রোগ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
রোগ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৫

এনাটমির প্রফেসর ডাঃ মনসুর স্যার আর নেই

এনাটমির প্রফেসর ডাঃ মনসুর স্যার আর নেই


বাংলাদেশের এনাটমির লিজেন্ড প্রফেসর মনসুর খলিল স্যার আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন , ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন । আল্লাহ স্যারকে ক্ষমা করে দিয়ে জান্নাতবাসী করুন ।
আমার এখনও বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে , আরো খারাপ লাগছে মহসিন স্যারের জন্য , পৃথিবীতে উনি একবারেই একা হয়ে গেলেন ।
ফার্স্ট ইয়ারে স্যারের ক্লাস পেয়েছি , আমাদের সম্বোধন করতেন "শোন বাচ্চারা " বলে , এমফিল এর ফার্স্ট পার্ট এর ভাইবা উনার কাছেই দিয়েছি ।
এইত কয়দিন আগেও আমাদের নাদিয়া আপুর থিসিস ডিফেন্ড ভাইবা নিতে এসেছিলেন , দেখা হয়েছে তখনও । আমাদের সবাইকে একে একে আবার পরিচয় করিয়ে দিচ্ছিলেন মহসিন স্যার , আর আমাকে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার সময় বলছিলেন - এই ছেলেটা ইমিউনো কম্প্রোমাইজড , সারাবছর ঠান্ডা বাধায়ে বসে থাকে ।
ভাবতেই পারছি না , স্যারকে শেষবারের মত দেখতে পাব না , এনাটমিক্যাল সোসাইটির কনফারেন্সের জন্য ঢাকায় এসেছিলাম , ইচ্ছা ছিল শনিবার দেখা করব স্যারের সাথে ।
খুব ইচ্ছা ছিল আমার থিসিস ডিফেন্ড স্যারের কাছে দেব ।
আল্লাহ তুমি উনাকে মাফ করে দিও , জান্নাতি হিসেবে কবুল কোরো ।
নাদিয়া আপুর থিসিস ডিফেন্ডের সময় স্যার বলছিলেন - এমএমসি তোমার মা , এখান থেকে এমফিল ডিগ্রী নিয়ে যাচ্ছ , নিজের মা কে কখনও ভুলে যেও না ।
[ স্যারের জন্য সবাই খুব দোয়া করবেন প্লিজ ]

লেখা - ডাঃ যুবায়ের 

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০১৫

অগ্ন্যাশয় ক্যানসারে নতুন আশার আলো- ওনিভাইড ইনজেকশন,

অগ্ন্যাশয় ক্যানসারে নতুন আশার আলো- ওনিভাইড ইনজেকশন,


মারাত্মক প্যানক্রিস বা অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসারে আক্রান্তদের চিকিৎসায় নতুন আশার আলো বয়ে এনেছে ওনিভাইড নামের নতুন একটি ইনজেকশন।

জটিল অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসার চিকিৎসায় নতুন এই ওষুধকে সম্প্রতি অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা দি ইউএস ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন।

ওনিভাইডকে (ইরিনোটেকান লিপোসোম ইনজেকশন) ফ্লুরোরেসিল এবং লিউকোভোরিন নামের অপর দুটি ওষুধের সঙ্গে যৌথভাবে প্রয়োগের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

তবে কেমোথেরাপি নেয়ার পরও যেসব অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীর অবস্থার উন্নতি হয়নি শুধু সেসব রোগীর ক্ষেত্রেই ওষুধটি ব্যবহারের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

ইনজেকশনটির পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া এবং কার্যকারিতা নিশ্চিত হতে কমপক্ষে চারশ’ রোগীর ওপর পরীক্ষা নিরীক্ষা চালানো হয় বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। কেমোথেরাপি দেয়া হলেও এসব রোগীদের পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছিলো।

গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব রোগীর শরীরে ওনিভাইড ইনজেকশনটি ফ্লোরোরাসিল অথবা লিউকোভোরিন এর সঙ্গে দেয়া হয়েছে তাদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা কমপক্ষে ৬.১ মাস বৃদ্ধি পেয়েছে। অপরদিকে যাদের ক্ষেত্রে শুধু ফ্লোরোরাসিল অথবা লিউকোভোরিন ব্যবহার করা হয়েছে তাদের আয়ু বৃদ্ধি হয়েছে ৪.২ মাস। তবে শুধু ওনিভাইড ব্যবহারে কোনো ফল পাওয়া যায়নি। 

ওনিভাইড অগ্ন্যাশয়ের টিউমারের বৃদ্ধি প্রতিরোধ করে তাদের বৃদ্ধির হারকে শ্লথ করে দেয়। তবে ওনিভাইড ব্যবহারের ক্ষেত্রে ডায়রিয়া, বমি, মাথা ব্যথা, ক্ষুধা কমে যাওয়া, জ্বর প্রভৃতি পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াও দেখা গেছে রোগীদের শরীরে। 

ওষুধটিকে বাজারজাত করছে যুক্তরাষ্ট্রের কেমব্রিজের মেরিম্যাক ফার্মাসিউট্যাকালস। দেশটিতে প্রতি বছর ৪৯ হাজার জন অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীকে শনাক্ত করা হয়।  আর এ রোগে বছরে মারা যায় ৪০ হাজারের ওপর মার্কিনী।

সাধারণত রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসারকে শনাক্ত করা কঠিন এবং এর চিকিৎসাও অত্যন্ত জটিল।

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

 চিকিতসকদ্বয়ের  রিপোর্ট  নির্ভুল, পেশেন্টের কোনো ব্লাড ক্যান্সার নেই,

চিকিতসকদ্বয়ের রিপোর্ট নির্ভুল, পেশেন্টের কোনো ব্লাড ক্যান্সার নেই,

প্যাথলজি ল্যাবগুলোর ভুল কিংবা সাংঘর্ষিক রিপোর্টের কারণে অনেক রোগী বাড়তি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন প্রতিনিয়ত,
ভুল রিপোর্টের কারনে  একদিকে রোগীর শারীরিক,  মানসিক ও আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে।
অন্যদিকে চিকিতসক ও রোগীদের মাঝে ভুল বুঝাবুঝি বাড়ছে ।

এমন এমন কিছু কিছু রিপোর্ট চোখে পড়েছে,
যা  দেখে মেজাজটাই নষ্ট হয়ে গেছে,

একটা রোগীর CBC রিপোর্টে
সবকিছু মোটামুটি ঠিক আছে,
কিন্তু Atypical Cell - 20%
আর কমেন্টসে  লেখা Suggestive to Leukaemia  তথা  ব্লাড ক্যান্সার  ।
রিপোর্ট  অনুযায়ী পেশেন্ট পার্টিকে কাউন্সিলিং করা হলো,
রিপোর্টে  আপনার পেশেন্ট এর ব্লাড  ক্যান্সার ধরা পড়েছে,
তবে আমি এই রিপোর্টে   সন্তুষ্ট  না,
সন্দেহ পোষন করছি,

আপনারা অমুক স্যারকে দিয়ে আবার রিপোর্ট করান তখন শিওর হয়ে আপনাদেরকে পরবর্তী চিকিতসা জানাবো,
ঐ স্যার ও আরেকজন সিনিয়র স্যারকে দিয়ে রিপোর্ট  করা হলো,
দুই স্যারের রিপোর্টে    Atypical Cell তো একটাও পাওয়া যায় নি, এবং leukaemia এর
ফেভারে কোনো কিছু পাওয়া যায় নি।

 চিকিতসকদ্বয়ের  রিপোর্ট  নির্ভুল,
পেশেন্টের কোনো ব্লাড ক্যান্সার নেই,
পূর্বের রিপোর্টটা  খামখেয়ালি করে যে ল্যাব ইনচার্জ করিয়েছেন ,
তার কি হবে?
তার খামখেয়ালিরর কারনে কি, একজন সুস্থ মানুষ ক্যান্সার বনে যাবেন!

না,
না,
এটা চলতে দেয়া যায় না,

ঐ সমস্ত ল্যাবগুলোর বিরুদ্ধে এ্যকশনে যাওয়া দরকার,
হয় ভালো প্যাথলজির চিকিতসক দিয়ে রিপোর্ট তৈরী করবে না হয়,
ল্যাব গুটিয়ে পালাবে,
মানুষের জীবন নিয়ে তো চিনিমিনি
খেলতে দেয়া যাবে না।

তাই রোগীর যেকোনো পরীক্ষা নিরিক্ষা করার সময়, রিপোর্টটা যাতে ভাল চিকিতসক দিয়ে করা হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন।

রাস্তাঘাটে নালা- নর্দমার মত ফুটপাতে  ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ল্যাব থেকে  ভুলেও কোনোদিন রোগীর পরীক্ষা করাবেন না।
যে সব ল্যাবে ভাল ভাল চিকিতসকগন রিপোর্ট  করেন,
সে সব ল্যাব থেকে পরীক্ষা নিরীক্ষা করাবেন।

---   ডাঃ স্বাধীন

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

ডেঙ্গু জ্বর হলে কী করবেন.....

ডেঙ্গু জ্বর হলে কী করবেন.....


মে থেকে সেপ্টেম্বর মাস, বিশেষ করে গরম ও বর্ষার সময় ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ বেশি থাকে। এ বছর প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়ার কারণে ডেঙ্গু জ্বর বেশি হচ্ছে। শীতকালে সাধারণত এই জ্বর হয় না বললেই চলে। শীতে লার্ভা অবস্থায় এই মশা অনেক দিন বেঁচে থাকতে পারে। বর্ষার শুরুতে সেগুলো থেকে নতুন করে ডেঙ্গু ভাইরাসবাহিত মশা বিস্তার লাভ করে।

ডেঙ্গু জ্বরের উৎপত্তি ডেঙ্গু ভাইরাসের মাধ্যমে এবং এই ভাইরাসবাহিত এডিস ইজিপ্টাই নামক মশার কামড়ে হয়ে থাকে। ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণুবাহী মশা কোনো ব্যক্তিকে কামড়ালে সেই ব্যক্তি চার থেকে ছয় দিনের মধ্যে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়। এবার এই আক্রান্ত ব্যক্তিকে কোনো জীবাণুবিহীন এডিস মশা কামড়ালে সেই মশাটি ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণুবাহী মশায় পরিণত হয়। এভাবে একজন থেকে অন্যজনে মশার মাধ্যমে ডেঙ্গু ছড়িয়ে থাকে।
এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের ডিন অধ্যাপক এ বি এম আব্দুল্লাহ বলেন, এই জ্বর এমনিতেই ভালো হয়ে যায়। কিছু ক্ষেত্রে এটি শরীরে জটিলতা সৃষ্টি করে। তবে জ্বরে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চললে কয়েক দিনেই ডেঙ্গু পুরোপুরি ভালো হয়ে যায়।
লক্ষণ
ডেঙ্গু জ্বরে সাধারণত তীব্র জ্বর এবং সেই সঙ্গে শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা হয়। জ্বর ১০৫ ফারেনহাইট পর্যন্ত হয়। শরীরে বিশেষ করে হাড়, কোমর, পিঠসহ অস্থিসন্ধি ও মাংসপেশিতে তীব্র ব্যথা হয়। এ ছাড়া মাথাব্যথা ও চোখের পেছনে ব্যথা হয়। জ্বর হওয়ার চার বা পাঁচ দিনের সময় সারা শরীরে লালচে দানা দেখা যায়। যাকে বলা হয় স্কিন র্যা শ, অনেকটা অ্যালার্জি বা ঘামাচির মতো। এর সঙ্গে বমি বমি ভাব এমনকি বমি হতে পারে। রোগী অতিরিক্ত ক্লান্তিবোধ করে এবং রুচি কমে যায়। এই অবস্থাটা যেকোনো সময় জটিল হয়ে উঠতে পারে। যেমন অন্য সমস্যার পাশাপাশি যদি শরীরের বিভিন্ন অংশ থেকে রক্ত পড়া শুরু হয়। যেমন: চামড়ার নিচে, নাক ও মুখ দিয়ে, মাড়ি ও দাঁত থেকে, কফের সঙ্গে, রক্ত বমি, পায়খানার সঙ্গে তাজা রক্ত বা কালো পায়খানা, চোখের মধ্যে ও চোখের বাইরে রক্ত পড়তে পারে।
মেয়েদের বেলায় অসময়ে ঋতুস্রাব অথবা রক্তক্ষরণ শুরু হলে অনেক দিন পর্যন্ত রক্ত পড়তে থাকা ইত্যাদি হতে পারে। এই রোগের বেলায় অনেক সময় বুকে পানি, পেটে পানি ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিতে পারে। অনেক সময় লিভার আক্রান্ত হয়ে রোগীর জন্ডিস, কিডনিতে আক্রান্ত হয়ে রেনাল ফেইলিউর ইত্যাদি জটিলতা দেখা দিতে পারে।
কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন
ডেঙ্গু জ্বরের নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা নেই। তবে এই জ্বর সাধারণত নিজে নিজেই ভালো হয়ে যায়। তাই উপসর্গ অনুযায়ী সাধারণ চিকিৎসা যথেষ্ট। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভালো। যেমন:
* শরীরের যেকোনো অংশে রক্তপাত হলে
* প্লাটিলেটের মাত্রা কমে গেলে
* শ্বাসকষ্ট হলে বা পেট ফুলে পানি এলে
* প্রস্রাবের পরিমাণ কমে গেলে
* জন্ডিস দেখা দিলে
* অতিরিক্ত ক্লান্তি বা দুর্বলতা দেখা দিলে
* প্রচণ্ড পেটে ব্যথা বা বমি হলে।
চিকিৎসা
ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত বেশির ভাগ রোগী সাধারণত ৫ থেকে ১০ দিনের মধ্যে নিজে নিজেই ভালো হয়ে যায়। এমনকি কোনো চিকিৎসা না করালেও। তবে রোগীকে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েই চলতে হবে। যাতে ডেঙ্গুজনিত কোনো মারাত্মক জটিলতা না হয়। ডেঙ্গু জ্বরটা আসলে গোলমেলে রোগ, সাধারণত লক্ষণ বুঝেই চিকিৎসা দেওয়া হয়।
* সম্পূর্ণ ভালো না হওয়া পর্যন্ত বিশ্রামে থাকতে হবে।
* যথেষ্ট পরিমাণে পানি, শরবত, ডাবের পানি ও অন্যান্য তরল-জাতীয় খাবার গ্রহণ করতে হবে।
* খেতে না পারলে দরকার হলে শিরাপথে স্যালাইন দেওয়া যেতে পারে।
* জ্বর কমানোর জন্য শুধু প্যারাসিটামল-জাতীয় ব্যথার ওষুধই যথেষ্ট। এসপিরিন বা ডাইক্লোফেনাক-জাতীয় ব্যথার ওষুধ কোনোক্রমেই খাওয়া যাবে না। এতে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়বে।
* জ্বর কমানোর জন্য ভেজা কাপড় দিয়ে গা মোছাতে হবে।
প্রতিরোধ
ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধের মূল মন্ত্রই হলো এডিস মশার বিস্তার রোধ এবং এই মশা যেন কামড়াতে না পারে তার ব্যবস্থা করা। স্বচ্ছ পরিষ্কার পানিতে এরা ডিম পাড়ে। ময়লা দুর্গন্ধযুক্ত ড্রেনের পানি এদের পছন্দসই নয়। তাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশার ডিম পাড়ার উপযোগী স্থানগুলোকে পরিষ্কার রাখতে হবে এবং একই সঙ্গে মশা নিধনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
* বাড়ির আশপাশের ঝোপঝাড়, জঙ্গল, জলাশয় ইত্যাদি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
* যেহেতু এডিস মশা মূলত এমন বস্তুর মধ্যে ডিম পাড়ে, যেখানে স্বচ্ছ পানি জমে থাকে। তাই ফুলদানি, অব্যবহৃত কৌটা, ডাবের খোলা, পরিত্যক্ত টায়ার ইত্যাদি সরিয়ে ফেলতে হবে।
* ঘরের বাথরুমে বা কোথাও জমানো পানি পাঁচ দিনের বেশি যেন না থাকে। অ্যাকুয়ারিয়াম, ফ্রিজ বা এয়ারকন্ডিশনারের নিচেও যেন পানি জমে না থাকে।
* এডিস মশা সাধারণত সকালে ও সন্ধ্যায় কামড়ায়। তবে অন্য কোনো সময়ও কামড়াতে পারে। তাই দিনের বেলা শরীরে ভালোভাবে কাপড় দিয়ে ঢেকে বের হতে হবে, প্রয়োজনে মসকুইটো রিপেলেন্ট ব্যবহার করা যেতে পারে। ঘরের দরজা-জানালায় নেট লাগাতে হবে।
* দিনের বেলায় মশারি টানিয়ে অথবা কয়েল জ্বালিয়ে ঘুমাতে হবে।
* বাচ্চাদের যারা স্কুলে যায়, তাদের হাফ প্যান্ট না পরিয়ে ফুল প্যান্ট পরিয়ে স্কুলে পাঠাতে হবে।
* মশা নিধনের স্প্রে, কয়েল, ম্যাট ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে মশার কামড় থেকে বাঁচার জন্য দিনে ও রাতে মশারি ব্যবহার করতে হবে।
* ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীকে অবশ্যই সব সময় মশারির মধ্যে রাখতে হবে, যাতে করে কোনো মশা কামড়াতে না পারে।
* ডেঙ্গু জ্বরের মশাটি এ দেশে আগেও ছিল, এখনো আছে। মশা প্রজননের ও বংশবৃদ্ধির পরিবেশও আছে। তাই একমাত্র সচেতনতা ও প্রতিরোধের মাধ্যমেই এর হাত থেকে বাঁচা সম্ভব।