্ত পূরণ করেন, তাহলে তাঁদের একই দিনে পদোন্নতি হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু তা হচ্ছে না। পদোন্নতির ক্ষেত্রেও রয়েছে নানা জটিলতা। যেমন স্বাস্থ্য ক্যাডারের পদোন্নতির জন্য তাঁদের অতিরিক্ত ডিগ্রি থাকা চাই। একই যোগ্যতা কিংবা চিকিৎসকদের চেয়ে কম যোগ্যতা নিয়ে পদোন্নতি পেয়ে হয়তো কেউ ক্যাডারের সর্বোচ্চ পদে আসীন হচ্ছেন, আর চিকিৎসকদের হয়তো প্রবেশ পদেই সারা জীবন থাকতে হচ্ছে। শিক্ষা ক্যাডারসহ অনেক ক্যাডারের জন্য শুধু বিভাগীয় পরীক্ষা, বনিয়াদি কোর্স সিনিয়র স্কেল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই পদোন্নতি হয়। প্রশাসন ক্যাডার, পুলিশ ক্যাডারসহ কিছু কিছু ক্যাডারের কিছুদিন বেশি প্রশিক্ষণ প্রয়োজন হয়। সব ক্যাডারের জন্য যদি আর কোনো উচ্চতর ডিগ্রির প্রয়োজন না হয়, তাহলে স্বাস্থ্য ক্যাডারের জন্য কী কারণে অতিরিক্ত ডিগ্রির প্রয়োজন হবে? বিসিএস পরীক্ষার সময় যে যোগ্যতার ভিত্তিতে পরীক্ষা হয়, তাতে চিকিৎসা ক্যাডারের অনেকেই অন্য অনেক ক্যাডারের চেয়ে বেশি দিনের শিক্ষাজীবন নিয়ে পরীক্ষা দিয়ে থাকেন। তার পরও তাঁদের পদোন্নতি পাওয়ার সময় আরও বেশি ডিগ্রি চেয়ে তাঁদের প্রতি অবহেলা প্রকাশ করা হয়েছে। চিকিৎসকদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে উচ্চতর ডিগ্রিকে অধিক যোগ্যতা হিসেবে ধরে নিয়ে অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়া যেতে পারে। অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তার সমান অথবা অধিক যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও চিকিৎসা ক্যাডারদের পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে, যা হওয়া উচিত নয়। ২৮টি ক্যাডারের মধ্যে স্বাস্থ্য ক্যাডার একমাত্র ক্যাডার, যেখানে প্রবেশকালীন যোগ্যতার চেয়ে আরও অনেক বেশি ডিগ্রি প্রয়োজন হয় পদোন্নতিতে। অন্য সব ক্যাডারে প্রবেশকালীন যোগ্যতাই তাঁকে সর্বোচ্চ পদে আসীন করার জন্য যথেষ্ট।
ক্যাডারগুলোতে পদ শূন্য সাপেক্ষে পদোন্নতি হয়। দেশের অনেক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পদ না থাকলেও স্বীয় পদেই ভাসমান পদোন্নতি দেওয়ার বিধান আছে। প্রয়োজনে ক্যাডার সার্ভিসে সেই বিধান কার্যকর করা যেতে পারে। শুধু নির্দিষ্ট ক্যাডার ধরে নয়, যখন পদোন্নতি হবে তখন সেই বিসিএসের সব কর্মকর্তার পদোন্নতি হওয়া প্রয়োজন। পদ শূন্য থাকা সাপেক্ষে পদে আসীন হবেন কিন্তু পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হবেন না। ব্যাচভিত্তিক পদোন্নতি না হওয়ার কারণে একই ক্যাডারেও চলছে সীমাহীন বিশৃঙ্খলা। যেমন শিক্ষা ক্যাডারের ২৪তম বিসিএস উদ্ভিদবিজ্ঞানের সব কর্মকর্তার পদোন্নতি হয়নি। কিন্তু ইংরেজি বিভাগের কর্মরত ২৪, ২৫ এবং ২৬তম বিসিএস কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হয়েছে। এ ক্ষেত্রে উদ্ভিদবিজ্ঞানের ২৪তম বিসিএসের কর্মকর্তা সিনিয়র, নাকি পরের ২৬ ব্যাচের ইংরেজি বিভাগের কর্মকর্তা সিনিয়র? একই প্রতিষ্ঠানে কে কাকে স্যার সম্বোধন করবেন আর কে কাকে সাহেব সম্বোধন করবেন? শিক্ষা ক্যাডারের বিশৃঙ্খলার সামান্য উদাহরণ এটি। সামগ্রিক পরিস্থিতি আরও ভয়ানক। সহযোগী অধ্যাপক উপাধ্যক্ষের অধীনে থাকেন বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক।
বিদ্যমান পরিস্থিতিতে উপজেলায় যে প্রকৌশলী-চিকিৎসক-কৃষি কর্মকর্তা থাকেন, তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অধীনে থাকেন। প্রশাসন ক্যাডারের একজন তরুণ কর্মকর্তা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হন। অন্যদিকে সেই নির্বাহী কর্মকর্তার চেয়ে অনেক সিনিয়র এবং তাঁর চেয়ে মেধায় ও যোগ্যতায় অনেক বেশি থাকা সত্ত্বেও একজন চিকিৎসক-কৃষিবিদ-প্রকৌশলী পদোন্নতি না পেয়ে প্রবেশ পদেই হয়তো থাকেন। জেলা পর্যায়েও একই অবস্থা। এতে করে প্রশাসনিক ক্ষমতা প্রয়োগ করাটা সম্মানজনক হয় না। এ অবস্থার অবসান না হলে আন্তক্যাডার বৈষম্য দূর হবে না।
সব ক্যাডারের কর্মকর্তাদের চাকরিজনিত যেকোনো সিদ্ধান্তের জন্য যেতে হয় সচিবালয়ে। সেখানে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা সব ক্যাডারের ছোট-বড় সব বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিয়ে থাকেন। এতে করে সব ক্যাডারের যে প্রধান কর্মকর্তা মহাপরিচালকেরা রয়েছেন, তাঁদের ক্ষমতাকে ছোট করা হয়। সব মন্ত্রণালয়ের সচিব হওয়া প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট ক্যাডারের কর্মকর্তার। যেমন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব হবেন একজন কৃষিবিদ। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব হবেন একজন চিকিৎসক। এতে করে সরকারি চাকরির কাজে যেমন গতিশীলতা আসবে, তেমনি স্বাধীনভাবে সব ক্যাডার নিজ নিজ দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে পারবেন।
একই পরীক্ষা দিয়ে যাঁরা একই ব্যাচের বিসিএস কর্মকর্তা হচ্ছেন, তাঁদের প্রতি রাষ্ট্রীয় সুবিচার হচ্ছে তাঁদের চাকরিতে যোগ্যতাভিত্তিক সমান সুবিধা নিশ্চিত করা। বিসিএস ক্যাডারদের বিশৃঙ্খলা দূর করতে পদোন্নতিবৈষম্য আশু দূর করা প্রয়োজন।

তুহিন ওয়াদুদ
 শিক্ষক, বাংলা বিভাগ, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর।
wadudtuhin@gmail.com

শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০১৪

Telescope - আজকের বিষয় টেলিস্কোপ

Telescope - আজকের বিষয় টেলিস্কোপ

আস-সালামু-আলাইকুম।
কেমন আছেন সবাই?আশা করি আল্লাহ তায়ালার রহমতে ভালোই আছেন।
বিচিত্র বিশ্ব নিয়ে ধারাবাহিক টিউনের আজ লিখবো ৪র্থ পর্ব নিয়ে।আজকের বিষয় টেলিস্কোপ।আপনাদের সাহায্য আর দোয়া পেলে আরো ভালো লিখতে পারবো আশা করি।

টেলিস্কোপ কি?

টেলিস্কোপ হচ্ছে একটা আলোর বক্স।এটা আয়না অথবা লেন্সের মাধ্যমে মহাকাশের বিভিন্ন বস্তুর আলো সংগ্রহ করে।একটা প্রধান আয়না তার থেকে অপেক্ষাকৃত ছোট আয়নায় উক্ত বস্তুর প্রতিফলন ঘটিয়ে বস্তুর অবস্থান দৃশ্যমান করে তোলে।

টেলিস্কোপের ধরন

রিফ্রেক্টিং টেলিস্কোপ (Refracting Telescope):

আমরা সচরাচর যে টেলিস্কোপ দেখি সেটা এই টেলিস্কোপ।এই টেলিস্কোপ একটা বড় লেন্সের মাধ্যমে আলোর প্রতিসরন ঘটিয়ে দুরের বস্তুকে ছবির আকারে দৃশ্যমান করে।

রিফ্লেক্টিং টেলিস্কোপ ( Reflecting Telescope):

এই টেলিস্কোপ একটা বড় বাকানো আয়না দিয়ে অনেক দুরবর্তি তারা থেকে অস্পষ্ট আলো ছবি হিসেবে তুলে আনে।

রেডিও টেলিস্কোপ (Radio Telescope):

রেডিও টেলিস্কোপ তার শক্তির মাধ্যমে মহাকাশের বিভিন্ন তারা থেকে নির্গত অদৃশ্য তরঙ্গ তুলে ধরে।সবচেয়ে বড় রেডিও টেলিস্কোপ হচ্ছে ১০০০ ফিট।যা Arecibo, Puerto  Rico তে অবস্থিত এবং ওই দীপের পাহারের চুড়ায় স্থাপন করা হয়েছে।এটা স্বয়ংক্রিয় ভাবে পৃথিবীকে প্রদক্ষিন করে যখন পৃথিবী তার অংশ পরিবর্তন করে।

স্পেস টেলিস্কোপ (Space Telescope):

এই টেলিস্কোপ পৃথিবীতে বসা ইঞ্জিনিয়ারদের দাঁরা নিয়ন্ত্রিত হয় যা প্রতিদিন ২৪ ঘন্টা পৃথিবীকে প্রদক্ষিন করছে।

অতীতের ইতিহাস থেকেঃ

  • ১৬০৮ সালঃ ফ্লেমিস চশমা নির্মাতা হ্যানস লিপারসে তার আবিস্কৃত প্রথম টেলিস্কোপের জন্য পেটেন্টের আবেদন করেন।
  • ১৬০৯ সালঃ ইতালিয়ান বিজ্ঞানী গ্যালিলিও অনেক গুলো চশমার লেন্সের মাধ্যমে টেলিস্কোপ তৈরি করেন।
  • ১৬৬৮ সালঃ ইংরেজ বিজ্ঞানী আইস্যাক নিউটন একটি প্রতিফলিত টেলিস্কোপ আবিষ্কার করেন যা চশমার লেন্সের পরিবর্তে ২টি আয়না ব্যবহার করে।
  • ১৮৩৮ সালঃ জার্মান জ্যোতির্বিদ ফ্রেড্রিক বেসেল প্রথম টেলিস্কোপের সাহাযে একটি তারার(61 Cygni) দূরত্ব নির্ধারন করেন।যেটা কিনা প্রথম তারার দূরত্ব নির্নয় সুর্যের দূরত্ব নির্নয়ের পর।
  • ১৯১৯ সালঃ ৮ ফিটের হুকার টেলিস্কোপ( যা উইলসন পাহারের চুড়া, ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত ) প্রথম দেখায় যে আমাদের মহা বিশ্ব প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
  • ১৯৬২ সালঃ এরিয়াল ১ মহাকাশে উৎক্ষেপণ হয় যেটা প্রথম টেলিস্কোপ পৃথিবীকে প্রদক্ষিন করার জন্য।

হাবল টেলিস্কোপ (The Hubble Space Telescope):

  • হাবল হলো পৃথিবীর প্রথম এবং একমাত্র  টেলিস্কোপ যা মধ্যাকর্ষন শক্তির আয়ত্তে ভাসমান।
  • হাবল টেলিস্কোপ প্রথম মহাকাশে পাঠানো হয় ১৯৯০ সালের ২৪শে এপ্রিল।এটার জন্য খরচ হয়েছিলো ১.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
  • এটি ৪৩ ফিট দীর্ঘ যা পৃথিবী কে প্রতি ৯৭ মিনিটে একবার প্রদক্ষিন করে এবং এঁর গতি ৮ কিঃমিঃ প্রতি সেকেন্ড।
  • হাবল টেলিস্কোপ অতিবেগুনী থেকে অবলোহিত পর্যন্ত (১১৫-২৫০০ ন্যানোমিটারে) আলোর সব তরঙ্গদৈর্ঘ্যে দেখতে সক্ষম।
  • এই অত্যাশ্চর্য ক্ষমতা নিয়ে হাবল যা পর্যবেক্ষণ করে তার প্রেক্ষিতে প্রতি সপ্তাহে ১২০ গিগাবাইট তথ্য পাঠায়। এতো এতো তথ্য সংরক্ষণে তাই ম্যাগনেটো-অপটিক্যাল ডিস্ক ব্যবহৃত হয়।
  • হাবল, তার তোলা প্রথম ছবি পাঠায় ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দের ২০ মে, সেটা ছিল স্টার ক্লাস্টার NGC 3532’র একটা দৃশ্য।

টেলিস্কোপের মাধ্যমে মহাকাশের বস্তু দেখতে কেমন?

তারা শুধুমাত্র আলো দেয়না।এরা বিভিন্ন ধরনের শক্তিও প্রদর্শন করে।বিভিন্ন ধরনের টেলিস্কোপ বিভিন্ন ধরনের তারার শক্তি প্রদর্শন করে যা মহাকাশের শক্তির সক্রিয়তার অনন্য নিদর্শন।

গামা রশ্মি

আল্ট্রাভায়োলেট

অবলোহিত ছবি (পিন হুইল ছায়াপথ)

তরঙ্গ (হয়ার্লপুল ছায়াপথ)

আজ এই পর্যন্তই।আগামী পর্বে নতুন কিছু নিয়ে আলোচনা করবো।সবাইকে ধন্যবাদ কষ্ট করে পড়ার জন্য।
সুত্রঃEvery Fact you Never wanted to Know থেকে এবং ইন্টারনেট থেকে।

Post Of MUKUT

বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০১৪

Galaxy শব্দটি এসেছে গ্রীক শব্দ থেকে.. details

Galaxy শব্দটি এসেছে গ্রীক শব্দ থেকে.. details

আস-সালামু-আলাইকুম।
কেমন আছেন সবাই?আশা করি আল্লাহ তায়ালার রহমতে ভালোই আছেন।
বিচিত্র বিশ্ব নিয়ে ধারাবাহিক টিউনের আজ লিখবো ৩য় পর্ব নিয়ে।আজকের বিষয় মহাকাশের ছায়াপথ।আপনাদের সাহায্য আর দোয়া পেলে আরো ভালো লিখতে পারবো আশা করি।

ছায়াপথঃ

  • Galaxy শব্দটি এসেছে গ্রীক শব্দ থেকে।ছায়াপথ হলো বিশাল আকারের তারা ব্যবস্থা যা তৈরি হয় তারা, প্রচুর পরিমান গ্যাস এবং ধুলার সমন্বয়ে।
  • মিলিয়ন, বিলিয়ন, ট্রিলিয়ন তারার সমন্বয়ে ছায়াপথের আকার ও আকৃতির সৃষ্টি হয়।
  • কিছু ছায়াপথ আছে যাকে সক্রিয় ছায়াপথ বলা হয় তাদের রয়েছে অপ্রত্যাশিত শক্তি যা ব্ল্যাক হোল থেকে উৎপত্তি হয়।
  • এছাড়া কিছু ছায়াপথ আছে যা ছায়াপথ সংঘর্ষ থেকে সৃষ্টি হয়।

মহাবিশ্বে ছায়াপথের সংখ্যাঃ

আমাদের মহাবিশ্বে ছায়াপথের আসল সংখ্যা কত সেটা কেউ বলতে পারবেনা।কারন জ্যোতির্বিদেরা যতই মহাবিশ্বের দিকে তাকাচ্ছে আর খোজ করছে ততই তারা নতুন নতুন ছায়াপথ আবিষ্কার করছে।মহাবিশ্বের এখনো অনেক যায়গা আছে যেটা বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করতে পারেনি এবং কিছু কিছু যায়গা আছে যেখানে টেলিস্কোপ দিয়ে দেখা যায়না।জ্যোতির্বিদদের হিসাব অনুযায়ি আনুমানিক ১২৫ বিলিয়ন ছায়াপথ রয়েছে মহা বিশ্বে। !!!!!!!!!

ব্ল্যাক হোলঃ

  • ব্ল্যাক হোল হলো একটা এলাকা যেখানে ভয়াবহ মধ্যাকর্ষন শক্তি তার আশেপাশের সব কিছু কে নিজের দিকে টেনে এনে তার কেন্দ্রবিন্দুর একটা ছোট ছিদ্র দিয়ে নিচের দিকে ঢুকিয়ে ফেলছে।
  • এটাকে ব্ল্যাক বলা হয় কারন এটা আলোকে শুষে নিচ্ছে এবং আলো আর বেরোতে পারছেনা।
  • একটি ব্ল্যাক হোল তখনি সৃষ্টি হয় যখন একটা বড় তারা বিস্ফোরিত হয়।এই বিস্ফোরন কে বলা হয় সুপারনোভা।

খালি চোখে ছায়াপথ দেখাঃ

পৃথিবী থেকে ৩টি ছায়াপথ খুব সহজেই খালি চোখে দেখা যায়।সবচেয়ে ভালো যায়গা হলো মেরু অঞ্চল।
  • ১) এন্ড্রোমেডা।
  • ২) বিশাল মেগালানিক(Magellanic) মেঘ।
  • ৩) ছোট মেগালানিক(Magellanic) মেঘ।
রাতের আকাশে ভালো করে লক্ষ্য করলে দেখতে পাবো যে অনেক তারামন্ডল রয়েছে।যখন অমাবশ্যা থাকে তখন ভালো করে দেখা যায়।সেখানে আনুমানিক ২০০-৫০০বিলিয়ন তারা মন্ডল রয়েছে যা খালি চোখেই দেখা যায়।

অতীতের কিছু তথ্য কণিকাঃ

  • ১৭৮৪ সালঃ উইলিয়াম হার্শেল প্রথম কৃষ্ণগহ্বর (Milky Way) এর আকার ও আকৃতি অনুমান করেন।কিন্তু তিনি ভুল তথ্য উপস্থাপন করে বলেছিলেন যে আমরা এর মধ্যে অবস্থান করছি।
  • ১৯১৭ সালঃ ক্যালিফোর্নিয়ায় মাউন্ট উইলসন পাহারের চূড়ায় হুকার টেলিস্কোপ (Hooker Telescope - 8.2-ft) দিয়ে পর্যবেক্ষনের সময় প্রথম Andromeda Nebula ছায়াপথ দেখে প্রমানিত হয় যে ছায়াপথ (Galaxy) এবং কৃষ্ণগহ্বর (Milky Way) একে অন্যের থেকে আলাদা।
  • ১৯২৪ সালঃ এডউইন হাবল প্রমান করেন যে মহাবিশ্বে আরো অনেক ছায়াপথ রয়েছে যার প্রকার ভেদে রয়েছে বিভিন্ন আকার ও আকৃতি।
  • ১৯৮৫ সালঃ ভেরা রুবিন আবিষ্কার করে দেখান ছায়াপথের অনেক অংশে কালো জিনিস বিদ্যমান।

কিছু ছায়াপথের ছবিঃ

স্পাইরাল গ্যালাক্সিঃ

বেয়ার্ড স্পাইরাল গ্যালাক্সিঃ

ইলিপ্টিক্যাল গ্যালাক্সিঃ

ইরেগুলার গ্যালাক্সিঃ

সাইড থেকে ছায়াপথ দেখতে কেমনঃ

পার্শ থেকে দেখলে দেখা যায় ছায়াপথ একটা ফ্ল্যাট ডিস্ক এর মত। ১,০০,০০০ আলোকবর্ষ বিস্তৃত এবং ৪,০০০ আলোকবর্ষ গভীর।(এক আলোকবর্ষ=৯.৪৫ মিলিয়ন মিলিয়ন কিলোমিটার)। ছায়াপথের মাঝে রয়েছে ব্ল্যাক হোল যা সুর্যের থেকে ৩ মিলিয়ন বেশি শক্তি সম্পন্ন।
সুত্রঃEvery Fact you Never wanted to Know থেকে এবং ইন্টারনেট থেকে।
আজ এই পর্যন্তই।আগামী পর্বে নতুন কিছু নিয়ে আলোচনা করবো।সবাইকে ধন্যবাদ কষ্ট করে পড়ার জন্য।

Post Of MUKUT 

শুক্রবার, ১০ জানুয়ারি, ২০১৪

কিছু ইংরেজি শব্দের মজার তথ্য -funny English words

কিছু ইংরেজি শব্দের মজার তথ্য -funny English words

►80 কে letter marks বলা হ্য় কারণ L=12, E=5, T=20, T=20, E=5, R=18(অক্ষরের অবস্হানগত সংখ্যা) সুতরাং 12 5 20 20 5 18=80

►ইংরেজি madam ও reviver শব্দকে উল্টো করে পড়লে একই হবে।
►“a quick brown fox jumps over the lazy dog” বাক্যটিতে ইংরেজি ২৬টি অক্ষর আছে।
►“ i am” সবচেয়ে ছোট ইংরেজি বাক্য।
►“Education” ও “Favourite” শব্দে সবগুলো vowel আছে। 


►“Abstemious ও Facetious ” শব্দে সবগুলো vowel আছে। মজার ব্যাপার হল শব্দের vowel গুলো ক্রমানুসারে ( a-e-i-o-u) আছে।
►ইংরেজি Q দিয়ে গঠিত সকল শব্দে Q এর পরে u আছে।
►একই অক্ষরের পুনরাবৃত্তি না করে সবচেয়ে দীর্ঘ শব্দ হল Uncopyrightable।
►Rhythm সবচেয়ে দীঘ ইংরেজি শব্দ যার মধ্যে vowel নাই।

►Floccinaucinihilipilification সবচেয়ে বেশি vowel সমৃদ্ধ শব্দ যাতে ১৮টি vowel আছে।
►vowel যুক্ত সবচেয়ে ছোট শব্দ হল A (একটি) ও I (আমি) ।
►vowel বিহীন সবচেয়ে ছোট শব্দ হল By।
►গুপ্তহত্যার ইংরেজি প্রতিশব্দ Assassination মনে রাখার সহজ উপায়হল গাধা-গাধা-আমি-জাতি।
►Lieutenant শব্দের উচ্চারণ লেফট্যান্যান্ট বানান মনে রাখার সহজ উপায় হল মিথ্যা-তুমি-দশ-পিপড়া।
►University লেখার সময় v এর পরে e ব্যবহৃত কিন্তু Varsity লেখার সময় v এর পরে a ব্যবহৃত হয়।
►“Uncomplimentary” শব্দে সবগুলো vowel আছে। মজার ব্যাপার হলশব্দের vowel গুলো উল্টো ক্রমানুসারে ( u-o-i-e-a) আছে।
►“Exclusionary” ৫টি vowel সমৃদ্ধ এমন একটি শব্দ যার মধ্যে কোন অক্ষরের পূনারাবৃত্তি নাই।
►”study, hijak, nope, deft” শব্দগুলোর প্রথম ৩ টি অক্ষর ক্রমানুসারে আছে।
►“Executive ও Future“এমন দুটি শব্দ যাদের এক অক্ষর পর পর vowel আছে।
►Mozambique এমন একটি দেশের নাম যাতে সবগুলো vowel আছে।
►A1 একমাত্র শব্দ যাতে ইংরেজী অক্ষর ও সংখ্যা আছে।
************************
I এর পরে am বসে কিন্তু
I is the ninth letter of alphabet!!!!!!!!!!!!
It is raining.
Bristi is reading.
বাক্য দুইটির অর্থ কিন্ত একটাই, বৃষ্টি পড়ছে
আরও কিছু তথ্য...
►Stewardesses হল সবচেয়ে বড় ইংরেজি শব্দ যা কিবোর্ডে লিখতে শুধু বাম হাত ব্যবহৃত হয়।
►Dreamt একমাত্র ইংরেজি শব্দ যার শেষে mt আছে ।
►ইংরেজিতে ৩টি শব্দ আছে যাদের শেষে ceed আছে । সেগুলো হলঃ proceed , exceed , succeed
►Almost সবচেয়ে বড় ইংরেজি শব্দ যার বর্ণগুলো ক্রমানুসারে আছে ।
►ইংরেজিতে মাত্র ৪টি শব্দ আছে যাদের শেষে dous আছে। এগুলো হলঃ tremendous , horrendous , stupendous , hazardous
►Lollipop হল সবচেয়ে বড় ইংরেজি শব্দ যা কিবোর্ডে লিখতে শুধু ডান হাত ব্যবহৃত হয়।
► screeched হল এক syllable বিশিষ্ট সবচেয়ে বড় ইংরেজি শব্দ।
►Underground এমন একটি শব্দ যা প্রথম ৩টি অক্ষর und শেষেও রয়েছে।
►set শব্দের সবচেয়ে বেশি অর্থ রয়েছে।
►therein এমন একটি শব্দ যা থেকে কোন রকম সাজানো ছাড়াই ১০টি নতুন শব্দ তৈরী করা যায়। সেগুলো হলঃ the, there, he, in, rein, her, here, ere, therein, herein
►Typewriter সবচেয়ে বড় ইংরেজি শব্দ যা কিবোর্ডে লিখতে শুধু উপরের সারি ব্যবহৃত হয়।
►indivisibility এমন একটি শব্দ যাতে একটি মাত্র vowel i ৬ বার আছে।
► Bookkeeper শব্দে ৩ জোড়া অক্ষর oo,kk,ee পাশাপাশি আছে।
►understudy এমন একটি শব্দ যাতে ৪টি ক্রমিক অক্ষর rstu আছে।
► queue একমাত্র ইংরেজি শব্দ যার শেষের ৪ অক্ষর বাদ দিলেও একই উচ্চারণ হয়