Breaking News লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Breaking News লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ৪ মে, ২০১৬

যুক্তরাষ্ট্রে  বছরে প্রায় আড়াই লাখ রোগীর মৃত্যু  হয়, ভুল ওষুধ ও চিকিৎসক-নার্সদের ভুলের কারণে।

যুক্তরাষ্ট্রে বছরে প্রায় আড়াই লাখ রোগীর মৃত্যু হয়, ভুল ওষুধ ও চিকিৎসক-নার্সদের ভুলের কারণে।

যুক্তরাষ্ট্রে ভুল চিকিৎসার কারণে প্রতিদিন ৭০০ জন মারা যায়। হাসপাতালের ভুল, ভুল ওষুধ ও চিকিৎসক-নার্সদের ভুলের কারণে বছরে প্রায় আড়াই লাখ মানুষের মৃত্যু ঘটে উন্নত এই দেশটিতে, যা বছরের মোট মৃত্যুর সাড়ে ৯ শতাংশ। 
গতকাল মঙ্গলবার একটি ব্রিটিশ চিকিৎসা সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটির সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক মার্টিন ম্যাকারি পরিচালিত এ গবেষণা প্রতিবেদনে চিকিৎসাবিভ্রাটের সব বিষয়কে আমলে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে চিকিৎসাসেবা নেওয়া অবস্থায় ভুল ওষুধ সেবন করানো, অপচিকিৎসা, অবহেলা, পদ্ধতিগত ত্রুটিসহ চিকিৎসার সময়ে বিভিন্ন বিভাগের সমন্বয়বিভ্রাটকে চিহ্নিত করা হয়েছে। 
গবেষণাপত্রে দেখানো হয়েছে, অসুখে নয়, রোগী মারা যাচ্ছে প্রত্যাশিত সেবা গ্রহণের ত্রুটির কারণে। 
গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোগীর সেবা নিয়ে হাসপাতালসহ সেবাকেন্দ্রগুলো উচ্চকণ্ঠ থাকলেও অবহেলা ও বিভ্রাটে রোগীর মৃত্যুর বিষয়টি তেমন জনসমক্ষে নিয়ে আসা হয় না। 
বেথ ইসরাইল মেডিকেল সেন্টারের পরিচালক ক্যানেথ সেন্ডস বলেছেন, সম্প্রতি চিকিৎসাবিভ্রাটে মৃত্যু নিয়ে অনেক হইচই হলেও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। বিষয়টিকে রীতিমতো উৎকণ্ঠার বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, অন্যান্য সেবা খাতের সঙ্গে তুলনা করলে চিকিৎসা খাতে বিভ্রাটকে সহিষ্ণুতার সঙ্গে দেখা হচ্ছে। বিমান পরিবহনে সেবা দেওয়ার জন্য যে শৃঙ্খলা ও নিয়মনীতিকে কঠোরভাবে মানা হয়, চিকিৎসার ক্ষেত্রে তা-ও করা হয় না। 
চিকিৎসাসেবার মান উন্নত করা ও চিকিৎসাবিভ্রাটের কারণে মৃত্যুর বিষয়টি জনসমক্ষে নিয়ে আসা জরুরি বলে মত প্রকাশ করেছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ক্যানেথ সেন্ডস.
-------------------------------
email- DoctorShadhin@gmail.com

রবিবার, ১০ জানুয়ারি, ২০১৬

দ্বিগুণ হচ্ছে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাতা..

দ্বিগুণ হচ্ছে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাতা..


সরকারি মেডিকেল কলেজের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মাসিক ভাতা দ্বিগুণ হচ্ছে। চলতি মাসেই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের একাধিক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, বর্তমানে রাজধানীসহ সারাদেশের ২৩ সরকারি মেডিকেল কলেজে ইন্টার্ন চিকিৎসকের সংখ্যা প্রায় আড়াই হাজার। এমবিবিএস পাশের পর মেডিকেল কলেজে এক বছরের ইন্টার্নশিপ করার সময় ডাক্তাররা এতদিন ১০ হাজার টাকা করে ভাতা পেতেন। সম্প্রতি চিকিৎসকরা ইন্টার্ন ভাতা দ্বিগুণের দাবিতে মানববন্ধন ও অবস্থান ধর্মঘট শুরু করে। এর প্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার।

বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) মহাসচিব ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলান জাগো নিউজকে জানান, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবনা বিএমএ’র পক্ষ থেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে (চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন শাখায়) জমা রয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী চিকিৎসা ভাতা দ্বিগুণ করার পক্ষে। খুব শিগগিরই ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মাসিক ভাতা  দ্বিগুণ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন এ চিকিৎসক নেতা।

এদিকে, চিকিৎসক নেতাদের কাছে মাসিক ভাতা বৃদ্ধির ব্যাপারে প্রায় শতভাগ  নিশ্চয়তা পাওয়ায় খুশীর জোয়ারে ভাসছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে তারা ঘোষণা শোনার অপেক্ষায় রয়েছেন এবং ভাতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত গ্রহণে সম্মত হওয়ায় স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে আগাম ধন্যবাদ জানিয়ে স্ট্যাটাস দিচ্ছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্বাস্থ্য অধিদফতরের একাধিক কর্মকর্তা জানান, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মাসিক ভাতা বাবদ বর্তমানে ২৫ কোটি টাকা খরচ হচ্ছে। ভাতা দ্বিগুণ হলে ৫০ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে।

তারা বলেন, গত বেশ কয়েক বছর ধরে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাতা অপরিবর্তিত রয়েছে। কিন্তু ইতোমধ্যেই দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিসহ জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে। ফলে চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধির দাবি যৌক্তিক।

মাসিক ভাতা দ্বিগুণের খবরের সত্যতা সম্পর্কে স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা ও জনশক্তি উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. আবদুর রশীদ বলেন, ভাতা বৃদ্ধির প্রস্তাবটি মন্ত্রণালয়ে বিবেচনাধীন রয়েছে। এ মাসের  মধ্যে বেতন-ভাতা বৃদ্ধির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে

Source- Jagonews24.com

মঙ্গলবার, ৫ জানুয়ারি, ২০১৬

হয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে আলাদা করুন নয়তো সচিবালয়কে উন্মুক্ত করে দিন .।

হয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে আলাদা করুন নয়তো সচিবালয়কে উন্মুক্ত করে দিন .।


কয়েক বছর আগে পত্রিকায় দেখলাম ডি.সি. পোস্টের জন্য বাছাই পরীক্ষায় ইংরেজী চিঠি ড্রাফট করতে গিয়ে ৩২ জনের মধ্যে মাত্র দুজন কাজটি সঠিকভাবে করতে পেরেছিলেন। শতকরা হিসেবে ৬% মাত্র।
এখন চিন্তা করুন আমাদের সচিবালয়ের কি করুন দশা। এটা হয়তো আসল চিত্র না, তারপরও আসল চিত্রটা কতটুকু আর উন্নতর হবে?
প্রশাসনিক ক্যাডারের এ সব কর্মকর্তারা অন্য সব ক্যাডারের উপর ছড়ি ঘুরাবেন কোন যুক্তিতে? ফেলটুরা সচিবালয়ে প্রবেশাধিকার পেলে পেশাজীবিদের জন্য সচিবালয়ের পথ বন্ধ থাকবে কেন?
আমরা তো মনে করি সচিবালয়ে যোগদানের বিষয়টা উন্মুক্ত ও নিরপেক্ষ প্রতিযোগীতার মাধ্যমে হওয়া উচিত।দেশ গড়ার সুতিকাগারের দায়িত্বটা মেধাবীদেরই হাতে থাকা উচিত, তা যে প্রফেশন থেকেই আসুন না কেন?
প্রশাসনিক ক্যাডারের একজন কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত হন তারপর নানান স্তর পেরিয়ে সচিবালয়ে প্রবেশ করেন। এ গতিপথে এমন কি গায়েবী জ্ঞান অর্জন করে ফেলেন যে, তিনি একাধারে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, প্রকৌশল, কৃষি, পানি সম্পদ ইত্যাদি টেকনিকেল মন্ত্রনালয় সমুহের প্রায়োগিক ও অবকাঠামোগত বিশেষজ্ঞ হয়ে তার ৮/১০ ব্যাচ সিনিয়র পেশাজীবিদের উপর ছড়ি ঘুরানোর ক্ষমতালব্ব্দ হন। এটা নিতান্তই হাস্যকর ও ডগমেটিক একটা ব্যাপার নয় কি?
পেশাজীবি ক্যাডাররা প্রশাসনিক ক্যাডারের জুনিয়র ব্যাচের একজনকে কেন স্যার সম্বোধন করবেন?
এর জবাব কি রাষ্ট্রের কাছে আছে? এ সব প্রশাসনিক এনারকি গুলোর সংষ্কার অতীব জরুরী।
সাবেক মন্ত্রীপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার স্বীকার করে বলেছেন, ‘প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী পদে চাকরির জন্য পৃথিবীর কোথাও এক্সট্রাঅডিনারি মেধাবীরা ভীড় জমান না। ট্যালেনটেড যারা তারা আবিষ্কার করেন নতুন কিছু সৃষ্টি করেন। দ্বিতীয় ও তৃতীয় সারির মেধাবীরা সেসব প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে জীবন পার করে দেন’।
স্বাধীনতার পর দেশে জনবল সংকট ছিল তখন বিশেষ পরিস্থিতিতে তা গ্রহনযোগ্য ছিল, এখন সে প্রেক্ষাপট বদলে গেছে, ডিজিটাল যুগেও সে প্রথা কেন রয়ে যাবে?
সার্ক দেশ সমুহের মধ্যে কোথায় এ সিস্টেম আছে?
আমরা বলছি না, সচিবালয়ে মেধাবীরা নেই, দেশের নামকরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পরীক্ষায় ভাল রেজাল্টধারী অনেকেই সেখানে আছেন।কিন্তু তাদের অাধিপত্য কি খুব বেশী আছে। আমরা ঢালাওভাবে একটি বিশেষ ক্যাডারের অনৈতিক আধিপত্যের অবসান ঘটিয়ে দেশের নীতি নির্ধারনী ফোরামে সকল মেধাবীদের সুযোগ দেয়ার কথা বলছি।স্বাধীনতার ৪৫ বছর পর প্রশাসনের মূল কেন্দ্রে ২য় বা তৃতীয় শ্রেণীর কর্মকর্তাদের অাধিপত্য কেন থাকবে?
চিকিৎসকদের অনেক সমালোচনা সত্বেও তাদের অনেক অর্জন আছে দেশ ও জাতির জন্য।আমলাদের অর্জনটা কি? বিশ্বে বাংলাদেশ সচিবালয়ের গ্রেডিং কত?
দুর্নীতির চ্যাম্পিয়নশীপের দায়ভার কেবল রাজনৈতিক নেতাদের মাথায় থাকবে কেন? দুর্নীতির অভিযোগের সর্বাগ্রে দায় দায়িত্ব নেয়ার কথা ‘পলিসি মেকার’ আমলাদের। কারন রাজনৈতিক দল আসা-যাওয়ার মধ্যেই থাকে, সচিবালয় স্থায়ী। কিন্তু বরাবরই এ সব ব্যর্থতা সুচতুর সচিবরা রাজনৈতিক দলের ঘাড়ে চালান করে পার পেয়ে যান।
সাবেক সচিব আকবর আলী খানের ভাষায় আমাদের আমলাতন্ত্র বৃটিশদের রেখে যাওয়া এক প্রশাসনিক isomorphism. বাইরে ফিটফাট ভেতরে বেশ রুগ্ন ও দুর্বল। তাদের কাজ কর্ম অনেকটা প্রাণীদেহের molecular mimacry টাইপ। বিষহীন সর্প যেমন গায়ের রঙ পরিবর্তন করে শিকারীকে ভয় দেখায়।
রাজনৈতিক দল গুলো যতই প্রতিশ্রুতি দিক না কেন সচিবালয়ের সংষ্কার ও গনমুখী প্রশাসন ছাড়া কর্মসূচীর সুফল পাবে না জনগন। এ সংষ্কার অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল। কোঠারী স্বার্থবাদীদের উৎপাটন না করে সৎ ও দক্ষ প্রশাসন গড়া সম্ভব না।
অযোগ্য ও অসৎ কর্মকর্তাদের বাদ দিয়ে প্রতিযোগীতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রশাসনে সব পেশার মেধাবীদের প্রবেশের সুযোগ দেয়া প্রয়োজন। এটা সময়ের দাবী।
একটা কথা প্রচার সুকৌশলে করা হয় যে, ডাক্তাররা প্রশাসন বুঝেন না।মনে হয় এরা দেশের ‘অটিস্টিক শিশু’।
কিন্তু প্রশ্ন হলো ডাক্তারদের কি ইউ.এন.ও বা ডি.সি ‘র সমান ক্ষমতা দেয়া হয়েছে? হাত পা বেধে কি প্রশাসক হওয়া যায়? এ ব্যবস্থায় একজন চিকিৎসক সমন্বয়কারীর ভূমিকায় রাখতে পারে মাত্র। যা চিকিৎসকরা যোগ্যতার সাথেই করছে।
সচিবালয়ের দার উন্মুক্ত করুন দেশের শয়ে শয়ে মেধাবী ডাক্তার তৈরী আছে। তখন দেখা যাবে চিকিৎসকরা প্রশাসন বুঝেন কিনা। প্রশাসনিক নির্বাহী হওয়ার হাতছানি ছাড়া একজন চিকিৎসক নিজেকে সেভাবে গড়তে যাবেন কেন।
সচিবালয় যদি উন্মুক্ত না করতে পারেন তাহলে চিকিৎসকদের এ মুহুর্তের দাবী স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়কে আলাদা করে তার জন্য আলাদা বেতন কাঠামো ও বিধি প্রণয়নের সুযোগ দেয়া হোক।
বিশ্বের অনেক দেশেই এটা করে সুফল পাওয়া গেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহ বিশ্বের অনেকগুলো দেশেই চিকিৎসকরাই উচ্চ বেতনধারী পেশাজীবির মর্যাদাপ্রাপ্ত। বেসরকারী মেডিকেলের কিছু অব্যবস্থাপনা সত্বেও এখনও পর্যন্ত গড়পড়তা হিসেবে দেশের বেশীর ভাগ মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীর সমাবেশ এ পেশাতেই।
পোষ্ট না থাকা সত্বেও শয়ে শয়ে অতিরিক্ত সচিব, যুগ্ম সচিব পদোন্নতি নিয়ে জনগনের টাকার শ্রাদ্ধ করতে পারেন আর স্বাস্থ্য ক্যাডারের একজন মেধাবী চিকিৎসক সারা জীবন গ্রামে থেকে মেডিকেল অফিসার হিসেবে অবসরে যাবেন এই অসম কৌতুককর অবস্থার কখন অবসান ঘটবে?
কেন চিকিৎসকরা পরিশ্রমের মর্যাদা পাবেন না? তাদের পোস্টিং দেবেন কিন্তু অফিস দেবেন না, অফিস থাকলে ও আসবাব নেই, আবাসিক ব্যবস্থা নেই, গাড়ী নেই, প্রমোশন নেই, ২৪ ঘন্টা শ্রম ঘন্টার বেতন নেই……. নেই তো নেই তা নিয়ে চিকিৎসকদের খেদোক্তি নেই। তারপরও যদি থাকত যথার্থ মর্যাদা আর নিরাপদ কাজের পরিবেশ।
এতটুকু প্রত্যাশা দেশের মেধাবী সন্তান হিসেবে নিশ্চয় বেশী না। কাজের ধরন ও পরিবেশ বিবেচনায় চিকিৎসকরা অন্য পেশার প্রতিদ্বন্ধী অবশ্যই না, এবং সে রকম তারা মনেও করে না।তারপরও তারা বৈষম্যের শিকার কেন হবে? রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় কেন অবহেলিত থাকবে।
এ সব সমস্যা নিরসনে পেশাজীবিদের মোর্চাও তেমন সক্রিয় না।আমাদের পেশাজীবি মোর্চাগুলো পেশার চেয়েও রাজনৈতিক সংযোগ রক্ষায় অধিক মনোযোগী বিধায় দাবী আদায়ে আকাংখিত ফলাফল পান না।
এখন সময় এসেছে ঐক্যবদ্ধভাবে কার্যকর ও যৌক্তিক আন্দোলন গড়ে তোলার।#

লেখা -  ডাঃ রেজাউল করিম 


রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০১৫

সকল মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর

সকল মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর




২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস/বিডিএসের প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষার নতুন পুনর্নির্ধারণ করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। দেশের সকল মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর।
রোববার পরীক্ষার তারিখ পুনর্নির্ধারণ করে মন্ত্রণালয়। এর আগে ভর্তির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ অক্টোবর। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা পরীক্ষিত চৌধুরী তারিখ পরিবর্তনের এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের চিকিৎসা শিক্ষা বিভাগের পরিচালকের দফতর থেকে জানা গেছে, দেশে বর্তমানে ২৯টি সরকারি মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস কোর্সে ৩ হাজার ১৬২টি আসন এবং ৬৪টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ৫ হাজার ৩২৫টি আসন রয়েছে। এ ছাড়া নয়টি সরকারি ডেন্টাল কলেজ ও মেডিকেল কলেজগুলোর ডেন্টাল ইউনিট মিলিয়ে বিডিএস কোর্সে মোট ৫৩২টি ও ২৪টি বেসরকারি ডেন্টাল কলেজে ১ হাজার ২৮০টি আসন রয়েছে।

শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০১৫

৫১ ওষুধের রেজিস্ট্রেশন বাতিল, না কেনার অনুরোধ সরকারের-

৫১ ওষুধের রেজিস্ট্রেশন বাতিল, না কেনার অনুরোধ সরকারের-

রেনাটা, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, অপসোনিন, বেক্সিমকো, দ্য ইবনে সিনাসহ বেশ কয়েকটি কোম্পানির উৎপাদিত ৫১টি ওষুধের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করেছে ওষুধ প্রশাষন অধিদপ্তর। 

প্যারাসিটামল, পায়োগ্লিটাজন ও রসিগ্লিটাজন গ্রুপের বাতিলকৃত ওষুধসমূহের উৎপাদন, ক্রয়, বিক্রয়, বিতরণ, মজুদ ও প্রদর্শন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। জনসাধারণকে এসব ওষুধ ব্যবহার না করার জন্যও বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।  

অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মোস্তাফিজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।


নিষিদ্ধ ঘোষিত ওষুধসমুহ হলো- রেনাটা লিমিটেড, মিরপুর ও রাজেন্দ্রপুরের প্যারাডট ট্যাবলেট, মিরপুরের পায়োগ্লিন ৩০ ট্যাবলেট, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের এইস সফট ট্যাবলেট, টস-৩০ ট্যাবলেট, টস-৪৫ ট্যাবলেট, সেনসুলিন ২ ট্যাবলেট, বেক্সিমকো ফার্মার নাপাসফট ট্যাবলেট, পায়োগ্লিট ৩০ ট্যাবলেট, পায়োগ্লিট ৪৫ ট্যাবলেট, ড্রাগ ইন্টারন্যাশনালের ফিভিমেট ট্যাবলেট, পায়োজেনা ৩০ ট্যাবলেট, রোমেরল ২ ট্যাবলেট, রোমেরল ৪ ট্যাবলেট, দ্য একমি ল্যাবরেটরিজের ফাস্ট-এম ট্যাবলেট, বায়োফার্মার এসিটা সফট ট্যাবলেট, প্রিগলিট-৩০ ট্যাবলেট, অপসো স্যালাইনের জিসেট ট্যাবলেট, অপনোনিন ফার্মার রেনোমেট ট্যাবলেট,পাইলো ৩০ ট্যাবলেট, এসকেএফ’র টেমিপ্রো ট্যাবলেট, ইউনিমেড এন্ড ইউনিহেলথ’র একটোস ৩০ ট্যাবলেট, এসিআই লিমিটেডের ডায়াট্যাগ ৪৫ ট্যাবলেট, জেনারেল ফার্মাসিউটিক্যালসের রসিগ্লিট ২ ট্যাবলেট, রসিগ্লিট ৪ ট্যাবলেট, এরিস্টোফার্মার গ্লুকোরস ২ ট্যাবলেট, গ্লুকোরস ৪ ট্যাবলেট, গ্লুকোজন ৩০ ট্যাবলেট, ডেল্টা ফার্মার রসিট-৪ ট্যাবলেট, মিল্লাত ফার্মার পায়োট্যাব ৩০ ট্যাবলেট, ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসের পায়োডার ৩০ ট্যাবলেট, কেমিকো ফার্মাসিউটিক্যালসের ওগলি ৩০ ট্যাবলেট, ট্যাজন -৪ ট্যাবলেট, ডক্টরস কেমিক্যাল ওয়ার্কস লিমিটেডের পায়োজন ৩০ ট্যাবলেট, অ্যালকো ফার্মার পায়োলিট ৩০ ট্যাবলেট, দ্য হোয়াইট হর্স ফার্মার লিট-৩০ ট্যাবলেট, আদ-দ্বীন ফার্মাসিউটিক্যালসের পিজোবেট ৩০ ট্যাবলেট, নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালসের ডায়াটাস ৩০ ট্যাবলেট, শরীফ ফার্মাসিউটিক্যালসের প্যারামিন ট্যাবলেট, পিগজন ৩০ ট্যাবলেট, সোমাটেক ফার্মাসিউটিক্যালসের একটেল-এম ট্যাবলেট, লিওন ফার্মাসিউটিক্যালসের মেটেস ট্যাবলেট, জিসকা ফার্মাসিউটিক্যালসের পামিক্স এম ট্যাবলেট, নোভেল্টা বেস্টওয়ে ফার্মাসিউটিক্যালসের নরসফট ট্যাবলেট, প্যাসিফিক ফার্মাসিউটিক্যালসের পিগ্লিট ৩০ ট্যাবলেট, রগ্লিট ৪ ট্যাবলেট ও মেডিমেট ফার্মা লিমিটেডের  ডায়াপায়োট্যাব ৩০ ট্যাবলেট।

মেজর জেনারেল মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, সম্প্রতি ওষুধ নিয়ন্ত্রণ কমিটির ২৪৪তম সভায় এসব ওষুধের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কোম্পানি কর্তৃপক্ষকে এসব ওষুধ নিজস্ব চ্যানেলের মাধ্যমে বাজার থেকে প্রত্যাহার করে তার পরিমাণসহ অধিদপ্তরকে জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রেজিস্ট্রেশন বাতিলকৃত ওষুধসমূহের উৎপাদন, ক্রয়-বিক্রয়, বিতরণ, মজুদ ও প্রদর্শন সম্পূর্ণরুপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। 

source - Banglanews2.com